সর্বশেষ সংবাদ-
অসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা জাসদের আলোচনাসভা ও সম্মেলনসাতক্ষীরায় একই পরিবারের চার সদস্যকে অজ্ঞান করে সোনার গহনাসহ সাত লাখ টাকার মালামাল চুরিজাকারিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন: এক সপ্তাহের আলটিমেটামশনিবার নিউমার্কেট চত্বরে মানববন্ধন : জাকারিয়া হত্যার বিচার বাস্তবায়ন কমিটির সভাসব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডেএবিপার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার মাসিক মতবিনিময় সভাআশাশুনিতে সুদ কারবারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

অসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে থেকে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

সংবাদ পেয়ে তাঁকে দেখতে এবং চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেওয়ার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মো. রবিউল ইসলাম রবি। এ সময় তিনি চিকিৎসকদের সাথে কথা বলেন এবং অসুস্থ বিএনপি নেতার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আগরদাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সিদ্দিক , শিবপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম , সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম , শিবপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন , শিবপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান , শিবপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহিন হোসেন , ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রুহুল আমিন সহ নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : দেশে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃক্ষরোপনের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ঠিক সেই মুহূর্তে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ঝড়গাছা-পানপাড়া গ্রামের নিমাই কৃষ্ণ ঘোষের ছেলে প্রণব ঘোষ, সন্ন্যাসী কুমার ঘোষ ও সুমন ঘোষের পৈতৃক সম্পত্তিতে লাগানো ১৫ বছরের দুইটি বড় বড় শীলকড়া গাছ কেটে ফেলেছে একই এলাকার সুধীর ঘোষের ছেলে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু ঘোষ ও রবীন ঘোষসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী।

শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) অনুমান দুপুর ১২ টার দিকে ইলেকট্রিক করাত দিয়ে জোরপূর্বক গাছ কেটে দিয়েছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী নিমাই কৃষ্ণ ঘোষের ছেলে প্রণব ঘোষ, সন্ন্যাসী কুমার ঘোষ ও সুমন ঘোষ জানান, আমাদেরকে না জানিয়ে পৈতৃক সম্পত্তিতে লাগানো দুইটি বড় বড় শীলকড়া গাছ কেটে সুধীর ঘোষের ছেলে প্রভাবশালী পিন্টু ঘোষ তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এই দুইটি গাছ কেটে ফেলে। কেটে ফেলা গাছ দুইটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা। এছাড়াও গাছ কেটে ফেলার সময় একই স্থানে অসংখ্য বাঁশ ঝাড় ও ডাব্বল গাছসহ অনেক গাছ গাছালির ক্ষতি সাধন করেছে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বার সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে বিষয়টি অবহিত করার পরও গাছ কাটা বন্ধ না হলে তারা ট্রিপল নাইনে ফোন দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি বলে জানান। এ বিষয়ে অভিযুক্তরা বলেন, আমাদের বাড়ির সীমানার পাশে বড় বড় গাছ থাকায় বাড়ি ও মানুষের ক্ষতি হবে ভেবে কেটে দিয়েছি।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বড় বড় দুইটি গাছ পড়ে আছে। এ সময় এলাকাবাসীরা জানায়, পিন্টু ঘোষরা প্রভাবশালী হওয়ায় তারা ক্ষমতার দাপটে এই অসহায় পরিবারটির উপর জুলুম নির্যাতন করে তাদেরকে না জানিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে জোরপূর্বক গাছ কেটে ফেলেছে। আমরা তাদের বিষয়ে মুখ খুললেই আমাদেরকেও বিপদে পড়তে হবে।

এ ব্যাপারে এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দাবি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি তদন্তপূর্বক জেলা পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা জাসদের আলোচনাসভা ও সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ২০২৪ সালের জুলাই মাসে শেখ হাসিনা শত শত লোককে গুলি করে মেরেছে। তখন জাসদ বলেছিল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগে বাধ্য করাতে হবে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বিএনপি, জাসদ ও হিজবুদ তাহদি ছাড়াও আওয়ামী লীগের লোকজনও জুলাই আন্দোলনে মিছিলে অংশ নিয়েছিল। ১৯৯০ সালে জাসদের যে সাংগঠণিক শক্তি ছিল তা অটুট থাকলে ’২৪ এর আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পরিস্থিতি এত খারাপ হতো না।

বাংলাদেশ জাসদ(আম্বিয়া) এর সাতক্ষীরা জেলা সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের এক কনভেনশন সেন্টারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাপস কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডাঃ মুস্তাক হোসেন এ কথা বলেন।

’৯০ এর গণ অভ্যুত্থানে ছাত্ররা বিএনপি’র পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল, তেমনিভাবে ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনে ছাত্ররা রাস্তায় নামায় শেখ হাসিনা দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন উল্লেখ করে ডাঃ মুস্তাক হোসেন বলেন, ইউনুস ভাই আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকে জাসদকে গর্তে ফেলে দিয়েছিলেন। আর সেই গর্ত থেকে দলকে টেনে তুলেছিলেন আ.স.ম আব্দুর রব।
চট্টগ্রাম বন্দরকে ইজারা দেওয়া দেশ বিক্রিরই নামান্তর বলে উল্লেখ করে আরো বলেন, বিদেশীদের সাথে বাণিজ্য করবো, বানিজ্যে সহায়তা করবো। কিন্তু চুরির অজুহাতে বন্দর বিদেশীদের ইজারা দিতে হবে কেন? পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ওরফে রোজার খলিল একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। তাকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিতে পুলিশ ভেরিফিকেশন তুলে দেওয়া হয়েছিল।

বিশেষ অতিথি জাসদের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এটি এম মহব্বত আলী বলেন, এক সময় সাতক্ষীরা জাসদের সূতিকাগার ছিল। অসাম্প্রদায়িক চেতনাা ছিল মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি। ৫৪ বছর পর মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি বলে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ হয়নি। গ-গোল হয়েছে। ১৯৪৭ ও ২০২৪ এ মুক্তিযুদ্ধ বলে তারা স্বীকার করে। শেখ হাসিনার ১৭ বছরের শাসনকে তিনি বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেন।
সাতক্ষীরা জেলা জাসদের একাংশের সভাপতি সরদার কাজেম আলীর সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সংগঠণটির সাংগঠণিক সম্পাদক মোকলেছুর রহমান লবু, জাতীয় যুবজোটের সভাপতি শাজাহান আলী সাজু, জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি গৌতম শীল, জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলস হেলাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার, সুধাংশু শেখর সরকার প্রমুখ।
সভার দ্বিতীয় পর্বে প্রফেসর ইদ্রিস আলীকে সভাপতি ও দিদারুল আলম হেলালকে সাধারণ সম্পাদক করে সাতক্ষীরা জেলা কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় একই পরিবারের চার সদস্যকে অজ্ঞান করে সোনার গহনাসহ সাত লাখ টাকার মালামাল চুরি

নিজস্ব প্রতিনিধি : খাবারের সাথে বিষাক্ত জিনিস মিশিয়ে একই পরিবারের চার সদস্যকে অচেতন করে বাড়ির গ্রীল কেটে সাড়ে চার ভরি সোনার গহনা ও নগদ দেড়লাখ টাকাসহ সাত লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দিবাগত মাঝ রাতে সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর গ্রামের সঞ্জয় সাহার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর সাহাপাড়ার নিতাই সাহার(কবিরাজ) ছেলে সার্কিট হাউজ মোড়ের পাঠাও ক্যুরিয়র সার্ভিসের কর্মী সঞ্জয় ওরফে লিটন সাহা জানান, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে তারা খেয়ে দেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার সকালে তারা জানতে পারেন যে, তাদের বসতঘরের পিছনের গ্রীল কাটা। ঘরের জিনিসপত্র তছনছ করা। বাড়ির সামনের বারান্দার গ্রীল কাটা। পরে তারা জানতে পারেন যে, শোকেজ এর ড্রয়ার ভেঙে তিনটি সোনার চেইন, দুই জোড়া সোনার কানের দুল, এক জোড়া শাখা বাঁধানো, একজোড়া কানপাশা, দুটি সোনার আংটি, সোনার চেইনের লকেট দুটো, একটি মঙ্গল সূত্র ও নগদ দেড় লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে। সোনার গহনা ও নগদ টাকা মিলিয়ে ক্ষতির পরিমান সাত লাখ টাকার বেশি।

সঞ্জয় সাহা আরো জানান, আশাঙ্কা করা হচ্ছে তাদের রান্না ঘরের বারান্দায় রাখা পানির ফিল্টারে বা রান্না ঘরে থাকা খাবারে বিষাক্ত জিনিস রেখে ওই পানি বা খাবার খেয়ে তারা অসুস্থ হওয়ার সূযোগে চোর চক্রটি শুক্রবার গভীর রাতে তাদেও ঘরের পিছনের জানালার গ্রীল কেটে ঘরে ঢোকে। পরে শোকেজ এর ড্রয়ার ভেঙে সাড়ে চার ভরি সোনার গহনা ও নগদ দেড় লাখ টাকাসহ মোট সাত লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে সামনের বারান্দার গ্রীল কেটে চলে যায়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সেখান থেকে ভাত ও পানির নমুনা সংগ্রহ করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছেন। অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাকারিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন: এক সপ্তাহের আলটিমেটাম

নিজস্ব প্রতিনিধি :  জাকারিয়া হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সাতক্ষীরা নিউমার্কেট চত্বরে বিশাল এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে জাকারিয়া হত্যার বিচার বাস্তবায়ন কমিটির উপদেষ্টা এড. আযাদ হোসেন বেলালের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিচার বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ন আহবায়ক অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ পাঁড়,, আবুল কাসেম, এড. আকবার হোসেন,এড. শফিকুল ইসলাম, মশিউর রহমান, কামরুজ্জামান রাসেল, ছাত্রনেতা শেখ আবু রায়হান,মো: নূরুন্নবী ও আল ইমরান ইমু,শ্রমিক নেতা আজিজ বাবু,নবাবজান,অজিয়ার রহমান প্রমুখ

বক্তারা বলেন,জাকারিয়া হত্যার দেড় সপ্তাহ পার হতে চলেছে। কিন্তু আসামী গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা হতাশাজনক।

বক্তারা আরও বলেন,হত্যা মামলার প্রধান আসামী নাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু এ গ্রেপ্তারে পুলিশের কৃতিত্ব কম। তাই অন্যান্য আসামীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে পুলিশের সক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে। নইলে পুরো জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২ অক্টোবর শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার অফিসের প্রধান ফটকের পাশে চায়ের দোকানের মালিক রবিউল ইসলামের ভাইপো বাপ্পি হাসানের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে নাহিদসহ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের। বাপ্পী হাসানকে বাঁচাতে যেয়ে নাহিদের ছুরিকাঘাতের শিকার হন কলেজ ছাত্র জাকারিয়া। পরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই শাহারিয়ার খাঁন বাদি হয়ে শনিবার রাতে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা সাত জনকে আসামী করে সাতক্ষীরা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। এ মামলার প্রধান আসামীসহ ৩ জনকে পুলিশ ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শনিবার নিউমার্কেট চত্বরে মানববন্ধন : জাকারিয়া হত্যার বিচার বাস্তবায়ন কমিটির সভা

জাকারিয়া হত্যার বিচার বাস্তবায়ন কমিটির সভা লেকভিউয়ের হলরুমে শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়। আহবায়ক ডা: আবুল কালাম বাবলার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ পাড়, এড আকবার হোসেন,আবুল কাসেম,মশিউর রহমান, শফিকউদ্দৌলা সাগর, শেখ আবু রায়হান,মেহেদী হাসান,আল ইমরান ইমু,ডা. মহিদার রহমান,আব্দুল গফুর প্রমুখ।

সভায় জাকারিয়া হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে শনিবার সাতক্ষীরার নিউমার্কেট চত্বরে মানবন্ধনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, জাকারিয়া হত্যার ১ সপ্তাহ পার হলেও আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা দৃশ্যমান নয়। তাই শনিবারের মানববন্ধন থেকে পুলিশকে আলটিমেটাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।  (প্রেসবিজ্ঞপ্তি)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক : দেশে ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে সব ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণের নিদের্শনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ইউনিয়নভিত্তিক খেলার মাঠ স্থাপন ও ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণ সংক্রান্ত সভায় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন তার উপ প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা।

তিনি বলেন, “সারাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তুলে শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য সুস্থ, সুন্দর ও ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর অংশ হিসেবে আগামী দুই মাসের মধ্যে সারাদেশে কমপক্ষে ১ হাজার খেলার মাঠ এবং ঢাকা মহানগরীতে অর্থাৎ উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় ২ থেকে ৩টি ওয়ার্ডে অন্তত একটি করে খেলার মাঠ স্থাপন নিশ্চিত করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

“ঢাকা মহানগরীতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪০টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৯০টি মাঠ খেলাধুলার উপযোগী করে সেখানে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম চালুর বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে সভায়।”

উপ প্রেস সচিবের তথ্য অনুযায়ী সভায় বলা হয়, দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ২৭টি জেলায় খেলার মাঠের জন্য ৪০৩টি খাসজমি চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি মাঠের আয়তন সর্বনিম্ন তিন থেকে সর্বোচ্চ আট বিঘা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে। মাঠগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলায় একজন করে ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সুজাউদ্দৌলা বলেন, “ইউনিয়ন পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ও ব্যাডমিন্টনসহ ১০টি ক্রীড়া ইভেন্ট চালু করা হবে। এতে প্রায় ১৪ লাখ কিশোর-কিশোরীকে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

“আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা থেকে একযোগে ৫০৩টি উপজেলায় এই ক্রীড়া ইভেন্টের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় উপজেলা স্টেডিয়ামগুলো সচল ও খেলাধুলার উপযোগী করা, দখল হয়ে যাওয়া খেলার মাঠ উদ্ধার এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে নিয়মিত খেলাধুলা ও ক্রীড়া ক্লাব কার্যক্রম চালুর বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’’

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশের সব খেলার মাঠ সংরক্ষণ, সারা বছর খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি সুস্থ, সুন্দর ও ক্রীড়াবান্ধব প্রজন্ম গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।”

সভায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমীন উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডে

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খাঁনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ হাসান ও অমিত হাসান শিপনকে পাঁচ দিন করে রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস মণ্ডল বৃহস্পতিবার এ রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।

নাহিদ হাসান সাতক্ষীরা শহরতলীর ইটাগাছার গিয়াসউদ্দিনের ছেলে ও অমিত হাসান শিপন একই এলাকার হুমায়ুন কবীরের ছেলে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতক্ষীরা ও সদর থানার এসআই আলমগীর হোসেন জানান. কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খাঁনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনায় পুলিশ মঙ্গলবার কালিগঞ্জ উপজেলার শুইলপুর গ্রাম থেকে নাহিদ ও শিপনকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমাণ্ড আবেদন জানানো হয়।

বৃহষ্পতিবার উভয়পক্ষের শুনানী শেষে বিচারক প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত, গত ২ অক্টোবর শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার অফিসের প্রধান ফটকের পাশে চায়ের দোকানের মালিক রবিউল ইসলামের ভাইপো বাপ্পি হাসানের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে নাহিদসহ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের। বাপ্পী হাসানকে বাঁচাতে যেয়ে নাহিদের ছুরিকাঘাতের শিকার হন কলেজ ছাত্র জাকারিয়া। পরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই শাহারিয়ার খাঁন বাদি হয়ে ০৩ অক্টোবর রাতে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা সাত জনকে আসামী করে সাতক্ষীরা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। এঘটনায় মামলার প্রধান আসামী নাহিদসহ ৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest