সর্বশেষ সংবাদ-
আমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন : সভাপতি প্রভাষক আরিফুলদেবহাটা থানায় নবাগত ওসি এইচএম শাহীন-এর যোগদানপ্রধান শিক্ষকের বরখাস্তের তিনদিন পর নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির পদ স্থগিতসাতক্ষীরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ : কারণ দর্শানোর নোটিশআশাশুনিতে নবাগত ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর আরিফ এর যোগদানআশাশুনিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে দুই দোকানে জরিমানাসাতক্ষীরা শহরে প্রতি ৪ জনে ১ জন জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বস্তিবাসী: সুরক্ষায় ৮ দফা দাবিসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়িচালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিআরটিএর প্রশিক্ষণ কর্মশালাশ্যামনগরে পিকেএসএফ প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগ: তদন্তের দাবিতে ডিসির কাছে অভিযোগজলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় লিডার্স এর স্থানীয় অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা 

আমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন : সভাপতি প্রভাষক আরিফুল

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটার আমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের আগ পর্যন্ত বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও পরিচালন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের গত ১৪ জুলাই ২০২৬ তারিখের অনলাইন আবেদনের (আইডি-৩৮২৮০) পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ আগস্ট যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক মুঃ এনামুল কবীর স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত অ্যাডহক কমিটিতে সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার মাগুরা আইডিয়াল মহিলা কলেজের প্রভাষক মোঃ আরিফুল ইসলামকে সভাপতি, আমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানকে শিক্ষক সদস্য, অভিভাবক আলমগীর হোসেনকে অভিভাবক সদস্য এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
বোর্ডের আদেশে বলা হয়েছে, অ্যাডহক কমিটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রবিধানমালা-২০২৪-এর প্রবিধান ১০-এর উপ-প্রবিধান (১) অনুযায়ী বিদ্যালয়ের নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
নবনিযুক্ত সভাপতি প্রভাষক মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, “যশোর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব আমি যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করব। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “বিদ্যালয়ের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, ফলাফল উন্নয়ন, সহশিক্ষা কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং একটি সুন্দর শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরির বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।”

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা থানায় নবাগত ওসি এইচএম শাহীন-এর যোগদান

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা থানায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে এইচএম শাহীন যোগদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) তিনি দেবহাটা থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর নবাগত ওসি এইচএম শাহীন থানার পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং দেবহাটা থানা এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এসময় থানার কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং নতুন কর্মস্থলে স্বাগত জানান।
নবাগত ওসি এইচএম শাহীন বলেন, দেবহাটা থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, চুরি-ছিনতাইসহ সব ধরনের অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমিয়ে একটি জনবান্ধব ওসি অফিস গড়ে তোলার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে চান। অপরাধ দমনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
থানা সূত্রে জানা গেছে, দেবহাটা থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করা, মাদক নির্মূল, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবাগত ওসি’র নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করবেন।
নবাগত অফিসার ইনচার্জ এইচএম শাহীন তার দায়িত্ব পালনে দেবহাটাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন। তার যোগদানের মধ্য দিয়ে দেবহাটা থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও গতিশীলতা আসবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধান শিক্ষকের বরখাস্তের তিনদিন পর নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির পদ স্থগিত
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির পদ স্থগিত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) যশোর শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শকের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট আবেদন ও পূর্বের পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি জনাব শাহ মোঃ কামরুকুজ্জামান-এর পদ স্থগিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠির অনুলিপি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়-সংক্রান্ত প্রশাসনিক বিষয়ে পৃথক নোটিশ প্রকাশিত হয়েছে।
চিঠিতে পদ স্থগিতের নির্দিষ্ট কারণ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ : কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির ২০২৬ সালের নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন-সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত রাখার অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেন দেওয়া হবে না এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সাতক্ষীরার যুগ্ম জেলা জজ আদালত থেকে এ নোটিশ প্রদান করা হয়। আদালতের নোটিশে নির্বাচন-সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেন দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ১৬ থেকে ১৮ নম্বর বিবাদীদের নোটিশ পাওয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শেখ হাসান উদ্দীন বাদী হয়ে সাতক্ষীরার যুগ্ম জেলা জজ আদালতে আবেদন করেন। আবেদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট জহুরুল হকসহ ১৬ থেকে ১৮ নম্বর বিবাদীকে প্রতিপক্ষ করা হয়েছে। মামলাটি ১৯৫/২৬ নম্বর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, সমিতির নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গাড়ির ব্লু-বুকে মালিকের নাম না থাকলেও তাকে ভোটার হওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, অথচ প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। বাদীপক্ষের দাবি, এ ধরনের বিধান সমিতির গঠনতন্ত্রের ২৪ ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এ ছাড়া দুটি বর্তমান কার্যকরী কমিটি বিলুপ্ত না করে তাদের ক্ষমতায় রেখেই নতুন নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। এতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে বাদীপক্ষ দাবি করেছে।

আদালতের নোটিশে বলা হয়েছে, বিবাদীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বয়ং অথবা রীতিমতো আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত হয়ে আবেদনটির বিরুদ্ধে কারণ দর্শাতে হবে। অন্যথায় মামলাটি একতরফাভাবে শুনানি ও বিচার হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে নবাগত ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর আরিফ এর যোগদান
আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনিতে নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন মোঃ জাহাঙ্গীর আরিফ। বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় তিনি আশাশুনি থানায় যোগদান করেন। আশাশুনিতে ওসি হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি ঢাকা ডিএমপি ডিবিতে কর্মরত ছিলেন। নবাগত অফিসার ইনচার্জ যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বাগাচড়া গ্রামের কৃতি সন্তান।
(ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফ ২০০৩ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। নবাগত (ওসি) বুধবার সন্ধ্যায় আশাশুনি থানায় পৌঁছে ওসি শামীম আহমদ খানের কাছ থেকে চার্জ বুঝিয়ে নেন। এসময় থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত সঞ্জয় কুমার দাস, সেকেন্ড অফিসার এসআই লক্ষণ চন্দ্র দাসসহ পুলিশ সদস্যরা নবাগত ওসিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
যোগদানের পর ওসি জাহাঙ্গীর আরিফ বলেন, পুলিশ ও জনতার সম্পর্ক হবে বন্ধুর মতো। জনসাধারণের যে কোনো প্রয়োজনে পুলিশ সহায়তা দিতে বদ্ধপরিকর। আশাশুনি থানা এলাকায় সকল অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যম কর্মী সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য সাবেক ওসি শামীম আহমদ খান কে সাতক্ষীরা সদর সার্কেলে বদলি করা হয়েছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে দুই দোকানে জরিমানা

আশাশুনি প্রতিনিধি :
আশাশুনিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের বাজার তদারকিমূলক অভিযানে দুই মুদি দোকানে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মোঃ মেহেদী হাসান তানভীর ও জেলা শাখার নির্বাহী সদস্য ক্যাব জিএম ইমতিয়াক জামিল।

অভিযান পরিচালনাকালে গোয়ালডাঙ্গা বাজারের মুদি ব্যবসায়ী দে ব্রাদার্স এর মালিক সুভাষদে কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৭ ধারায় ১ হাজার টাকা জরিমান ও শ্রীকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এর মালিক গোপাল মজুমদারকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ধারায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা শহরে প্রতি ৪ জনে ১ জন জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বস্তিবাসী: সুরক্ষায় ৮ দফা দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা পৌর শহরের প্রতি চারজন বাসিন্দার একজনই জলবায়ু উদ্বাস্তু ও নিম্ন আয়ের বস্তিবাসী। নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততায় ভিটেমাটি হারিয়ে শহরে আশ্রয় নেওয়া এই বিশাল জনগোষ্ঠীর আবাসন সংকট নিরসন এবং জলবায়ু দুর্যোগ থেকে তাদের সুরক্ষায় ৮ দফা দাবি ‌তুলে ধরেছেন নাগরিক নেতারা।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) আয়োজিত ‘সাতক্ষীরার নিম্ন আয়ের ভূমিহীন বস্তিবাসীর আবাসন সংকট সমাধানে করণীয়’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে এসব দাবি জানানো হয়।

গ্রীন কোয়ালিশন সাতক্ষীরার সভাপতি আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে সংলাপে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান।

ধারণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতি বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নিঃস্ব হওয়া মানুষেরা জীবিকার তাগিদে শহরে পাড়ি জমাচ্ছে। বর্তমানে শহরের প্রায় দুই লাখ জনসংখ্যার মধ্যে আনুমানিক ৫০ হাজার মানুষ নিম্ন আয়ের পথবাসী, ঝুপড়িবাসী ও বস্তিবাসী। অর্থাৎ শহরের প্রতি ৪ জনে ১ জন মানুষ জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। এই বিশাল জনগোষ্ঠী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, গৃহস্থালি ও নির্মাণশিল্পে যুক্ত থেকে শহরকে সচল রাখলেও নগর উন্নয়ন পরিকল্পনায় তারা সবসময় উপেক্ষিত। উপরন্তু, ২০২৪ সালে সাতক্ষীরা-শ্যামনগর সড়ক প্রশস্তকরণের অজুহাতে ইটাগাছা বস্তির ১০৪টি পরিবারকে কোনো পুনর্বাসন ছাড়াই উচ্ছেদ করা হয়, যারা দীর্ঘদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সংলাপে নাগরিক নেতারা বলেন, প্রতিকূল পরিবেশে বাস করায় বস্তিবাসী বিভিন্ন জটিল ব্যাধিতে ভোগেন এবং তাদের উপার্জনের প্রায় ৩০ শতাংশ টাকাই চিকিৎসাবাবদ খরচ হয়ে যায়। সাংবিধানিক অধিকার ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে নগর দরিদ্রদের অন্তর্ভুক্ত করে পরিকল্পিত উন্নয়ন বাস্তবায়ন জরুরি।

সংলাপে বক্তব্য রাখেন, নাগরিক নেতা কল্যাণ ব্যানার্জি, পবিত্র মোহন দাশ, কিশোরী মোহন সরকার, মাধব চন্দ্র দত্ত, এম কামরুজ্জামান,মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, গোলাম সরোয়ার, আলী নুর খান বাবুল, সিদ্দিকুর রহমান, বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলাম, সাংস্কৃতিক কর্মী দিলরুবা রুবি, উন্নয়ন কর্মী সাকিবুর রহমান বাবলা, গ্রীন কোয়ালিশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম বিপ্লব হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. হোসেন আলী ও হৃদয় মন্ডল এবং সমকালের জেলা প্রতিনিধি কিশোর কুমার। এছাড়াও বস্তিবাসীর পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন রাজার বাগান ঋষিপাড়ার কুমারেশ সরকার, ইটাগাছা বস্তির জোবেদা খাতুন, মাজেদা খাতুন প্রমুখ।

সংলাপ থেকে বস্তিবাসীর সুরক্ষা ও অধিকার আদায়ে উচ্ছেদকৃত ১০৪টি পরিবারসহ দরিদ্র বস্তিবাসীর নিরাপদ ও দুর্যোগসহনশীল আবাসন নিশ্চিতকরণ, শহরের জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে দূরীকরণের উদ্যােগ গ্রহণ, বস্তিতে সরকারি ভর্তুকিতে সুপেয় পানি, বিদ্যুৎ ও পয়ঃনিষ্কাশন সেবা নিশ্চিতকরণ, বস্তিবাসীর ছেলে-মেয়েদের কারিগরি শিক্ষার আওতায় আনা, বিকল্প পুনর্বাসন ছাড়া যেকোনো ধরনের উচ্ছেদ বন্ধ রাখা, বস্তির দরিদ্র শিশুদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, সারাবছর ভর্তুকিমূল্যে খাদ্যসামগ্রী প্রাপ্তির সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী একটি পরিকল্পিত ও দরিদ্রবান্ধব নগর গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়িচালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিআরটিএর প্রশিক্ষণ কর্মশালা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের উদ্যোগে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে পেশাজীবী গাড়িচালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা শহরের অদূরে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল পেশাজীবী গাড়িচালকদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জিয়াউর রহমান। তিনি সড়ক দুর্ঘটনা রোধ এবং সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রশিক্ষক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জমির হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (ট্রাফিক) মোঃ আরজু হোসেন, মোটরযান পরিদর্শক মোঃ ওমর ফারুক এবং উচ্চমান সহকারী মোঃ নাসির উদ্দিন।

প্রধান প্রশিক্ষক মোঃ জিয়াউর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে গাড়িচালকদের সচেতনতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চালকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে এবং এটি দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ করে তুলবে।”

মোটরযান পরিদর্শক মোঃ ওমর ফারুক সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। কর্মশালায় বিভিন্ন শ্রেণীর পেশাজীবী চালকগণ অংশ গ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে অনেকেই কর্মশালা শেষে নিজেদের অভিজ্ঞতা এবং মতামত শেয়ার করেন।

এই কর্মশালার মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকদের ভূমিকা এবং তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। বিআরটিএ আশা করছে যে এই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা দেশের সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং ভবিষ্যতে আরো এ ধরনের কর্মশালা আয়োজন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest