আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থায় কথিত অনিয়ম, বিশেষ করে নিট-ইউজি মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিতর্ককে কেন্দ্র করে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) নেতৃত্বে চলা ধারাবাহিক প্রতিবাদ আন্দোলনের জেরে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দেশটির নিজেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠানোর কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দেন।
তার পদত্যাগের ঘোষণা আসার পর পরই প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এক্সে লিখে, ‘‘তেলাপোকারা জিতেছে, গণতন্ত্র জিতেছে।’’
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘‘আমরা এটি করতে পেরেছি। ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন।’’
এ সময় দেশটির প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ধন্যবাদ জানান দিপকে। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্য থেকে এই আন্দোলনের জন্ম হয়েছে।
সমর্থকদের উদ্দেশে দিপকে বলেন, “আমি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি যদি আমাদের ‘তেলাপোকা’ না বলতেন, তাহলে আমি ভারতে আসতাম না। এই আন্দোলনও শুরু হতো না।”
অভিজিৎ দীপকের মা অনিতা দীপকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বিষয়। গত আড়াই মাস ধরে শিক্ষার্থীরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল। অভিজিৎ এত অল্প বয়সে অনেক কিছু অর্জন করেছে। তাকে চড় মারা হয়েছে, অপমানিত করা হয়েছে। আজ অবশেষে জয় অর্জিত হয়েছে।’’
উল্লেখ্য, ভারতের আলোচিত নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দেশজুড়ে কয়েক সপ্তাহের তীব্র বিক্ষোভ ও ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
আন্দোলনকারীদের তিনটি প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
এদিকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা আসার পর সরাকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তৃতীয় দফা বৈঠক শেষে চলমান আন্দোলন প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠনের মুখপাত্ররা জানান, তাদের মূল দাবি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এরই মধে পূরণ হয়েছে। এর পাশাপাশি বাকি দাবিগুলো মেনে নেওয়ার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া আশ্বাস দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তারা আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানান।
একই সঙ্গে দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্যঙ্গাত্মক এই রাজনৈতিক সংগঠনটি।
অনলাইন ডেস্ক : ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতিতে জড়িত ছিলেন সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। জেএমসি বিল্ডার বিতির্কিত ব্যবসায়ী ও হাসিনা আমলের অর্থ পাচারের অলিগার্ক এস আলমের মালিকানাধীন কোম্পানি হলেও শেয়ারের অধিকারী ছিলেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।
এ বিষয়ে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাংলাদেশ ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ অনুসন্ধান ও তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছেন। শনিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট সূত্র আমার দেশকে এ তথ্য জানিয়েছে।
জেএমসি বিল্ডার্স কোম্পানিরই অন্যতম মালিক ও প্রতিনিধি হিসেবে জালিয়াতির মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেনায় জড়িত ছিলেন তিনি। সেই শেয়ার কেনার অর্থও লুট করা হয় এস আলমের দখলকৃত ইসলামি ধারার আরেক ব্যাংক ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে। এ ভুয়া কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবেই সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক ও পরে ভাইস চেয়ারম্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় ব্যাংকটি থেকে লুটপাট করা হয় বিপুল অর্থ। বিএফআইইউ’র তদন্তে এসব তথ্য ওঠে আসে এবং সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ কোম্পানির অন্যদেরও অভিযুক্ত করা হয়। এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টি তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্ট দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে ইসলামী ব্যাংক শেয়ার জালিয়াতির মাধ্যমে বিতর্কিত ব্যবসায়ী চুপ্পুর বিরুদ্ধে ২০২৫ সালে করা মামলা দুদককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা আদালত।
তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালায় পাখিমারা টিআরএম বিলের ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের ফসলের ক্ষতিপূরণের বকেয়া ৪৮ কোটি টাকা পরিশোধ এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে তালা উপজেলার পাখিমারা টিআরএম বালিয়া বটতলায় পাখিমারা টিআরএম বিল অধিবাসী ও বিল কমিটির উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বিল কমিটির সভাপতি আব্দুল আলিম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিল কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ সানা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন খেশরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এস. এম. লিয়াকত হোসেন, তালা উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান, আছাদুর ইসলাম, আবু সাইদ লাভলু, মনোরঞ্জন দাস, ইউনুচ সরদার, রইজুল সানা, খোকন সানা, ছবেদ সরদারসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।
বক্তারা বলেন, কপোতাক্ষ নদ থেকে বালিয়া বেইলি ব্রিজ পর্যন্ত পেরিফেরিয়াল বাঁধের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় নদীর পানি অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রবেশ করছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে রয়েছে। দ্রুত বাঁধ সংস্কার করা না হলে জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে এবং কৃষি উৎপাদন ও জনজীবনে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।
তারা আরও বলেন, পাখিমারা বিলে টানা ছয় বছর টিআরএম কার্যক্রম চালু থাকলেও ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের মাত্র দুই বছরের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। বাকি চার বছরের ক্ষতিপূরণ এখনো পরিশোধ করা হয়নি। অনুমোদিত বরাদ্দ অনুযায়ী সরকারের কাছে ক্ষতিগ্রস্তদের পাওনা প্রায় ৪৮ কোটি টাকা। অবিলম্বে এ অর্থ পরিশোধের দাবি জানান তারা।
মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে বকেয়া ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ, পেরিফেরিয়াল বাঁধের সংস্কার এবং স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।
জানা গেছে, কপোতাক্ষ অববাহিকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ২০১১-১২ অর্থবছরে পাখিমারা বিলে টিআরএম কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। এ সময় পেরিফেরিয়াল বাঁধ নির্মাণ এবং সংযোগ খাল খনন করা হয়। পরে ২০১৫ সাল থেকে দুই বছরের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হলেও ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ছয় বছর ১ হাজার ৫৬২ একর জমিতে জোয়ার-ভাটা চালু ছিল। ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সরকারি প্রতিশ্রুতি থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র দুই বছরের অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি চার বছরের প্রায় ৪৮ কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি : তরুনীসহ আটকের ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জামায়াত নেতা গাজী নজরুলের বহিস্কারসহ শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টায় শ্যামনগরের সচেতন নাগরিক সমাজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সোলায়মান কবির, জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাড. আশেক এলাহী মুন্না, মহিলা দলের সভানেত্রী নুর জাহান পারভীন ঝর্ণা, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম, চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, যুবদলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম দুলুসহ অন্যারা।
সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, বিএনপি নেতা গাজী শাহ আলম।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মুখে ইসলামের কথা বলে মানুষের ভোট নিয়ে মানুষের সেবা না করে ধর্ষনের মত ঘৃন্য কাজ করেছে গাজী নজরুল। অথচ ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষের কাছ ভোট আদায় করেছে ওই লম্পট। মানুষের সেবার পরিবর্তে ঢাকার আবাসিক হোটেলে তরনীর সাথে রঙ্গলিলা করে এমন জনপ্রতিনিধি শ্যামনগরের মানুষ দেখতে চায় না। আমরা ওই গাজী নজরুল ইসলামকে শ্যামনগর উপজেলা থেকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করলাম। সাথে সাথে জামায়াত ইসলামীর কাছে অনুরোধ এমন নেতাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে বহিস্কার করতে হবে এবং অবিলম্বে তার এমপি পদ বাতিলের জন্য স্পিকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
এসময় গাজী নজরুলের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে, “নেতা থেকে সমর্থক সব শালা ধর্ষক” এমন শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে শ্যামনগরের রাজপথ। পরে শ্যামনগর প্রেসক্লাবের সামনে গাজী নজরুল ইসলামের কুশপত্তলিকা দাহ করেন সাধারণ মানুষ।##
নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত সংকট নিরসনে করনীয় শীর্ষক গণতান্ত্রিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত।
বারসিকের ইনগেজ প্রকল্পের আয়োজনে জেলা সিএসও কমিটির সভাপতি অ্যাড. নাজমুন নাহার ঝুমুরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, গ্রীণ কোয়ালিশন সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি আবু আফফান রোজ বাবু, অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাশ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম. কামরুজ্জামান, পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর এসও লিয়াকত আলী, প্রজেক্ট অফিসার কুমারেশ চন্দ্র বাউলিয়া, এরিয়া অফিসার রোকসানা পারভীন, জেলা সিএসও’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, জেলা সিএসও’র সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম।
সংলাপে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত বলেন, প্রকৃতির সাথে ক্ষমতা খাটে না। প্রকৃতির সাথে ক্ষমতা দেখাতে গেলে এখানে বাসযোগ্যতা হারাবেন। প্রকৃতির সাধারণ গতিপথ আটকাবেন। সে তার নিজের মত রাস্তা তৈরি করে নেবে। এতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে। ইতোমধ্যে বর্ষার সময় বর্ষা হচ্ছে না। শীতকালে শীত পড়ে না। ইচ্ছামত নদী খাল দখল করে গতি পথ আটকানো, নির্বিচারে গাছপালা কাটা, বালু উত্তোলনের কারনেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা যদি সচেতন না হই তাহলে আগামীতে এ অঞ্চলে আমাদের বসবাসের সুযোগ থাকবে না। সুতরাং নিজেদের সচেতন হতে হবে। প্রকৃতিকে তার নিজস্ব নিয়মে চলতে দিতে হবে। তাহলে পরিবেশগত সংকট নিরসন সম্ভব হবে।
আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে খাল পরিষ্কার কার্যক্রমে স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিয়েছেন বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান…
অনলাইন ডেস্ক : দেশের ২৯ হাজারেরও বেশি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর…
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থায় কথিত অনিয়ম, বিশেষ করে নিট-ইউজি মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিতর্ককে…