সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতাদেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণবস্তুনিষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের কারনেই দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম সময় টিভিMastering Live Casino Action and Bonuses on Casinoplaygroundcanada.Com

সাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা সদরের শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সাতক্ষীরার আয়োজনে এ হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার।

এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, হাম রুবেলা টিকা নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, কোন কুসংস্কার যেন এই টিকাদান থেকে কাউকে যেন টিকাদান থেকে বিরত না রাখে। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি মসজিদ, মাদরাসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরতদের টিকা নিতে জনগনকে সচেতন করার ভূমিকা রাখার আহবান জানান।

সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত, জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম টুটুল, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফরহাদ জামিল, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী উপ-পরিচালক মো. সাঈদুজ্জামান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিকিৎসক ডা: রাশেদ উদ্দিন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদী প্রমুখ।

উল্লেখ্য ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদেরকে ২০ এপ্রিল সোমবার থেকে ১০ মে পর্যন্ত টানা ১১ কর্মদিবসের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলায় ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে হামের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

এর মধ্যে ১ম ৮দিন কমিউনিটিতে এবং শেষের ৩ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ টিকা প্রদান করা হবে। জেলায় মোট ২ হাজার ৪১৭টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে একযোগে হামের টিকা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া যে সকল শিশু এমআর বা হামের টিকা পেয়ে থাকলে অথবা হাম বা রুবেলা রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকলেও ঐ বয়সের সকল শিশুকে ক্যাম্পেইনে এমআর টিকা দিতে নিতে পারবে। তবে একটি শিশু টিকা প্রদানের ২৮ দিন পূর্ণ হলেই সেই শিশু টিকা নিতে পারবে। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, জেলা সিনিয়র স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিং

নিজস্ব প্রতিনিধি: সারাদেশব্যাপী হাম-রুবেলা নির্মূল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সাতক্ষীরায় “হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬” উপলক্ষে জেলা পর্যায়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ান্ত সরকার, মেডিকেল অফিসার ডা. ইসমত জাহান সুমনা, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সাতক্ষীরা জেলায় এই ক্যাম্পেইনের আওতায় মোট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে টিকা প্রদান করা হবে। নির্ধারিত এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জেলাজুড়ে মোট ২ হাজার ৪১৭টি টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, হাম ও রুবেলা রোগ নির্মূলে এই ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাম্পেইন চলাকালে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে বিনামূল্যে এই টিকা প্রদান করা হবে। তিনি অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে টিকা গ্রহণের আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সফলভাবে ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকির

​নিজস্ব প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের গণমাধ্যম ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় এবং শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ওয়ান দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবারও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবল নিয়ে পূর্ণ উদ্যমে সম্প্রচারে ফিরে আসছে। বর্ণাঢ্য এই প্রত্যাবর্তনের গর্বিত অংশীদার হিসেবে সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক নাজমুল শাহাদাৎ জাকির। শনিবার (১৮ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গিয়াস উদ্দিন আল-মামুন স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাকে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়।

নাজমুল শাহাদাৎ জাকির গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সাতক্ষীরা অঞ্চলে মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকতা করছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় দৈনিক ‘খবরের কাগজ’ এবং সাতক্ষীরার স্থানীয় দৈনিক ‘পত্রদূত’-এ কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি উপকূলীয় মানুষের জীবনসংগ্রাম, পরিবেশ এবং স্থানীয় নানা ইস্যু নিয়ে নিয়মিত কাজ করেছেন। টেলিভিশনের পর্দায় এবার সাতক্ষীরার প্রান্তিক মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য।

​নতুন এই দায়িত্ব প্রসঙ্গে নাজমুল শাহাদাৎ জাকির বলেন, চ্যানেল ওয়ান-এর এই নতুন যাত্রায় যুক্ত হওয়া তার পেশাগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি জনমানুষের কথা তুলে ধরতে চান। নিজের দায়িত্ব পালনে তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের ফয়জুল্লাহপুর গ্রামের দুটি ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। পহেলা বৈশাখ বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারি কমিশনারের নেতৃত্বে ওই দুটি পরিবারকে উচ্ছেদের পর তারা খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

অভিযোগ, উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার দৃশ্য ভিডিও ধারণ করায় এক গ্রাম ডাক্তারসহ একাধিক ব্যক্তির মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। দুধের বাচ্চাকে নিয়ে পায়ে ধরলেও কোন সহযোগিতা মেলেনি ওই দুই পরিবারের।

ফয়জুল্লাহপুর ঋষিপাড়ার মৃত আবু সাঈদ সরদারের ছেলে ভ্যানচালক মোঃ আলাউদ্দিন সরদার জানান, ফয়জুল্লাহপুর- থেকে ফিংড়িগামি পাকা সড়কের পূর্বপাশে ঋষিপাড়ায় এসএ ২৪২ ও ১ নং খাস খতিয়ানের বিআরএস ৫৯৯ দাগের পাঁচ শতক নীচু জমিতে মাটি ভরাট করে ৩৫ বছর আগে থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে তিনি সেখানে বসবাস করে আসছেন। একইভাবে তারই পাশে রমা কুমার ম-ল চার শতক জমিতে একটি বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি সন্তানসহ স্বপরিবারে বসবাস করে আসছেন। ছয় বছর আগে তাদের বসবাসকৃত জমির পূর্ব দিকে একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক পরিচয়ে মনিরুল ইসলাম মিনি শহরের সুলতানপুরের আবু মুছার কাছ থেকে ২৫ শতক জমি কেনেন। এক বছর পর তিনি আরো দুটি প্লট কেনেন। নিজের কেনা জমি ছাড়াও তিনি পাঁচ শতকের বেশি খাস জমি দখলে রেখেছেন। মনিরুল ইসলাম মিনির জমিতে যাওয়ার জন্য তার জমির উত্তর পাশ দিয়ে সরকারি জায়গার উপর দিয়ে আট ফুট রাস্তা রয়েছে। জমি কেনার পর মনিরুল ইসলাম মিনির জমি ও ফসল তিনি দেখভাল করতেন। দুই বছর আগে মনিরুল ইসলাম মিনি তাকে অন্যত্র সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে সেখান থেকে চলে যাওয়ার কথা বলেন। তিনি রাজী হননি। একপর্যায়ে তাকে উচ্ছেদ করার হুমকি দেওয়া হয়। দেড় বছর আগে মনিরুল ইসলাম মিনির অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় ফিংড়ি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা তাকে ও রমা কুমার ম-লকে নোটিশ করেন। বিষয়টি নিয়ে তারা সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোয়াইব আহম্মদ ও সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) অতিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলার পর তাদের উচ্ছেদ না করার ব্যাপারে আশ^স্ত করেন তারা। এরপরও মনিরুল ইসলাম মিনি সম্প্রতি নিজেকে প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি সেজে তাদেরকে উচ্ছেদ করার জন্য প্রশাসনে প্রভাব খটিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার পক্ষ থেকে তাদেরকে উঠে যাওয়ার জন্য দরজার গায়ে নোটিশ লটকে যাওয়া হয়।

আলাউদ্দিন সরদার আরো জানান, গত পহেলা বৈশাখ বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় তহশীলদারসহ কয়েকজন এসে কোর্টের আদেশ আছে, ম্যাজিষ্ট্রেট আসছেন। ১০ মিনিটের মধ্যে তাদের ঘরবাড়ি থেকে মালামাল সরিয়ে নিতে বলা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে বুধহাটার লাল বাহিনীর প্রধান যুবলীগ নেতা সাদ্দামসহ ১০/১২জন হাজির হন। কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ও একদল পুলিশ হাজির হতেই সাদ্দাম বাহিনীর সদস্যরা তাদের টিনের বেড়াসহ ঘরের মধ্যে সকল জিনিসপত্র বের করে এনে ফেলে দেন। তার ও তার (আলাউদ্দিন) চাচা রফিকুলের নামে থাকা দুটি বৈদ্যুতিক মিটার ও রমা কুমার ম-লের বৈদ্যুতিক মিটার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। তার ছেলে আল আমিনের চার মাসের শিশু সন্তানকে নিয়ে ম্যাজিষ্্্রটে সাহেবের পায়ে ধরলেও কোন কথা শুনতে চাননি তিনি। একইভাবে রমা ও তার স্ত্রী প্রতিবন্ধি ছেলে বিধান ম-লকে নিয়ে হাতে পায়ে ধরলেও সাইফুল ইসলামের মন গলেনি। লক্ষাধিক টাকার মালামাল নষ্ট করার পর আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে তাদেরকে ঘরের চাল সরিয়ে নিতে বলা হয়। এর ব্যত্তয় হলে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার হুশিয়ারি দেওয়া হয়। এরপর থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নীচে থাকার বিষয়টি তারা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছেন। বৃহষ্পতিবার রাতে তাদের রান্না করার সরঞ্জামসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। ফলে তারা অন্যের বাড়ি থেকে হাঁড়ি যোগাড় করে রান্না করছেন। শুক্রবার বিকেলে পুলিশ যেয়ে তাদেরকে চলে যাওয়ার জন্য সতর্ক করেছেন।

ভূমিহীন আলাউদ্দিনসহ স্থানীয় উত্তম ম-ল, সামছুর রহমানসহ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, সাংবাদিক পরিচয়ে মিনি তার জমির শ্রীবৃদ্ধি করে বাজারমূল্য বাড়াতে জেলা প্রশাসনে প্রভাব বিস্তার করে রাস্তার পাশে থাকা (আলাউদ্দিনের পাশে) আবু সাঈদের মালিকানাধীন সিয়াম ফার্মসহ বেশ কয়েকটি দোকান, একটি মন্দির ও বসতি উচ্ছেদের আবেদন না করে শুধুমাত্র আলাউদ্দিন ও রমা কুমার ম-লের বিরুদ্ধে উচ্ছেদের আবেদন করেছেন। একদিকে প্রেসক্লাবে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের পাশে বসে নববর্ষের অনুষ্ঠান উপভোগ করেছেন, অপরদিকে ভূমিহীন পরিবারের উচ্ছেদ করার সংবাদ মুঠোফোনে বারবার খোঁজ নিয়েছেন মনিরুল ইসলাম মিনি।

রমা কুমার ম-ল বলেন, তিনি দীর্ঘ ৪০ বছর সেখানে বসবাস করছেন। ওই জমি বন্দোবস্ত দলিলের জন্য তিনি ২০১৩ সালে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন।

সাতক্ষীরার অবসরপ্রাপ্ত এক ভূমি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাস্তা বা অন্য কোন সরকারি প্রকল্পের সুবিধাথে সরকারি খাস জমি প্রয়োজনে কাউকে উচ্ছেদ করতে হলে তাকে পূর্ণবাসন করার মানবিক বিধান রয়েছে। সেটা না করে শুধুমাত্র ১৯৭০ সালের সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ভূমি ও ইমারত দখল পূণঃদখল আইনের ৪ ও ৫ ধারা অনুযায়ি বা ২০২৩ সালের ভূমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন ব্যবহার করে একই জায়গার প্রভাবশালীদের পাকা ঘর বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে শুধুমাত্র দুটি ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করা ন্যয়বিচার পরিপন্থি। সেক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রধানগণ ১৯৭০ সালের সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ভূমি ও ইমারত দখল পূণঃদখল আইনের ৬ ধারা মোতাবেক জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করে প্রতিকার চাইতে পারবেন।

এ ব্যাপারে সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মিনি শনিবার সকালে এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি আলাউদ্দিন সরদার ও রমা কুমার ম-লকে সরকারি খাস জমি থেকে উচ্ছেদের জন্য এক বছরের বেশি সময় আগে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছিলেন। সে অনুযায়ি তাদেরকে বুধবার উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। তবে তার কেনা জমির মধ্যে ৫ শতকের বেশি সরকারি খাস জমি রয়েছে কিনা বা নিজের জমির অবস্থানের শ্রীবৃদ্ধি ঘটাতে বেশ কয়েকটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে সাংবাদিকের প্রভাব বিস্তার করে দুটি ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করানোর উদ্যোগ নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার মধ্যে খাস জমি থাকলে সরকার বের করে নিক। তার যেটুকু প্রয়োজন মনে হয়েছে সেইটুকু উচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন তিনি।

ফয়জুল্লাহপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক উত্তম ম-ল জানান, বুধবার সকাল ১১টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে মটর সাইেেকলে ব্রহ্মরাজপুর বাজারে যাওয়ার সময় উচ্ছেদ অভিযান থেকে দাঁড়িয়ে যান। ্রে সময় তিনি অভিযানের দৃশ্য মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করায় ম্যাজিষ্ট্রেট সাইফুল ইসলাম তা কেড়ে নেন। কিছুক্ষণ পর ফুটেজ মুছে দিয়ে ফোন ফেরৎ দেওয়া হয়।
ফিংড়ি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শেখ ফরিদ হাসান বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ি তিনি প্রতিবেদন দিয়েছেন। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ি তিনি বুধবার উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। নির্দেশ অনুযায়ি তিনি কয়েকজন শ্রমিককে উচ্ছেদের সময় ডেকে এনেছিলেন।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারি কমিশনার সাইফুল ইসলাম কারো ফোন কেড়ে নেওয়া ও কারো সঙ্গে অসদাচরনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ি তিনি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছেন। আলাউদ্দিন ভূমিহীন হলেও ভূমিহীন রমা কুমারকে এল্লারচরে আবাসন প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেখানে রমা কুমার ম-ল যাননি।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে পরবর্তীতে নিশ্চিত করা যাবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭

অনলাইন ডেস্ক :
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, ধর্মপাশা ও দিরাইয়ে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে এবং ৭ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে এসব ঘটনা ঘটে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার এ হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন—জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের আমির আলীর ছেলে নূর জামাল (২৬), ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে হবিবুর রহমান (২২), সরস্বতীপুর গ্রামের জয়নাল হকের ছেলে রহমত উল্লাহ (১৫), তাহিরপুর উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে আবুল কালাম (৩২) এবং দিরাই উপজেলার পেরুয়া হাসনবাজ গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া (৩৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ শনিবার দুপুরে জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের কাছে পাগনার হাওরে বোরো ধান কাটতে গিয়েছিলেন নূর জামাল (২৬), মৃত রমজান আলীর ছেলে জালাল উদ্দীন (৫০) এবং জালাল উদ্দীনের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (২২)। দুপুরে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে এতে নূর জামাল ও তোফাজ্জল হোসেন আহত হন।

স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নূর জামালকে মৃত ঘোষণা করেন। তোফাজ্জল হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে একই সময়ে ধর্মপাশা উপজেলার টগার হাওরে চকিয়াচানপুর গ্রামের কাছে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে হবিবুর রহমান (২২) নামে এক কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ের সময় এ ঘটনা ঘটে। নিহত হবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা ফজলুর রহমানের ছেলে এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, হবিবুর রহমান তার চাচার সঙ্গে টগার হাওরসংলগ্ন জমিতে বোরো ধান কাটতে গিয়েছিলেন। হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে দ্রুত ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার জন্য রওনা দেওয়া হয়। তবে পথে তার অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়।

এদিকে একই উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের কাছে বজ্রপাতে জয়নাল হক (৩৫), তার ছেলে রহমত উল্লাহ (১৫) এবং লাল সাধুর স্ত্রী শিখা মনি (২৫) গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রহমত উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন এবং জয়নাল হক ও শিখা মনিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

অন্যদিকে তাহিরপুরে বজ্রপাতে আবুল কালাম (৩২) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত আবুল কালাম তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে। আহত নূর মোহাম্মদ (২২) বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের জামলাবাজ গ্রামের আলী আওয়ালের ছেলে।
আজ শনিবার দুপুরে তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে হালকা বৃষ্টি ও দমকা বাতাসের মধ্যে বজ্রপাত হলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, আবুল কালাম ও নূর মোহাম্মদ মাটিয়ান হাওরে হাঁসের খামার দেখাশোনা করতেন। প্রতিদিনের মতো শনিবারও তারা হাওরে হাঁস চরাতে গেলে হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আবুল কালামের মৃত্যু হয় এবং নূর মোহাম্মদ গুরুতর আহত হন।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে। গুরুতর আহত নূর মোহাম্মদকে প্রথমে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফয়েজ আহমদ নুরী জানান, নূর মোহাম্মদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সিলেটে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে দিরাই উপজেলার কালীয়াগোটা হাওরের একটি বিলের পাশে ধান কাটছিলেন পেরুয়া হাসনবাজ গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া (৩৮)। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. প্রশান্ত দাস তালুকদার লিটন মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জেলার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে “সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশন”। সর্বসম্মতিক্রমে সাংবাদিক মোঃ আহাদুল্লাহ সানাকে সভাপতি এবং ইকবাল হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছর মেয়াদি ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে শহরের সিটি শপিং সেন্টারে আয়োজিত আলোচনা সভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সংগঠক ও অ্যাথলেট কাজী কামরুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন রসুলপুর ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক লিয়াকত হোসেন অরুণ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ফুটবলার রেজাউল ইসলাম খোকন, রেফারি তাপস কুমার সরকার, অভিজ্ঞ ধারাভাষ্যকার শাহজাহান সিরাজ ও নূর মোহাম্মদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক জাতীয় কাবাডি খেলোয়াড় আজমিরা খাতুন দোলা, মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য জলি লতা এবং বিসিবি আম্পায়ার খাদিজা আক্তার চায়না।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, ধারাভাষ্য শুধু খেলার বর্ণনা নয়, এটি দর্শকের অনুভূতির সঙ্গে খেলার সংযোগ তৈরি করে। একজন দক্ষ ধারাভাষ্যকার ম্যাচের উত্তেজনা ও সৌন্দর্যকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তারা আরও বলেন, সাতক্ষীরায় দীর্ঘদিন ধরে প্রতিভাবান ধারাভাষ্যকাররা কাজ করলেও তাদের জন্য কোনো সংগঠিত প্ল্যাটফর্ম ছিল না। এই অ্যাসোসিয়েশন সেই শূন্যতা পূরণ করবে এবং নতুন প্রজন্মের ধারাভাষ্যকার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আলোচনা সভায় বক্তারা সংগঠনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কর্মশালা, প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং জেলার বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে মানসম্মত ধারাভাষ্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা চাই সাতক্ষীরার প্রতিটি ক্রীড়া ইভেন্টে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ধারাভাষ্যকার তৈরি হোক। এই সংগঠনের মাধ্যমে নতুনদের প্রশিক্ষণ দিয়ে জেলার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর্ত মানবতার সেবায় কাজ করা সংগঠনের ৭ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষ্যে স্বপ্নসিঁড়ি ৩দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। ১৭ এপ্রিল সকালে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কালিজঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও স্বপ্নসিঁড়ির উপদেষ্ঠা প্রফেসর আজিজুর রহমান পলাশ। স্বপ্নসিঁড়ির সিনিয়র সহ সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোসের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক ও স্বপ্নসিঁড়ির উপদেষ্টা আশরাফ উদ্দীন।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রফেসর আজিজুর রহমান পলাশ বলেন, স্বপ্নসিঁড়ি রোভার স্কাউটদের স্বপ্ন বিনির্মানে কাজ করছে। বিভিন্ন সময়ে আর্ত মানবতা, বৃক্ষ রোপনসহ অসহায় মানুষকে সহায়তা করেন। তিনি আরো বলেন, সংগঠনের মাধ্যমে রোভার স্কাউটদের সাথে সাথে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছে।

তিনি স্বপ্নসিঁড়ির কার্যক্রমকে সামনে আরো এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোটেক এস এম বিপ্লব হেসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণ

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে আব্দুল আলিম দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় তিনি বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাকির হোসেনের নিকট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

নবযোগদানকৃত ওসি আব্দুল আলিম এর আগে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি শার্শা ও অভয়নগর থানাসহ বিভিন্ন থানায় দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার সন্তান আব্দুল আলিম ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এরপর থেকে খুলনা রেঞ্জের বিভিন্ন থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বলেন, দেবহাটা থানার এলাকায় সন্ত্রাস, মাদক ও সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে তিনি কঠোর অবস্থানে থাকবেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest