সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিতশ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগসাতক্ষীরা- খুলনা মহাসড়কের আঠারো মাইলে ঝরলো ৬ প্রাণতালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতি

সাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর আয়োজনে সাংগঠনিক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক ০৩ বারের প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আরাফাত রহমান কোকোর মাগফিরাত কামনায় জিয়া উদ্যানে তাদের মাজার জিয়ারত এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ ভাই ও সদস্য সচিব হাজী মজিবুর রহমান ভাইসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় প্রোগ্রাম সফল করার জন্য ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টায় সাতক্ষীরা শহরের রয়েল প্লাস কনভেনশন হলে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও পৌর তাঁতীদলের আয়োজনে সদর উপজেলা তাঁতীদল এর আহবায়ক (ভারপ্রাপ্ত) ও জেলা তাঁতীদল এর সহ-সভাপতি শেখ আবু তুহিন এর সভাপতিত্বে এবং পৌর তাঁতীদল এর আহবায়ক ও জেলা তাঁতীদলের সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন লাল্টুর সঞ্চালনায় প্রস্তুতি সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
উক্ত প্রস্তুতি সভায় প্রধানমন্ত্রী অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীদল এর সভাপতি হাসান শাহরিয়ার রিপন, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবিনা ইয়াসমিন, সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, সহ-সভাপতি যথাক্রমে মোঃ সাইদুর রহমান পলাশ, মোঃ আব্দুল্লাহ মাষ্টার, অধ্যক্ষ শাহানুর ইসলাম সবুজ, সাধারণ সম্পাদক এস এম সাহেব আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মাহমুদুল ইসলাম বুলবুল, দপ্তর সম্পাদক মোঃ ফজলুল হক, প্রচার সম্পাদক মোঃ ওয়েজ কুরুনী শুভ।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা তাঁতীদল এর সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার, জেলা তাঁতীদল এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোরা ও মোঃ শরিফুল ইসলাম, জেলা তাঁতীদল এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর তাঁতীদল এর সদস্য সচিব নাহিদ হাসান টিপু, জেলা তাঁতীদল এর সহ সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে এড. আবু তাছিন বাবলু, সার্জেন্ট(অব) মইনুল ইসলাম, মতিনুর রহমান, জেলা তাঁতীদল এর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর তাঁতীদল এর সদস্য সচিব নাজমুল হুদা, ওমর ফারুক শাহিন, জেলা তাঁতীদল নেতা রেজাউল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম ভোমরা, জাহাঙ্গীর আলম সজিব, মনিরুল ইসলাম, আবু রায়হান, ছিয়ারুল, আরিজুল সরদার, মোঃ ফারুক, শেখ সিরাজুল ইসলাম, আবু বকর সিদ্দিক, ফিরোজ হোসেন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু জাহিদ ডাবলু বলেন; সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদীর শক্তি শক্তিশালী করতে হলে জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি প্রতিটা ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত গঠন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকী

কলারোয়া প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. মোস্তাক আহমেদ বিজয়ী হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মুহাঃ আসাদুজ্জামান ফারুকী। সহ-সভাপতি পদে সমান ভোট পাওয়ায় শামসুর রহমান লালটু ও এসএম জাকির হোসেন দুজনকেই বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত ক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন তালা সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু বকর সিদ্দিক। সদস্য সচিব ছিলেন সাতক্ষীরা জজকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহিল হাবিব।

সভাপতি পদে মো. মোস্তাক আহমেদ ও এমএ আজিজ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটগ্রহণ শেষে মোস্তাক আহমেদ বিজয়ী হন। সাধারণ সম্পাদক পদে মুহাঃ আসাদুজ্জামান ফারুকী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

সহ সভাপতি পদে শামসুর রহমান লালটু ও এসএম জাকির সমান ভোট পান। পরে নির্বাচন কমিশনার উপস্থিত সবার সম্মতি নিয়ে দুজনকেই বিজয়ী ঘোষণা করেন।

যুগ্ম সম্পাদক পদে মোজাফফর হোসেন পলাশ বিজয়ী হয়েছেন। এ পদে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ফারুক হোসেন রাজ ও গোলাম রসূল। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বিজয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তাজ উদ্দীন আহমেদ রিপন।

প্রচার ও সাহিত্য-সংস্কৃতি সম্পাদক পদে মিল্টন কবীর বিজয়ী হয়েছেন। এ পদে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন রেজওয়ান উল্লাহ।

এ ছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কোষাধ্যক্ষ পদে মোস্তফা হোসেন বাবলু এবং দপ্তর সম্পাদক পদে মোর্তজা হাসান নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন এসএম ফারুক, আসাদুজ্জামান আসাদ ও আহসানুল্লাহ।

নির্বাচনের মাধ্যমে ক্লাবের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হওয়ায় সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন কমিটির নেতৃত্বে কলারোয়ার সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবপুর ৫ নং ইউনিয়ন কৃষক দলের উদ্যোগে এক কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইউনিয়ন কৃষক দলের নেতা নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মো. রবিউল ইসলাম রবি।

কর্মীসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষক দল আহ্বায়ক আনারুল ইসলাম, সদস্য সচিব সাইলু রহমান বিশ্বাস, যুগ্ম-আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ ও মফিজুল ইসলাম।

কুশখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু, আগরদাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সিদ্দিক, সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন নিরব, সাবেক ছাত্রনেতা ফারুক হোসেন এবং শিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল খায়ের।

এছাড়া সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, শিবপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তোশার মেম্বার, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান, ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন, ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবর রহমান, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনারুল ইসলাম ঝন্টু, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল করিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম।

বিভিন্ন ওয়ার্ড কৃষক দল নেতৃবৃন্দ: ১ নং ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, সিনিয়র সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম; ২ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান; ৩ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন; ৭ নং ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি হযরত আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়ারুল ইসলামসহ স্থানীয় হায়দার আলী, রেজাউল ইসলাম ও অন্যান্য দলীয় নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগ

শ্যামনগর প্রতিনিধি : নির্বাচনী প্রচারণাকে বাধাগ্রস্থ করা এবং মাঠের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশি , শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সর্ব সাধারনের মধ্যে ক্ষোপের সৃষ্টি হয়েছে।

সরজমিনে দেখা যায় , শারদীয় দূর্গা উৎসবে কৈখালী ইউনিয়নের সকল চেয়ারম্যান প্রার্থী শুভেচ্ছা ব্যানার টানিয়েছে। ২২ শে অক্টোবর ( বৃহস্পতিবার ) রাতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল কৈখালীর যাদার বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিএনপি অফিসের সামনে গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করে। তবে অন্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ব্যানার ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী সুজন ইসলাম বলেন , আমি এ বাজারের একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী। গতকাল রাতে আমি খেলা দেখে বাড়ী যাওয়ার সময় ব্যানার ভাল দেখে গিয়েছি । কিন্তু সকালে এসে দেখলাম কে বা কারা শাহ আলম ভাই এর ব্যানার কেটে নষ্ট করেছে। আমার মনে হয় একটি চক্র শান্ত এলাকাকে অশান্ত করার জন্য এমন জঘন্য কাজ করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন য্বুদলের সদস্য মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই স্থানে অনেক ব্যানার থাকার পরেও শুধু মাত্র শাহ আলম ভাই এর ব্যানার নষ্ট করা হয়েছে। বিষয়টি খুবি দুঃখ জনক ।

এ বিষয়ে কৈখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মাহবুব আজাদ খোকন বলেন , গাজী শাহ আলমের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং এলাকায় বিশৃঙ্খলা তৈরীর জন্য একটি চক্র এমন ধরনের জঘন্য কাজ করেছে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে গাজী শাহ আলম বলেন , এ কাজের সাথে কারা জড়িত তাদের সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার ওসি (তদন্ত ) মোঃ পিয়ার উদ্দীন বলেন , বিষয়টি আমরা শুনেছি। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিষয়টি সর্বোচ্চ ভাবে খতিয়ে দেখা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা- খুলনা মহাসড়কের আঠারো মাইলে ঝরলো ৬ প্রাণ

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের আঠারো মাইলে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয় জন নিহত ও ৪০ জন আহত হয়েছে। বুধবার  বেলা ২টর দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের আঠারোমাইল ডাঙ্গীরপাড় নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খর্নিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক  পারভেজ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অপরদিকে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামি ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় মটর সাইকেল আরোহী এক মাছ ব্যবসায়িসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা-চুকনগর সড়কের ১৮ মাইল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘাতক পরিবহনটি আটক করছে সাতক্ষীরা পুলিশ।

খর্ণিয়া (চুকনগর) হাইওয়ে থানা পুলিশ জানায়, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা বেপরোয়া গতির যাত্রীবাহী বাস (সাতক্ষীরা জ-১১-০০৯৬) সাতক্ষীরা অভিমুখে যাচ্ছিল। বাসটি খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের আঠারোমাইল ডাঙ্গীরপার নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ক্রাউন সিমেন্টবোঝাই ট্রাকের (নারায়ণগঞ্জ উ-১১-০০২৬) মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায় এবং ট্রাকটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ৪০-৪২ যাত্রী কমবেশি আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলার জিন্নাত আলী (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু নিশ্চিত করেছে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকচালক মারা গেছেন বলে জানা গেছে। খাদে পড়ে যাওয়া বাসের নিচ থেকে আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করে ডুমুরিয়া ফায়ার সার্ভিস।

খর্নিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পারভেজ হাসান বলেন, নিহত চারজনের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বাকিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত খাদে পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধারের কাজ চলছিল। তবে উদ্ধারকারীদের ধারণা বাসের নিচে বা ভিতরে আরও মৃতদেহ থাকতে পারে।

এদিকে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামি ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় মটর সাইকেল আরোহী এক মাছ ব্যবসায়িসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা-চুকনগর সড়কের ১৮ মাইল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘাতক পরিবহনটি আটক করছে সাতক্ষীরা পুলিশ।

নিহতরা হলেন, খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার নরনিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারী গাজীর ছেলে মাছ ব্যবসায়ি রাফিউর রহমান রউফ (৪৩) ও একই গ্রামের আব্দুল মালেক সরদারের ছেলে ইউনুস আলী (২৫)।

নিহত রাফিউর রহমানের ভাই আব্দুল হামিদ জানান, তার ভাইয়ের চুকনগর বাজারে মাছের সেট রয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে তিনি ইউনুসকে নিয়ে হিরো মটর সাইকেলে সাতক্ষীরার তালায় যান। কয়েকটি পূজা ম-প ঘুরে ও ব্যক্তিগত কাজ মিটিয়ে রাত দেড়টার দিকে বাড়ি ফেরার সময় ১৮ মাইল নামক স্থানে পৌঁছালে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামি ইমাদ পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-৫২৫৯) তাদের মটর সাইকেলে ধাক্কা মারে। এতে মটর সাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে গেলে দু’জনকেই চাপা দিয়ে চলে যায় ওই পরিবহনটি। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের খর্ণিয়া ফাঁড়ির উপপরিদর্শক খালিদ হোসেনের মাধ্যমে ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি সাপেক্ষে বাড়িতে এনেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ইমাদ পরিবহনের যাত্রী পুরাতন সাতক্ষীরার মালেকা পারভিন জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে গুলিস্তান থেকে তিনি সাতক্ষীরাগামি ইমাদ পরিবহনে ওঠেন। একই সময়ে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসটিও ছাড়ে। ইমাদ পরিবহনটির চালক খুব খারাপভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে চুকনগরে এসে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসকে ওভারটেক করে। রাত দেড়টার দিকে ১৮ মাইলে এসে তালা থেকে চুকনগরগামি একটি মটরসাইকেলকে সজোরে ধাকা মেরে দ্রুত গতিতে চলে আসে। কাটিয়া আমতলা এলাকায় ওই পরিবহনটি আটক করে পুলিশ। এ সময় চালক ও সুপারভাইজার পালিয়ে যায়। পরে ওই মটর সাইকেলে থাকা চালক ও আরোহী মারা গেছে মর্মে তারা জানতে পারেন।

খর্ণিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক খালিদ হোসেন বলেন, লাশ দুটি উদ্ধার করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ময়না তদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দিয়ে নিহত রাফিউর রহমান রউফের ভাই আব্দুল হামিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আব্দুল হামিদ ডুমুরিয়া থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি মামলা না করলে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঘাতক পরিবহনটি সাতক্ষীরা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। ডুমুরিয়া থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, নিয়ম অনুযায়ি হাইওয়ে পুলিশ মামলার বাদিকে সঙ্গে করে নিয়ে আসার কথা। তবে বুধবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এ নিয়ে থানায় কেউ মামলা করতে আসেনি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদের

তালা  প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরাের তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানের ফেসবুকে সাংবাদিকদের নিয়ে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া ওই পোস্টের প্রতিবাদে বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল থেকে তালা ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন সাংবাদিক নিজেদের ফেসবুকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও তুলে ধরেন সাংবাদিকেরা।

মঙ্গলবার রাতে দেওয়া পোস্টে ডা. মিজানুর রহমান লেখেন, “আমার মনে হয় কেয়ামতের ময়দান থেকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী।” তাঁর এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাংবাদিকদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
এরপর বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজের ফেসবুকে আরেকটি পোস্ট দিয়ে আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন তিনি। সেখানে লেখেন, “কেয়ামতের ময়দান থেকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে কে, একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। আমার দেওয়া পোস্ট এক্সপ্লেইন করলাম। আমার পোস্টে কোনো মিডিয়াকর্মী কষ্ট পেলে আমি দুঃখিত।”
তালা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা ও চিকিৎসকের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে এমন অসংবেদনশীল ও আপত্তিকর মন্তব্য প্রকাশের পর তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরনের মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাই।
এ ঘটনায় তালা ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারাও নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং অনিয়ম-দুর্নীতি তুলে ধরা সাংবাদিকদের অন্যতম দায়িত্ব। এমন একটি পেশার মানুষকে নিয়ে একজন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তার প্রকাশ্য মন্তব্যের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সাংবাদিক শাহিনুর ইসলাম বলেন, ডা. মিজানুর রহমান তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পর থেকে হাসপাতালের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি টিকটক নিয়ে ব্যস্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া কমিশন গ্রহণ, অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ার অতিরিক্ত ৪০০ টাকা আদায় এবং ডেঙ্গু রোগীদের জন্য পৃথক বেড না থাকার অভিযোগও তিনি তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, এটা তালার সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলা হয়নি। এ সময় তিনি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগ অস্বীকার করেন।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মিটিংয়ে আছি, পরে কথা বলব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমী

দেবহাটা প্রতিনিধি : একসময় বিজয়া দশমী এলেই দেবহাটার ইছামতি নদীর দুই পাড়ে বসত দুই বাংলার মানুষের মিলনমেলা। নদীতে ভাসত শত শত নৌকা, সীমান্তের দুই পাশে জড়ো হতেন হাজারো মানুষ। উৎসবের আমেজে মুখর হয়ে উঠত পুরো সীমান্ত এলাকা। তবে সময়ের ব্যবধানে সেই দৃশ্য এখন শুধুই স্মৃতি। মিলনমেলা নেই, নেই আগের সেই জনসমাগম কিংবা নৌকার সারি। সীমান্তের নিজ নিজ অংশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে এবারের বিজয়া দশমী।

গত কয়েক বছরের মতো এবারও দেবহাটার ইছামতি নদীতে দুই দেশের মানুষের অংশগ্রহণে কোনো মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সীমিত সংখ্যক নৌকা নদীতে নামতে দেখা গেলেও আগের মতো বড় কোনো আয়োজন ছিল না।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ১৪ বছর আগেও বিজয়া দশমীতে ইছামতি নদীর এই সীমান্ত এলাকায় দুই দেশের মানুষের মিলনমেলা ছিল অন্যতম আকর্ষণ। দেবহাটার বিভিন্ন প্রান্তসহ দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো মানুষ ছুটে আসতেন। ভারতীয় সীমান্তের পাশেও থাকত মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি। কেউ আসতেন সীমান্তের কাছাকাছি উৎসবের আমেজ উপভোগ করতে, আবার কেউ আসতেন দুই বাংলার মানুষের মিলন দেখার আকর্ষণে। নদীর দুই পাড়ে ভাসত শত শত নৌকা।

২০১২ সালে ভারতের কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী নৌকাডুবিতে মারা যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে ভারতীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের আয়োজনের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় ইছামতীর ঐতিহ্যবাহী মিলনমেলা। এরপর থেকে দুই দেশের মানুষ নিজ নিজ সীমান্তের মধ্যে থেকে পৃথকভাবে প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে আসছেন।
এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দেবহাটা উপজেলার ২১টি পূজামণ্ডপে সাড়ম্বরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন শেষে বিজয়া দশমীতে পৃথকভাবে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিস্ কাউসার আজিজ, পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েক দফায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, “এ বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য সার্বিকভাবে মনিটরিং করা হয়েছে।”

দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শারদীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।”

মিলনমেলার সেই পুরোনো স্মৃতি ইছামতির বুকে আজও থাকলেও বাস্তবে নেই আগের সেই আয়োজন। তবে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবহাটায় শেষ হয়েছে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম

দেবহাটা প্রতিনিধি :শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সর্বদা কাজ করছে। দেবহাটাসহ জেলায় ৬০৯টি পূজামণ্ডপকে কেন্দ্র করে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেবহাটা ফুটবল মাঠ দুর্গাপূজা মন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার বলেন, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পৃথক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিট পুলিশিং কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও সার্কেল অফিসারসহ তিনি নিজেও জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছেন। প্রতিমা ও মণ্ডপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করতে পারেন, সে জন্য সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বায়েজিদ হোসেন, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহীন, ওসি (তদন্ত) সাখাওয়াত হোসেন, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, উপজেলা বিএনপি নেতা ও সাবেক উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাবিব মন্টু, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আল আমিন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে. বাপ্পা, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম রেজাউল করিম, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল্লাহ আলী রেজা, উপজেলা জামায়াতের প্রশাসনিক সম্পাদক ফয়েজুল ইসলাম, দেবহাটা ফুটবল মাঠ মন্দির কমিটির সভাপতি দিপঙ্কর ঘোষ এবং উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

পরে পুলিশ সুপার পারুলিয়ার জেলিয়াপাড়া পূজামণ্ডপ এবং আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest