তালাকে পৌরসভা ও পাটকেলঘাটা কে উপজেলায় রূপান্তরিত করব : ধানের শীষের প্রার্থী হাবিব

 

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরার তালা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকালে তালা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে পাটকেলঘাটা বলফিল্ড মাঠে
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও তালা ও কলারোয়ার সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

এ সময় তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হয়ে
পাটকেলঘাটাকে থানাতে রূপান্তরিত করেছিলাম, আমি কথা দিচ্ছি আগামীতে সংসদ সদস্য হতে পারলে তালাকে উপজেলাকে পৌরসভা এবং পাটকেলঘাটাকে উপজেলায় রূপান্তরিত করব। এছাড়া তিনটি উপজেলাকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো

এ সময় তিনি আরো বলেন, ত্রোয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ই ফেব্রুয়ারি, এই ১২ই ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে একটি গোষ্ঠী এই নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য ঢাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় মব সৃষ্টি করছে, তাদেরকে সাবধান করতে চাই, বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচিত ও সরকার দেখতে চাই, এইভাবে মব সৃষ্টি করে নির্বাচনকে বানচাল করা যাবে না, আমি কথা দিচ্ছি, তালা ও কলারোয়ার সবশ্রেণীর মানুষ, আমি নির্বাচিত হতে পারলে সবাইকে নিরাপদে রাখবো।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মধ্য ও নিম্নবর্তী শ্রেণীর ফ্যামিলিতে নারী প্রধান কে ২৫০০ টাকা করে ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়া হবে, এবং প্রকৃত কৃষকদের ৫ হাজার টাকা করে কৃষি ভাতা দেয়া হবে।

নির্বাচনীয় জনসভায় তালা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মৃনাল কান্তি রায়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম শফীর
সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, যুগ্ন আহবায়ক আবুল হাসান হাদী, জেলা মহিলা দলের সভাপতি ফরিদা আক্তার বিউটি, কলারোয়া উপজেলা বিএনপির মুখপাত্র অধ্যাপক রইচ উদ্দিন, তালা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সাধারণ অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, কলারা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মোল্লা, তালা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মফিদুল হক লিটু, উপজেলা মহিলাদের আহবায়ক মেহেরুন নেসা মিনি, উপজেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ, সুরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুলা রাজু, তালা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মির্জা আতিয়ার রহমান প্রমূখ।

জনসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যাপক উপস্থিতি জানান। সভাস্থলে দলীয় পতাকা, ব্যানার ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামীর বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ: সাতক্ষীরায় সাদিক কায়েম

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এ্যাডঃ মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেছেন, দেশে একটি পরিবর্তনের পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসন্ন। এই নির্বাচনে দেশের জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন। তাদের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হবে। বাংলাদেশ ৫৫ বছরের পদার্পণ করেছে। রাষ্ট্রে সরকারের বহু পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন হয়নি, তারা সব সময় বঞ্চিত হয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর সোনার বাংলার প্রোগ্রাম নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান এসেছিলেন, সবুজ বিপ্লবের ধারা নিয়ে এসেছিলেন জিয়াউর রহমান, পরে এরশাদ এসেছিলেন নতুন বাংলাদেশ নিয়ে। কিন্তু সোনার বাংলায় সোনা ফলাতে পারে নাই, সবুজ বাংলায় বাংলাদেশ সবুজের সমারহ ঘটেনি, নতুন বাংলাদেশ নতুন কিছু পাইনি। কারণ সোনার বাংলা গড়তে সোনার মানুষ চাই, সবুজ বাংলা করতে সবুজ তাজা তরুণ দরকার। নতুন বাংলায় নতুন চিন্তা চেতনার দরকার, যেটা গত ৫৪ বছরেও আমরা পাইনি।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী কালিগঞ্জ উপজেলা শাখা আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথি মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল আরো বলেন, দেশ স্বাধীনের পর ৫৫ বছরের মধ্যে গত ১৫ বছরের একটি অন্ধকার যুগ আমরা অতিক্রম করেছি। এই সাতক্ষীরা ও কালীগঞ্জ জেলা তার সবচেয়ে বড় সাক্ষী। এখানে ৪৮ জন ভাই বোনকে শহীদ করা হয়েছে। পরিবর্তনের জন্য সহস্রোতিক লোকপ্রান দিয়েছে। ১৪শ’ বেশি আমার দেশের ভাই বোন ও যুবক শাহাদাত বরণ করেছেন।

এসময় শিশু ও মা বোনেরাও রেহাই পাইনি, তারাও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আবু সাঈদ সহ বাংলাদেশের তরুণ সমাজ রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। ৩০ হাজার আল্লাহর বান্দা, এই বাংলাদেশে তরুণ ও যুবক আহত হয়ে এখনো কাতরাচ্ছে। তিনি বলেন, এত ত্যাগ ও তিতিক্ষার পরে, ৫৫ বছরের বঞ্চনার পর এবং ১৫ বছর কারাবরন ও নির্যাতন সহ্য করে হাজার হাজার তরুণ যুবকের শাহদাতের বিনিময়ে যে নির্বাচন আমরা করতে চাই, সে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবার যদি পুরনো অবস্থা ফিরে আসে তাহলে দেশের মানুষের দুঃখ ঘুচবে না। আগামীর বাংলাদেশ যদি ন্যায়, ইনসাফ ও কল্যাণের বাংলাদেশ গড়তে হয় তাহলে মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষদের দরকার। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ৫৫ বছরের ইতিহাসের সবচেয়ে দায়িত্বশীল সংগঠন হলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। যারা বাংলাদেশের সোনার মানুষ উপহার দেবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ে ন্যায় ও ইনসাফের, কল্যাণের ও মানবিক বাংলাদেশ উপহার দিবে। এজন্য তিনি আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে ডাক্তার শফিকুর রহমানের সকল প্রার্থীকে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান।

জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে আমাদের গাজীরা, শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ আলী রায়হান, গত ১৬ বছরে কালীগঞ্জে আমাদের যে ভাই বোনেরা জীবন দিয়েছে, আমাদের যে ভাই বোনদের বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আমার যে মায়েদের লাঞ্ছিত করা হয়েছে যে ভাইদের খুন করা হয়েছে এরা চাকরি হারিয়েছে তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। তিনি আরো বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ, মানবিক বাংলাদেশ। আগামীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ডা: শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন তিনি আগামী নির্বাচনে জামাত ইসলামের বিজয় চান না, পরিবারের বিজয় চান না তিনি ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চান। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে সাতক্ষীরা চারটি আসনের জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভিপি সাদিক (কায়েম), সাতক্ষীরা-২ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী- মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী- মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, খুলনা-১ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী- বাবু কৃষ্ণ লাল নন্দী, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা -৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য স,ম সালাউদ্দিন, শিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা জায়েদ আব্দুল্লাহ, ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি জুবায়ের হোসেন, ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার সেক্রেটারি মেহেদী হাসান, আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের আমির আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির নুরুল আবসার মোর্তজা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা এমদাদুল হক প্রমূখ।

এর আগে সকালে শ্যামনগর, বিকেলে দেবহাটা ও সন্ধায় কলারোয়াতে জামায়াতের পৃথক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আয়োজনে সংবাদকর্মীদের প্রাণের মেলা

নিজস্ব প্রতিনিধি: শহরের যান্ত্রিকতা আর সংবাদের অন্তহীন ব্যস্ততাকে ছুটি দিয়ে শুক্রবার একটি দিন যাপন হলো আপনজনেদের সঙ্গে। বসন্তের আগাম বারতায় সবুজে ঘেরা সাতক্ষীরার মোজাফফর গার্ডেনের মনোরম পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বার্ষিক বনভোজন ও সাংবাদিক পরিবারের মিলনমেলা। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিনভর চলে উৎসবের এই আমেজ। উৎসবটি যেন বয়ে এনেছিল এক বসন্ত আনন্দ।

সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সংবাদকর্মীরা সপরিবারে সমবেত হতে থাকেন মোজাফফর গার্ডেনে। কুয়াশার চাদর সরিয়ে রোদ ঝলমলে সকালে শিশুদের কোলাহল আর কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে এক খন্ড সবুজ চত্বর। পেশাগত সম্পর্কের কঠোর গণ্ডি পেরিয়ে এদিন সবাই যেন মিশে গিয়েছিলেন এক বৃহৎ পরিবারের বন্ধনে।

আয়োজনের শুরুতেই ছিল শিশুদের বাস্কেটে বল নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা। এরপর একে একে বড়দের জন্য বাস্কেটে বল নিক্ষেপ, নারীদের পিলো পাসিং এবং ঐতিহ্যবাহী হাঁড়ি ভাঙা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন অতিথিরা। দুপুরের ভোজে ছিল রসনাবিলাসের আয়োজন, যার পর শুরু হয় সাংস্কৃতিক পর্ব। এ পর্বে মিলেছিলেন সাতক্ষীরার সাংস্কৃতির অঙ্গনের একঝাঁক তারকা। আবু আফফান রোজ বাবু, চৈতালী মুখার্জী, মনিরুল ইসলামের মতো বরেণ্য শিল্পীরা। সুর ও ছন্দের আবেশ ছড়িয়ে মঞ্চে উঠে আসে আবৃত্তি ও অভিনয়। সুরের তালে তাল মিলিয়ে নৃত্য পরিবেশন ছিল নান্দনিক। শিশুদের আবৃত্তি, পাঁচমেশালি আয়োজন ছিল হৃদয়হরা।

বিকেলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছিল বিশেষ আকর্ষণÑ’স্বামী সম্পর্কে স্ত্রীর অভিমত’। হাস্যরসে ভরা এই পর্বে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে উপস্থিত দর্শকদের বিনোদিত করেন সাংবাদিক পত্নীরা। এ ছাড়া আবৃত্তি, নৃত্য ও গানের মূর্ছনায় পুরো অনুষ্ঠানস্থল এক ভিন্ন মাত্রায় পৌঁছায়। লটারির ড্র ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে দিনটির সমাপ্তি ঘটে। দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জিএম নূর ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, মমতাজ আহমেদ বাপী, সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীর মতো তুখোড় সাংবাদিকদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ এ উৎসবের আনন্দমাত্রায় নতুন পালক যুক্ত করে।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া একাধিক সাংবাদিক বলেন, “সাংবাদিকতার পেশা মানেই প্রতিনিয়ত চাপের মধ্যে থাকা। বছরের এই একটি দিন পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। এমন আয়োজন আমাদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব আর ভালোবাসার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।”
দিগন্তজোড়া সবুজের মাঝে হাসি, আড্ডা আর স্মৃতিচারণের এই মিলনমেলা সন্ধ্যায় যখন শেষ হয়, তখন সবার চোখেমুখে ছিল একটিই প্রত্যাশা—এমন প্রাণের মেলা যেন বারবার ফিরে আসে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Mikor a szerencsejátékot online végezzük, az első és talán a legfontosabb gondolat a biztonság. Napjainkban egyre több online platform létezik, ahol kedvünkre játszhatunk, azonban megfelelő kutatómunka nélkül nem ajánlott regisztrálni bármelyik oldalra. Ebben a cikkben bemutatjuk, hogyan biztosíthatjuk a biztonságos online kaszinó élményt, valamint miért fontos a játékok átláthatósága és a felelősségteljes játék.

A játékosok biztonsága és az online kaszinók felelőssége

Az online kaszinóknak számos intézkedést kell tenniük a játékosok biztonságának garantálása érdekében. Legelsőként, a weboldalukat SSL titkosítással kell ellátniuk, hogy a felhasználói adatok ne kerülhessenek illetéktelen kezekbe. Második fontos lépés a licenc megléte. Egy online kaszinónak hivatalos engedéllyel kell rendelkeznie a működéshez. Például, a https://motleyincinema.com/romania-kulfoldi-online-kaszino oldalon is megtalálhatóak licenc alapján működő kaszinók.

Az átláthatóság hangsúlyos szerepe

Az online kaszinóknál különösen fontos az átláthatóság. Hogy értjük ezt? Az online kaszinónak világosan jelennie kell a játékszabályzatokat és a kifizetési feltételeket. Kérjük el az online kaszinótól, hogy írja le világosan a szabályzatát. Ha van kérdése, mindig kérje meg az ügyfélszolgálatot, hogy magyarázza el. Ezen kívül, válassza azokat az online kaszinókat, amelyek a játékok fejlesztőinek és szoftvereknek neveit is láthatóvá teszik.

Felelősségteljes játék elősegítése

Az online kaszinóknak elősegíteniük kell a felelősségteljes játékot. Ezen a fronton számos módja létezik:

  • Meghatározzák a játékidőt, a napi vagy heti befizetési limitet, a játékidő limitet és a veszteségi limitet.
  • Szünetet vagy lemondást kínálnak azoknak a játékosoknak, akiknek problémái vannak a játékkal.
  • Információkat és erőforrásokat kínálnak a játékfüggőséggel küzdő játékosok számára.

Összességében egy átlátható, biztonságos platform segít, hogy a játék élmény maradjon, ne stresszforrás.

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে সেনাবাহিনীর মহড়া

নিজস্ব প্রতিনিধি : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

নির্বাচন কমিশন ও সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সাতক্ষীরা জেলার চারটি স্থানে সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে এবং সকল ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন (রেকি) সম্পন্ন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে বুধবার সকালে কালিগঞ্জ সেনা ক্যাম্পে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি যাচাইয়ে একটি সুসজ্জিত মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মহড়ায় ভোটকেন্দ্রে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের কৌশল দেখান সেনাসদস্যরা।

সাতক্ষীরা ৩৭ বীরের অধিনায়ক লে. কর্নেল নাভিদ হাসান জানান, ড্রোন, বডি ওর্ন ক্যামেরা ও সুরক্ষাআপসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ধর্ষন চেষ্টা মামলায় ১ আসামী আটক

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ধর্ষনের চেষ্টা মামলার এজাহারনামীয় ১ জন আসামী গ্রেফতার হয়েছে।

মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারী দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ এক অভিযান পরিচালনা করে উক্ত আসামীকে গ্রেফতার করে। আটককৃত উক্ত আসামীর নাম আফজাল গাজী (৩৬)। সে উপজেলার চকমোহাম্মাদালীপুর গ্রামের আদর আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, বিপিএম এর দিকনির্দেশনায় দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাকির হোসেনের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) আদনান বীন আজাদ ও এসআই (নিঃ) লেলিন বিশ্বাস সংগীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবহাটা থানার মোহাম্মাদালীপুর গ্রাম এলাকা থেকে ধর্ষনের চেষ্টা মামলার এজাহারনামীয় উক্ত আসামীকে আটক করেন। আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

দেবহাটা থানার ওসি মোহাম্মদ জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উক্ত এলাকার এক মহিলা বাদী হয়ে আটককৃত ব্যক্তিকে আসামী করে দেবহাটা থানায় ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন। যার মামলা নং- ০২, তাং- ০৩-০২-২৬ ইং। উক্ত মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় সাদা ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছ

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় সাদা সাদা ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছ। ডালের গোড়া থেকে মাথা পর্যন্ত ফুল আর ফুল। এ সময় সজিনা গাছের পাতা ঝরে পড়ে। তাই পাতা শুন্য ডালে থোকা থোকা সাদা ফুলের শোভা দেখে সকলে মোহিত হচ্ছে।

উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন প্রতি বাড়ীতে কমপক্ষে ৫/৬ টি গাছ রয়েছে। এসব গাছ বাড়ীর পাশে ও ক্ষেতের আইলে লাগানো। যত্ন ছাড়াই এসব গাছ বেড়ে উঠেছে। গাছ ফলনও বেশী হয়। প্রতি বছর সজিনার শাখা বা ডাল রোপন করা হয় রোপনকৃত ডালের প্রায় ৩০ শতাংশ মারা যায়।

দেশে ২টি জাত আছে, একটি সজিনা ও আর একটি নজিনা। সজিনার ফুল আসে জানুয়ারীতে আর নজিনা ফুল আসে মার্চ মাস থেকে। তবে সব ফুল থেকে ফল হয় না। একটি থোকায় সর্বাধিক ১৫০টি মত ফুল ধরে। ফুল ৪০ সেঃ মিঃ থেকে ৮০ সেঃ মিঃ পর্যন্ত লম্বা হয়। ফুল ফুটার ২ মাস পর ফল তোলা যায়। একটি বড় গাছে ৪’শ থেকে ৫’শ ফল ধরে। প্রতিটি ফলে ৩০-৪০ টি বীজ হয়। দেশে সাধারণ ডাল কেটে ডাল রোপন করে সজিনা গাছ লাগানো হয়। ভারত থেকে হাইব্রিড সজিনার জাত এদেশে এসেছে। এ জাতের বীজ বপন করে লাগাতে হয়। হাইব্রিড জাতের সজিনা গাছে দু’বার ফুল আসে। ফেব্রুয়ারি -মার্চ ও জুন-জুলাই মাস।

সজিনা চাষিরা উচ্চ মূল্য পাওয়ায় সজিনার ডাল রোপন করতে উৎসাহিত হচ্ছে। বসতবাড়ীর আশে পাশে রাস্তার ধারে ক্ষেতের আইলে লাগানো সজিনা গাছ যত্ন ছাড়াই অবহেলার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে। সজিনা পুষ্টি ও ভেজষ গুনে ভরা সবজি হিসাবে খুব দামী। সজিনার ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মুল্যে বিক্রি হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা এখন পতিত জমিতে পরিকল্পিতভাবে সজিনা গাছ লাগিয়ে লাভবান হচ্ছে।

সজিনা বিশ্বের অন্যতম প্রয়োজনীয় একটি বৃক্ষ। অলৌকিক গাছ হিসাবে সজিনা পরিচিত। ইংরেজিতে

সজিনার নাম “ড্রামস্ট্রিক” যার অর্থ ঢোলের লাঠি। নামটি অদ্ভুত হলেও এটি এমটি অতিপ্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী উদ্ভিদ। এ গাছের পাতা, ফুল, ফল, ব্যাকল ও শিকড় সবই মানুষের উপকারে আসে। সজিনার পুষ্টি গুন অনেক বেশী। এ গাছের অনেক গুন থাকায়, এ গাছকে যাদুর গাছ বলা হয়। কাঁচা সবুজ পাতা রান্না করে, ভত্তা করে ও বড়া ভেজে খাওয়া যায়। ফল সবজির মত রান্না করে খাওয়া যায়, ফল পাকলে সে সব ফলের বীজ বাদামের মতো ভেজে খাওয়া যায়।

সজিনার পাতা, ফল, ফুল, বীজ, ছাল, মুলের ভেজষ গুনও আছে। তাই সজিনা গাছের বিভিন্ন অংশ ভেজষ চিকিৎসায় কাজে লাগে। সজিনার পাতার পুষ্টিগুন বেশী, যেভাবে খাওয়া হোক না কেন তা শরীরে পুষ্টি যোগাবে, আর ঔষধীগুন তো আছেই। সজিনার পাতায় যে পরিমাণ পুষ্টি রয়েছে তা অনেক পুষ্টিকর খাবারেও নেই। যেমন, ডিমের চেয়ে বেশী আমিষ, দুধের চেয়ে বেশী ক্যালশিয়াম, কমলার চেয়ে বেশী ভিটামিন সি, কলার চেয়ে বেশী ক্যালশিয়াম, গাজরের চেয়ে বেশী ভিটামিন এ আছে। তাছাড়া সজিনার পাতা গুড়ো করে খাওয়ায় অন্তত ১৬টি উপকারী কথা জানা গেছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, চোখ ও মস্তিস্কের পুষ্টি যোগায় প্রভৃতি। সজিনা সবজি যেমন উপদেয় এর ভেজষ গুনও অসাধারণ।

মৌসুমী নানা রোগব্যাধী নিরাময় ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ বৃদ্ধি করতে অত্যন্ত কার্যকর। বিশেষ করে জন্ডিস, বসন্ত, মূত্র সংক্রান্ত সমস্যা প্রাচীনকাল থেকে সজনে নানা ব্যবহার করে আসছে ইউনিয়ানী ও আয়ূর্বেদ চিকিৎসকরা। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শওকত ওসমান জানান, ঠান্ডা-গরম, লবণ, খরা সহিষ্ণু এ গাছ বাংলাদেশের সর্বত্রই জন্ম নেয়। এ উপজেলার লবণাক্ত মাটিতে সজিনা আবাদ ভাল হচ্ছে। উপজেলার প্রতি বাড়ীতে কমবেশি ৫/৬টি করে সজিনা গাছ আছে। এ বছর সজিনা গাছে ব্যাপক ফুল ধরেছে। বড় ধরণের দূর্যোগ না হলে সজিনার বাম্পার ফলন আশা করা যায়। সজিনা পুষ্টিকর সবজি হিসাবে ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে সজিনা ক্ষেত গড়ে তোলার জন্য উদ্ভুদ্ধ করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভূমিকম্পনে কাপল সাতক্ষীরা

অনলাইন ডেস্ক : দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সাতক্ষীরার কলারোয়া মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৩৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে ৪.১ মাত্রার এই ভূকম্পনটি ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪.১, যা হালকা ভূমিকম্প হিসেবে শ্রেণিভুক্ত।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ঢাকায় অবস্থিত ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউরোপিয়ান মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজি সেন্টার (ইএমএসসি) জানায়, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল সাতক্ষীরা জেলা শহর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে।

ভোরের দিকে ভূমিকম্প হওয়ায় অনেক মানুষ ঘুমন্ত অবস্থায় থাকলেও কিছু এলাকায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে ভূমিকম্পটি স্বল্প সময় স্থায়ী হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের আতঙ্ক দেখা যায়নি।

বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে অবস্থান করায় এ ধরনের হালকা ভূমিকম্প মাঝেমধ্যেই অনুভূত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

গত কয়েক মাসে দেশে একাধিক হালকা ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও খুলনা অঞ্চলে বিভিন্ন সময় ভূকম্পন টের পাওয়া গেছে। এসব ভূমিকম্পের অধিকাংশের উৎপত্তিস্থল ছিল দেশের ভেতরে অথবা পার্শ্ববর্তী ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায়।

এর মধ্যে গত ২১ নভেম্বর নরসিংদীর মাধবদীতে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ঢাকাসহ আশেপাশের জেলাগুলো। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ঢাকাসহ সারা দেশে দুই শিশুসহ ১১ জন প্রাণ হারান। আহত হন কয়েকশ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest