সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলী

নিজস্ব প্রতিনিধি : শারদীয় দুর্গোৎসবের মহা সপ্তমী উপলক্ষে শারদ উৎসবে বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা মায়ের বাড়িতে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এড.সৈয়দ ইফতেখার আলী। প্রধান বক্তা ছিলেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল ইসলাম।

জেলা মন্দির কমিটির সভাপতি সোমনাথ ব্যানার্জীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির আহবায়ক মোহা: শের আলী, জেলা মন্দির সমিতির উপদেষ্টা বিশ্বনাথ ঘোষ, জজকোর্টের জিপি অসীম কুমার মন্ডল, জেলা যুবদল নেতা আইনুল ইসলাম নান্টা, বিএনপি নেতা প্রভাষক আতাউর রহমান,আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজু, আবু রায়হান।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন , আলী হাসান খান হাবলু , মোঃ মনিরুজ্জামান মনি,আশরাফ হোসেন, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
মোঃ আব্দুল জলিল, সোহরাব হোসেন বাবু , সৈয়দ আরিফ , আবু রায়হান , মনিরুজ্জামান মনি , নেসারুল ইসলাম , আব্দুল মামুন প্রমূখ।

এসময় ইফতেখার আলী বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ, এই দেশে আবহমানকাল থেকেই হিন্দু মুসলমান একই সাথে তাদের নিজস্ব ধর্মীয় অনুষ্ঠান যথাযথভাবেপালন করে আসছে। এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। বিএনপি এই সার্বজনীন নীতিকে সমুন্নত রেখে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য কাজ করার পাশাপাশি একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ। এসময় তিনি মণ্ডপের পূজারী ও ভক্তদের প্রতি শারদীয় শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্ট
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগর—সুন্দরবনের কোল ঘেঁষা এক উপকূলীয় জনপদ। চারদিকে জলরাশি থাকলেও সেখানে পানের যোগ্য পানির হাহাকার নিত্যদিনের চিত্র। সুপেয় পানির এ সংকট শুধু তৃষ্ণার নয়; এটি উপকূলীয় মানুষের স্বাস্থ্য, সামাজিক মর্যাদা এবং ভবিষ্যতের সংকট। দীর্ঘকাল ধরে অতিরিক্ত লবণাক্ত পানি পান করার ফলে এ অঞ্চলের বাসিন্দারা পেটের পীড়া, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি জটিলতা ও নানাবিধ চর্মরোগে ভুগছিলেন। আর প্রতিদিন মাইলের পর মাইল হেঁটে পানি বয়ে আনার মূল ভার বহন করতে হতো গৃহবধূ ও কোমলমতি মেয়েদের।
শ্যামনগরের খাগড়াঘাট ও কৈখালি গ্রামের মেয়েরা বছরের পর বছর ধরে দূর-দূরান্তের পুকুর বা নলকূপ থেকে পানি সংগ্রহ করতে গিয়ে নিয়মিত স্কুলে যাওয়া থেকে বঞ্চিত হতো। বর্ষাকালে ধরে রাখা বৃষ্টির পানি দিয়ে দু-তিন মাস চললেও বছরের বাকি আট-দশ মাস চলত সীমাহীন দুর্ভোগ। বিশেষ করে ২০০৭ ও ২০০৯ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলার পর এ এলাকার মাটি ও জলাধারের পানির লবণাক্ততা ভয়াবহ রূপ নেয়।
তবে দীর্ঘদিনের এই কষ্টের চিত্রে এখন আশার আলো ফুটতে শুরু করেছে। বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের গ্রুপ-এর অর্থায়নে গ্রাম দুটিতে বসানো হয়েছে দুটি আধুনিক রিভার্স অসমোসিস আরও পানি শোধনাগার। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে চালু হওয়া প্ল্যান্ট দুটির একটি খাগড়াঘাটের নূরউদ্দীনের বাড়ির সামনে এবং অন্যটি কৈখালির আলাউদ্দিন মল্লিকের বাড়ির সামনে স্থাপন করা হয়।

খাগড়াঘাটের গৃহবধূ রহিমা বেগম (৪৫) আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “এখন কল টিপলেই মিষ্টি পানি বের হয়। এই প্রযুক্তি আমাদের জীবন বাঁচিয়ে দিল। আগে শুধু বর্ষার কয়েক মাস বৃষ্টির পানি খেতে পারতাম, বাকি সময় বাধ্য হয়ে লোনা পানি পান করে ছেলেমেয়েদের পেটের রোগ লেগে থাকত।”

কৈখালির ষাটোর্ধ্ব আমেনা খাতুন বলেন, “এক কলস মিষ্টি পানির জন্য দুই-তিন মাইল হাঁটতে হতো। বাড়ির কাছে পানির কল বসায় যেন আমাদের পুনর্জন্ম হয়েছে।” পানি সংগ্রহের জাঁতাকল থেকে মুক্তি মেলায় স্থানীয় মেয়েশিশুরাও এখন নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারছে।

 আবুল খায়ের গ্রুপের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড লিগ্যাল বিভাগের প্রধান শেখ শাবাব আহমেদ বলেন, “উপকূলের এ করুণ চিত্র আমাদের গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। আমরা এমন এক টেকসই সমাধান চেয়েছিলাম, যা মানুষের জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে সহায়তা করবে।
শ্যামনগরের চিকিৎসক ডা. আমজাদ হোসেন জানান, আগের লোনা ও আয়রনযুক্ত পানির লালচে ভাব বা তেতো স্বাদ এখন আর নেই। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত জটিলতা ও শারীরিক সমস্যার হার উল্লেখযোগ্য হারে কমছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক ল্যাবরেটরির পরীক্ষায় দেখা গেছে, শোধনের পর পানিতে দ্রবীভূত লবণের পরিমাণ (টিডিএস) সরকার নির্ধারিত সীমার অনেক নিচে নেমে এসেছে। পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী:কৈখালি: সাধারণ নলকূপের পানিতে টিডিএস ছিল ৮,২১৭ মিলিগ্রাম, যা শোধনের পর মাত্র ২৮ মিলিগ্রামে নেমে এসেছে। পাশাপাশি আয়রনের পরিমাণ ১ মিলিগ্রাম থেকে কমে ০.০১ মিলিগ্রামে নেমেছে।
খাগড়াঘাট: পানির টিডিএস ৪,০৮১ মিলিগ্রাম থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৯২ মিলিগ্রামে।

পানির অপচয় রোধে নেওয়া হয়েছে স্মার্ট ব্যবস্থাপনা। প্রতিটি গ্রাহককে দেওয়া হয়েছে ডিজিটাল কার্ড। ঢাকার স্মার্ট ওয়াসা ব্যবস্থার মতো কলের সামনে কার্ড ধরলে পানি পড়ে, সরালেই বন্ধ হয়ে যায়। দরিদ্র মানুষের সুবিধার জন্য এটি সম্পূর্ণ ক্যাশলেস করা হয়েছে। প্রতি লিটার পানির ব্যবস্থাপনা খরচ ধরা হয়েছে নামমাত্র ৫০ পয়সা, যা স্থানীয় বাজারের (৮০ পয়সা/লিটার) চেয়ে অনেক সাশ্রয়ী।

বিদ্যুৎ সংযোগের ওপর চাপ কমাতে প্রতিটি প্ল্যান্টে ১০টি করে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারে পল্লী বিদ্যুতের বিল এবং লোডশেডিংয়ের নির্ভরতা থেকে মুক্ত থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে পাম্প চালানো সম্ভব হচ্ছে। পুরো প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি সহায়তায় কাজ করছে ‘খান ট্রেডার্স’।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সুগম হয়েছে। শ্যামনগরের তরুণদের সামাজিক সংগঠন ‘শরুব ইয়ুথ ক্লাব’-এর সদস্যরা এ শোধনাগার দুটি পরিচালনা ও বিতরণ ব্যবস্থা দেখাশোনা করছেন, যা স্থানীয় বেকারত্ব দূর করতে ভূমিকা রাখছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরা জেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসব নিরাপদ ভাবে পালনের উদ্দেশ্যে সদরের ‍দুটি মন্দির পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের সার্বজনীন দুর্গামন্দির এবং রাত ৮.৩০ মিনিটে সাতক্ষীরা শহরে মায়ের বাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দির পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব । এ সময় মন্দিরের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “বিএনপি সরকার গঠনের পর এবারই প্রথম সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। আমরা চাই, সারা বাংলাদেশে উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই উৎসব পালিত হোক।”
তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জেলার সব স্থানে দুর্গোৎসব সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উৎসবের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

এ সময় উভয় মন্দিরের কর্তৃপক্ষের হাতে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-২ আসনে বিএনপির সাবেক প্রার্থী ও সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুর রউফ, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল হক, ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী তাকদীর আহসান রুবেল, বাংলাভিশনের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান আসাদ, ডিবিসি নিউজের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি বেলাল হুসাইনসহ উভয় মন্দিরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও ভক্তবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তার

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটায় ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৩৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করে দেবহাটা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) নিহত শামীমের বড় ভাই আব্দুল জলিল সানা বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার নম্বর-০৯। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৮, ৪৪৯, ৩২৩, ৩০২, ৩৪ ও ১১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মামলার ৫ নম্বর আসামি আসাদুল ইসলাম মোল্যা (৪৬), পিতা রহিম বক্স মোল্যা, সাং নাজিরের ঘের এবং ৬ নম্বর আসামি মোক্তার হোসেন খান (৫৩), পিতা মৃত মাহাতাব উদ্দীন খান, সাং সুবর্ণাবাদ।

এজাহারে যা বলা হয়েছে মামলার এজাহার অনুযায়ী, নিহত ওয়াহিদুজ্জামান শামীম কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। গত ১২ অক্টোবর দুপুরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় তাদের কথোপকথনের একটি অংশ মোবাইল ফোনে ধারণ করে স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ওই কথোপকথনে ধর্মীয় অবমাননাকর বক্তব্য রয়েছে—এমন অভিযোগ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর এজাহারনামীয় আসামিরা শামীমের বাড়িতে গিয়ে তাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা ও বাড়িতে ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় প্রাণভয়ে শামীম বাড়ির পেছন দিয়ে বের হয়ে যান। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে ওইদিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তাকে কুলিয়ার আব্দুস সবুর ডাক্তারের চেম্বারে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, ১৩ অক্টোবর বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে আসামিরা শামীমের অবস্থান জানতে পেরে পশ্চিম কুলিয়ায় চিকিৎসকের চেম্বারের সামনে যায়। সেখানে তাকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে অপবাদ দেওয়া হয় এবং চিকিৎসকের বাধা উপেক্ষা করে তাকে চেম্বার থেকে টেনে-হিঁচড়ে রাস্তায় বের করে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন বাদী।
পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শামীমকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।

এজাহার অনুযায়ী, ওইদিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে অভিযুক্তরা মিছিল করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘেরাও করে। একপর্যায়ে তারা হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করে শামীমকে বেড থেকে টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে হাসপাতালের বারান্দায় নিয়ে যায় এবং সেখানে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে শামীমের মৃত্যু হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার পর পুলিশের অভিযান
মামলা দায়েরের পর দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহীনের নির্দেশনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাতভর অভিযান চালায়। অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় ৫ ও ৬ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দেবহাটা থানার ওসি এইচ এম শাহীন বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় মামলাটি রেকর্ডের পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মামলার তদন্ত কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনিতে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে আনসার সদস্যদের সঙ্গে ব্রিফিং করেছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে আনসার সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু ও আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুর রহমান।

ব্রিফিংয়ে ওসি শাহিদুর রহমান বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা বাঙালির অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব যেন শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদ্‌যাপিত হয়, সে জন্য পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্কতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না। পূজামণ্ডপে আগত দর্শনার্থীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করতে হবে। কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু নজরে এলে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। কোথাও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

ওসি বলেন, “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আশাশুনিতে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর দুর্গাপূজা উপহার দিতে চাই।”

ব্রিফিংয়ে পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা, দায়িত্ব পালনে সতর্কতা, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনসার সদস্যদের করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি:সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের বড়খামার গ্রামের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমি থেকে চারটি বড় মেহগনিগাছসহ ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১০টি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।

কাটা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন স্থানীয় মুসল্লি ও বাসিন্দারা। মসজিদ কমিটির অনুমতি ছাড়া গাছ কাটার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জুমার নামাজ শেষে মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা গাছ কাটার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পদ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তোলেন তাঁরা।

মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান জানান, মসজিদের জমিতে থাকা ১৪টি মেহগনিগাছের মধ্যে চারটি বড় গাছসহ ছোট-বড় বেশ কয়েকটি গাছ কাটার খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্তকে ফোন করে বিষয়টি জানান। পরে ইউএনও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এরপর সদর থানার এএসআই মেহেদী হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

আনিছুর রহমানের ভাষ্য, বিষয়টির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কাটা গাছগুলো ঘটনাস্থলে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি মসজিদের জমি ও সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের সহযোগিতা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমিটি মৃত মহাতাব সরদার দান করেছিলেন। জমিটির পূর্ব পাশে আব্দুর রহিম বাবুর জমি এবং তাঁর বড় ভাই সেলিম গাজীর বাড়ি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় কয়েকজন মুসল্লি ও বাসিন্দার অভিযোগ, আব্দুর রহিম বাবু ও সেলিম গাজীর সংশ্লিষ্টতায় মসজিদের জমির গাছগুলো কাটা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্যে জেলা তাঁতী লীগের সম্পাদক মনিরুজ্জামান তুহিনের নামও এসেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কাটা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা। তবে গাছ কাটার ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল, গাছের প্রকৃত সংখ্যা এবং আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে,মসজিদের জমির গাছ কাটার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সেলিম গাজী। তিনি বলেন, “গাছ কাটার ঘটনায় আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। গাছের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। অথচ আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। যারা সত্যতা যাচাই না করে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন, তাঁদের বিচার আমি আল্লাহর কাছে দিয়েছি।”

নিজের ব্যবসা ও কর্মজীবনের কথা উল্লেখ করে সেলিম গাজী বলেন, প্রায় ৪৪ বছর ধরে তাঁর হোলসেল ব্যবসা রয়েছে। এ ছাড়া তাঁর আরও ব্যবসা আছে। তাঁর দাবি, আল্লাহর রহমতে তিনি হালাল উপার্জনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।

তিনি আরও বলেন, “ব্রহ্মরাজপুর, ধুলিহর বাজারসহ আশপাশের এলাকার মানুষ আমাকে চেনেন। আমি রাজনীতি কিংবা কোনো ঝামেলার মধ্যে জড়াই না। জীবনে যা করেছি, নিজের পরিশ্রমের হালাল টাকা দিয়ে করেছি। গাছ কাটার ঘটনায় আমার পরিবারকে ছোট করে কথা বলাও ঠিক নয়। ভবিষ্যতেও কারও সঙ্গে কোনো ঝামেলায় জড়াতে চাই না।”

সেলিম গাজী অভিযোগ করেন, এলাকার কিছু মানুষ তাঁর সম্পর্কে না জেনে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন। এ ঘটনায় তিনি আল্লাহর কাছে বিচার চেয়েছেন বলেও জানান।

এলাকাবাসী বলেন, মসজিদের জমি ও সম্পদ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এসব সম্পদ রক্ষা করা মসজিদ কমিটি, স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। জমি বা গাছ নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে তা আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সমাধান করা উচিত।

স্থানীয় মুসল্লিদের দাবি, বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমি ও সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। গাছ কাটার অভিযোগ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পদের ক্ষতি না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় মাছ চুরির অভিযোগে ক্ষিতিশ চন্দ্র মণ্ডল (৫৫) নামে এক মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ঘেরমালিক বিশ্বনাথ ঘোষ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোররাত ৩টার দিকে উপজেলার জেয়ালা উত্তরখোলা বিলে বিশ্বনাথ ঘোষের ঘেরে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর বেলা ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, শুক্রবার ভোররাতে জেয়ালা উত্তরখোলা সরকারি বিলের বিশ্বনাথ ঘোষের ঘের থেকে ক্ষিতিশ চন্দ্র মণ্ডলকে আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঘেরের কর্মচারী গফফার, বিশ্বনাথ ঘোষ, শিমুল ঘোষ, হাবিবুর গাজী, ইব্রাহিম খাঁ, সমর ঘোষসহ ১৫ থেকে ২০ জন তাঁকে সংঘবদ্ধভাবে মারধর করেন। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথায় কোপ দেওয়া হয় এবং লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

খবর পেয়ে নিহতের স্ত্রী সুলেখা মণ্ডল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে সকাল ৮টার দিকে তাঁকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী পার্থ মণ্ডল ও প্রকাশ মণ্ডলসহ স্থানীয় কয়েকজন জানান, ক্ষিতিশের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর দুই পা ও হাত ভাঙা এবং মাথায় ধারালো অস্ত্রের একাধিক কোপের ক্ষত দেখা গেছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

নিহতের স্ত্রী সুলেখা মণ্ডল বলেন, “স্বামীকে মারধরের খবর পেয়ে বিলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করি। তখনও তিনি কথা বলতে পারছিলেন। তিনি আমাকে মারধরে জড়িত কয়েকজনের নাম বলেছেন। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ক্ষিতিশ মণ্ডলকে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল। এর মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসিন আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে।মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির জন্য মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করে সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হাসপাতাল। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— জীবনের জন্য মেরুদণ্ডের স্বাস্থ্য।

শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা বাইপাস রোডস্থ কামালনগরে অবস্থিত সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
খুলনা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা: মাহমুদুল হাসান পলাশের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. বাপ্পী কুমার দাশ, প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রাসেল, সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ-দৌলা সাগর, ধানদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড়বাজার কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রওশন আলী এবং সাধারণ সম্পাদক রজব আলী খাঁসহ অন্যরা।

মেরুদন্ডের ব্যথাকে অবহেলা না করার আহ্বান জানিয়ে ডা: পলাশ বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধের দোকান থেকে ব্যথানাশক ওষুধ কিনে সেবন করা যাবে না। কারন এতে কিডনি ও যকৃতের ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে। মেরুদন্ডের ব্যথার পেছনে ডিস্কের সমস্যা ছাড়াও যক্ষ্মা, ক্যানসার, হাড়ের ক্ষয়, কাইফোসিস, স্কলিওসিস ও অস্টিওপোরোটিক ফ্র্যাকচারের মতো বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest