সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভাসাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের ১৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় কিশোর গ্যাং এর সদস্যের ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খু%ন : প্রধান আসামী নাহিদসহ গ্রেপ্তার-২গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াত নেতা মাও: আব্দুস সবুরসাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ঘের লুটপাটের অভিযোগ : ১০ লাখ টাকার ক্ষতিশ্যামনগরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ : কার্যক্রম স্থগিতের আবেদনসাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশা

দেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রশাসনের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা।
সভায় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা থানার এসআই বিলায়েত হোসেন, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক বাবু, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, দেবহাটা পল্লী বিদ্যুতের এজিএম মাছুম বিল্লাহ, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তর, রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধিরা।

এছাড়া উপজেলা দুর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি চন্দ্র কান্ত মল্লিক, টাউনশ্রীপুর বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার ফরিদ হোসেন, দেবহাটা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নুরুল ইসলাম, দেবহাটা আনসার-ভিডিপির সহকারী কোম্পানি কমান্ডার নুর হোসেন, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক অজয় কুমার, গাজীরহাট মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক অলোক কুমার, দেবহাটা বাজার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ঝন্টু দে, দেবহাটা ফুটবল মাঠ মন্দির কমিটির সভাপতি দিপঙ্কর ঘোষ এবং দক্ষিণ পারুলিয়া মন্দির কমিটির সভাপতি ও ইউপি সদস্য অসীম কুমারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রতিটি মন্দিরে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক প্রতিমা দর্শনের ব্যবস্থা রাখার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এছাড়া উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনের পৃথক ভিজিল্যান্স টিম দায়িত্ব পালন করবে এবং আনসার ও পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা জানানো হয়।

সভায় উপজেলার ২১টি দুর্গাপূজা মন্দিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জাকারিয়া খান হত্যার ঘটনায় ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ করে তার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল করেছে সহপাঠী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা ১২টায় কলেজের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জাকারিয়া হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবি জানানো হয়।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘আমার ভাইয়ের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘ফাঁসি চাই’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’ এসব স্লোগান দেন। প্রিয় সহপাঠীর হত্যার বিচার দাবিতে এ সময় কলেজের প্রধান ফটকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ পায়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল হাশেম, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বাসুদেব বসু, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহীন ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সাতক্ষীরার আহ্বায়ক মো. আরাফাত হোসাইন, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদুল আলম, নিহত জাকারিয়ার বড় ভাই মো. শাহরিয়ার খান ও ফুফাতো ভাই তামিম।
বক্তারা বলেন, জাকারিয়া ছিলেন একজন কলেজশিক্ষার্থী। তার সামনে ছিল ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন। কিন্তু সহিংসতার ঘটনায় তাকে প্রাণ হারাতে হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করে। জাকারিয়া হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
জাকারিয়া খান ২০২৬ সালে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তার মৃত্যুর ঘটনায় কলেজের সহপাঠীদের মধ্যে শোকের পাশাপাশি ক্ষোভেরও সৃষ্টি হয়েছে।
গত ২ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে একটি চায়ের দোকানের সামনে বিরোধের ঘটনা ঘটে। এ সময় জাকারিয়া খান ছুরিকাঘাতের শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় জাকারিয়ার ভাই মো. শাহরিয়ার খান বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে মামলার প্রধান আসামি কিশোর গ্যাঙ লিডার  নাহিদসহ   কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি 

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা শহ‌রের নিম্নআয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন এবং মৌলিক নগরসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সাতক্ষীরা সরকা‌রি ম‌হিলা ক‌লে‌জ সড়কে বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গ‌বেষণা প্রতিষ্ঠান বার‌সিক এবং শিক্ষা সংস্কৃ‌তি ও বৈ‌চিত্র্য রক্ষা টি‌ম আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এসব দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নাগরিক নেতা আব্দুস সামাদ, জি এম রেজা, ইটাগাছা বস্তির বাসিন্দা জাহানারা খাতুন, ফি‌রোজা বেগম, হা‌ফিজা খাতুন, কাজীপাড়া ব‌স্তির সা‌হিদা খাতুন, বারসিক কর্মকর্তা গাজী মা‌হিদা মিজান প্রমুখ।

মানববন্ধন থেকে বস্তিবাসীর নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসনের নিশ্চয়তা প্রদান, উচ্ছেদের পূর্বে পুনর্বাসন নিশ্চিতকরণ, নিম্নআয়ের মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, বস্তি এলাকায় নিরাপদ পানি, বিদ্যুৎ, স্যানিটেশন, ড্রেনেজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে সহজ ও বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণ, বস্তি এলাকায় সবুজায়ন, খোলা জায়গা ও নগর কৃষির সুযোগ বৃদ্ধি, নিম্নআয়ের মানুষের জীবিকা ও কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও আয়বর্ধক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানের দাবি জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের ১৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের ১৩৩ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ ও সদস্যসচিব হাজী মজিবুর রহমানের স্বাক্ষরে এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটিতে মো. হাসান শাহরিয়ার রিপনকে সভাপতি, সাবিনা ইয়াসমিন শিল্পীকে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি, মো. জিয়াউর রহমান জিয়াকে ১ নম্বর সহসভাপতি, সাজ্জাদ হোসেন লাল্টুকে ২ নম্বর সহসভাপতি এবং এস এম সাহেব আলীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিটিতে মো. জাহাঙ্গীর আলমকে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো. মোশাররফ হোসেনকে ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মেহেদী হাসানকে ২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, শেখ মাহমুদুল ইসলাম বুলবুলকে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মো. নাজমুল হুদাকে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। একই সঙ্গে মো. ফজলুল হককে দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতি পদমর্যাদা), ওয়েজকুরুনী শুভকে প্রচার সম্পাদক এবং ওয়ালিউল্লাহকে আইনবিষয়ক সম্পাদক (সহসভাপতি পদমর্যাদা) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ যে, গত বছরের ৩১ অক্টোবর জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, সদস্যসচিব হাজী মজিবুর রহমান এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির বর্তমান ও সাবেক নেতাদের উপস্থিতিতে কাউন্সিলের মাধ্যমে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান এবং তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ ও সদস্যসচিব হাজী মজিবুর রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন নবগঠিত কমিটির সভাপতি হাসান শাহরিয়ার রিপন, সাধারণ সম্পাদক এস এম সাহেব আলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মাহমুদুল ইসলাম বুলবুল।

এক যৌথ বার্তায় নেতারা বলেন, ‘সাতক্ষীরা জেলাকে মাদক ও জুয়ামুক্ত করতে এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে আমাদের কমিটির নেতারা যেন ভূমিকা রাখতে পারেন, সে জন্য আমরা সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কিশোর গ্যাং এর সদস্যের ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খু%ন : প্রধান আসামী নাহিদসহ গ্রেপ্তার-২

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খাঁনকে ছুরিকাঘাত করে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় সহযোগী সহ দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামী নাহিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শুইলপুর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ হাসান সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা এলাকার মৃত গিয়াসউদ্দিনের ছেলে ও অমিত হাসান ওরফে শিপন হাসান (৩০) একই এলাকার হুমায়ুন কবীরের ছেলে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত্ ামোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামী নাহিদ হাসান ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করছে, এমন খবর পুলিশের কাছে আসে। তার ভিত্তিতে সদর থানা, কালিগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে সেখানে অভিযান চালায়।

এ সময় সীমান্তবর্তী একটি স্থান থেকে এজাহারভুক্ত নাহিদ ও তার সহযোগী জাকারিয়া হত্যায় সন্ধিগ্ধ আসামী অমিত হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২ অক্টোবর শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার অফিসের প্রধান ফটকের পাশে চায়ের দোকানের মালিক রবিউল ইসলামের ভাইপো বাপ্পি হাসানের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে নাহিদসহ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের। বাপ্পী হাসানকে বাঁচাতে যেয়ে নাহিদের ছুরিকাঘাতের শিকার হন কলেজ ছাত্র জাকারিয়া।

পরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই শাহারিয়ার খাঁন বাদি হয়ে শনিবার রাতে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা সাত জনকে আসামী করে সাতক্ষীরা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। শনিবার ভোরে নিজ বাড়ি থেকে ্এজাহারভুক্ত আসামী মুহিদ হাসান বনিকে গ্রেপ্তার করা হয়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াত নেতা মাও: আব্দুস সবুর

বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি মাওলানা আব্দুস সবুর সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আমাকে জড়িয়ে ঘের লুটপাটের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়ীয়ে লুটপাটের সঙ্গে জড়িত হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বিষয়টি সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের বড়দল, বাগডাঙ্গা, দামারপোতা, জেলায়ার ২টি বিল (নাটামারি ও বড়দল হাজী সাহেবের বিল) এলাকায় প্রায় ১৫০০ বিঘা ফসলি জমি রয়েছে। এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে ঘের নির্মাণের কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে আমন ধানসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বসতবাড়ি, স্কুল, মসজিদ ও মন্দিরও জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে। দামারপোতা ছাগলার গেট দিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকলেও কোন খাস খাল না থাকায় পানি নিষ্কাশন হয়না।

তাই, পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরির লক্ষ্যে এলাকাবাসী একসাথে উদ্যোগ গ্রহণ করে। অভিযোগকারী জয়নালের ঘেরের পশ্চিম পাশ দিয়ে বেতনা নদী পর্যন্ত একটি খাল পানি নিষ্কাশনের পথ ছিল কিন্তু ঐ পথের বেশকিছু অংশ জয়নালের পিতা রেকর্ডভুক্ত করে নেওয়ায় পানি নিষ্কাশন হয়না। ফলে বর্ষা মৌসুমে বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে জলাবদ্ধতার সমস্যায় পড়তে হয়।

সম্প্রতি পানি নিষ্কাশনের জন্য আমার পিতার দানকৃত মসজিদের জমির সামনে ওয়াবদায় পাইপ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুপারিশ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-২-এর অনুমোদনের ভিত্তিতে এ কাজ করা হয়েছে। যার স্মারক নং ৩০ম-২/১৫৬০।

গত ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় পাইপ স্থাপনের কাজ শেষ হওয়ার পর পানি উন্নয়ন বোর্ড-২-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন, এ সময় এলাকাবাসী পানি উন্নয়ন বোর্ড এর দ্বীচারিতার কারনে ক্ষুব্ধ হয়ে খাসজমিতে লাগানো কিছু ফলজ গাছ কাঁটার ঘটনা ঘটে। তবে আমার বিরুদ্ধে মৎস্য ঘের লুটপাট, অগ্নিসংযোগসহ যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ঘের লুটপাটের অভিযোগ : ১০ লাখ টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিনিধি : সরকারি নির্দেশ অমান্য করে সাতক্ষীরায় ওয়াপদার বেড়িবাঁধ কেটে পিভিসি পাইপ স্থাপন, মৎস্য ঘেরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘেরের আইলে থাকা বিপুল পরিমাণ ফলজ গাছও কেটে সাবাড় করে দেয় দুর্বৃত্তরা। রোববার রাতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিক বাগডাঙ্গি গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ছেলে জয়নাল আবেদীন জানান, পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৮ বিঘা জমিতে দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি মাছ চাষ করে আসছেন। সম্প্রতি ওই ঘেরটির ওপর নজর পড়ে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুস সবুরের। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঘেরটি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন।

জয়নাল আবেদীন বলেন, “আমাদের এলাকায় কোনো জলাবদ্ধতা নেই। তা সত্ত্বেও জলাবদ্ধতার অজুহাত তুলে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর এবং তাঁর ভাইপো রুহুল আমিন, মোস্তাফিজুর রহমান, রুহুল কুদ্দুস, আব্দুর রাজ্জাক ও আবুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী রাতের আঁধারে আমার ঘেরে হামলা ও লুটপাট চালায়। শুধু তা-ই নয়, তারা ঘেরে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং আইলে থাকা আম ও পেঁপেসহ নানা প্রজাতির ফলজ গাছ কেটে তছনছ করে। এতে আমার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা বাধা দিতে গেলে তারা আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।”

জানা গেছে, উক্ত স্থানে কোনো ব্যক্তি বা সাধারণ মানুষের যেন ক্ষতি না হয়, সে লক্ষ্যে কালভার্ট কিংবা পিভিসি পাইপ নির্মাণ না করার জন্য গত ৪ অক্টোবর নির্দেশ দিয়েছিলেন সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া। কিন্তু জামায়াত নেতা সবুর ও তাঁর লোকেরা সেই সরকারি নির্দেশ অমান্য করে এস্কেভেটর (ভেকু) মেশিন দিয়ে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ কেটে অবৈধভাবে পিভিসি পাইপ বসিয়ে মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ওমর ফারুখ আবেগপ্লুত হয়ে বলেন, “রাতের আঁধারে এমন তাণ্ডব ও লুটপাট আমরা কখনো দেখিনি। আমার ভাই ঘেরের মাছগুলো রক্ষা করতে চেয়েছিল, কিন্তু সন্ত্রাসীরা সেই সুযোগ দেয়নি। এক রাতেই তাঁর সারা জীবনের সম্বল শেষ করে দেওয়া হয়েছে। আমার ভাই এখন নিঃস্ব। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আমাদের আকুল দাবি—যারা এই ন্যাক্কারজনক লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ ঘটিয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম, তবে কারা লুটপাট বা ভাঙচুর করেছে তা আমার জানা নেই। আমি সেখান থেকে চলে আসার পর পেছনে কী ঘটেছে, তা বলতে পারব না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ : কার্যক্রম স্থগিতের আবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ৯৪নং দক্ষিণ শ্রীফলকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একতরফা পক্ষপাতিত্ব ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে সৃষ্টি হওয়া বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কমিটি গঠনের যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত রাখার দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের ভূমিদাতার পক্ষের প্রতিনিধিরা।

গত ৪ অক্টোবর সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর দায়ের করা ওই লিখিত অভিযোগে ভূমিদাতা মৃত ইদ্রিস আলী মোল্যার পক্ষে তাঁর ছেলে মোঃ আবদুল্লাহ আল-মামুন জানান, বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে অভিভাবক ও ভূমিদাতা সদস্যদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিয়াজুল হক পরিপত্রের নিয়ম উপেক্ষা করে একতরফাভাবে কমিটি গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে হলে সর্বনিম্ন ডিগ্রি (স্নাতক) পাস হওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক তার তোয়াক্কা না করে এসএসসি পাস এক ব্যক্তিকে সভাপতি করার জন্য পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া, সভাপতি পদের জন্য ৩ জন প্রার্থীর তথ্যাদি জমা দেওয়ার বিধান থাকলেও প্রধান শিক্ষক অন্য প্রার্থীদের তথ্য গোপন করে এককভাবে একজনের নাম উপজেলা নির্বাহী অফিস (ইউএনও) বরাবর প্রেরণ করেছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।

আবেদনকারীরা জানান, এর আগে কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনা ঘটেছে এবং বর্তমানে মব সৃষ্টির মাধ্যমে এলাকায় চরম শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এবিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিতভাবে জানানো হলেও তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এমতাবস্থায়, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা অবক্ষয় এড়াতে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের ঝামেলার সুষ্ঠু নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিয়াজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এলাকায় ডিগ্রি পাশ অভিভাবক পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে ডিগ্রি পাশ ঘরে ঘরে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান শিক্ষক বলেন, এটিও স্যার এবং টিও স্যার যেটা করবে সেটায় হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইনামুল হক বলেন, বর্তমানে ডিগ্রি পাশ ছাড়া কোন ভাবেই ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার সুযোগ নেই। যদিও এসএসসি পাশ বা ডিগ্রি পাশের নিচে কাউকে মনোনীত করে পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তা ফেরত আসবে। ডিগ্রি পাশ ছাড়া অনুমোদন হওয়ার সুযোগ নেই। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest