সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগশ্যামনগরের নীলডুমুরে ঘাটে হার্ডওয়্যার দোকান থেকে বিশাল আকৃতির অজগর সাপ উদ্ধার‘অথবা তুমি আমি’ নাটকে আলোচনায় ইভানা২৯ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীকানাডা পশ্চিম বিএনপির বিতর্কিত কার্যক্রম ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভশ্যামনগরে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা : সরেজমিনে মিলল ভিন্ন চিত্রসাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবিদেবহাটা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সৌজন্য সাক্ষাৎলবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিতে সাতক্ষীরার কৃষি, টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ার আহ্বানআদালতের আদেশ অমান্য করে বাঁশদহে পৈত্রিক জমি জবর দখলের অভিযোগ

তালায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

তালা প্রতিনিধি: তালা উপজেলার ৩৭ নম্বর ঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পরেশ দত্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, সরকারি সম্পত্তি বিক্রি এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার ইসলামকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গাজী সুলতান উদ্দীন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের সময় তিনটি বড় আকারের মেহগনি গাছ কেটে বিক্রি করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য এক লাখ টাকার বেশি। ওই অর্থ প্রধান শিক্ষক আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়, ঘোনা পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন চারতলা ভবন নির্মাণকালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হয়। এর ফলে ব্যবহৃত বিদ্যুতের বিল সরকারি তহবিল থেকে পরিশোধ করা হয়েছে, যার পরিমাণ লক্ষাধিক টাকা বলে অভিযোগকারীর দাবি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লক নির্মাণকাজেও ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে।

অভিযোগকারী বিষয়গুলো সরেজমিনে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পরেশ দত্ত বলেন, তদন্ত হোক। তদন্তেই সব সত্য বেরিয়ে আসবে। আমি কোনো গাছ কাটিনি।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সন্তোষ কুমার মণ্ডল বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের নীলডুমুরে ঘাটে হার্ডওয়্যার দোকান থেকে বিশাল আকৃতির অজগর সাপ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার  বুড়িগোয়ালিনির নীলডুমুর খেয়াঘাটে হার্ডওয়্যার দোকান থেকে ছয় ফুট লম্বা অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বনবিভাগ ও সিপিজি (কমিউনিটি পেট্রোল গ্রুপ)-এর সদস্যরা সাপটি উদ্ধার করেন।
স্থানীয়রা জানান, নীলডুমুর বাজারের ব্যবসায়ী হারুনের হার্ডওয়্যার দোকান খুলতে গেলে দোকানের ভেতরে একটি বিশাল অজগর সাপ দেখতে পান। পরে বনবিভাগকে খবর দেওয়া হলে বনকর্মীরা সিপিজি সদস্য ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করেন।

বাজারের মতো জনবহুল এলাকায় এত বড় অজগর সাপ আগে কখনো দেখা যায়নি। সাপটি দোকানের ভেতরে কীভাবে প্রবেশ করেছে তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে, আশপাশের বনাঞ্চল বা ঝোপঝাড় থেকে খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসে।

বনবিভাগের বুড়িগোয়ালিনি স্টেশন কর্মকর্তা ইরফান উদ্দিন জানান, সাপটি লম্বা ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি। আনুমানিক ওজন ২৮ কেজি। উদ্ধার করা অজগরটি সুস্থ রয়েছে। প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ শেষে নিরাপদে সুন্দরবনের উপযোগী আবাসস্থলে অবমুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে জনসাধারণকে বন্যপ্রাণী দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে বা ক্ষতি না করে দ্রুত বনবিভাগকে খবর দেওয়ার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘অথবা তুমি আমি’ নাটকে আলোচনায় ইভানা
বিনোদন ডেক্স:পারসা ইভানা অভিনয়ের পাশাপাশি নাচও করেন। বিজ্ঞাপনেও দেখা যায় মডেল হিসাবে। অভিনেত্রী হিসাবে তাকে খুব বেশি কাজে দেখা যায় না।  তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, গল্পটা ভালো হওয়া চাই, চরিত্রটিও হওয়া চাই মনের মতো-এমন হলেই তবে কাজ করি।”

সেরকম নিজের পছন্দের একটি কাজের কথা জানিয়েছেন ইভানা। নাটকটির নাম ‘অথবা তুমি আমি’। এর গল্প বৃষ্টি সিদ্দিকীর। নির্মাণ করেছেন ইমরাউল রাফাত। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নাটকটি একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে।

এরই মধ্যে দেখেছেন ১.৬ মিলিয়নের বেশি দর্শক। এটি মূলত রোমান্টিক এবং পারিবারিক গল্পের নাটক। নাটকে পারসা ইভানার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান।

পারসা ইভানা বলেন, “নাটকটি প্রচারের পর থেকে বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। এতে আমার চরিত্রটি বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল, কারণ এটি একটু ভিন্ন ঘরানার। নির্মাতা রাফাত ভাই যেভাবে চেয়েছেন চেষ্টা করেছি সেভাবে ফুটিয়ে তুলতে, আমি সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। প্রচারের পর থেকে দর্শকের কাছ থেকে যে পরিমাণ সাড়া পাচ্ছি, তাতে সত্যিই আমি উচ্ছ্বসিত, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। তবে এখানে যেহেতু কোনো বাহুল্যতা নেই, তাই ভিউয়ের গতি একুট ধীর।”

উল্লেখ্য, সর্বশেষ সুমন আনোয়ারের ওয়েবফিল্ম ‘মির্জা’ নিয়েও দারুণ সাড়া পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন এ অভিনেত্রী। এতে তাকে দেখা গেছে দ্বৈত চরিত্রে। শিগ্গির আরও কিছু ভালো কাজ নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হবেন, এটাই বলেছেন পারশা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২৯ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক : দেশের ২৯ হাজারেরও বেশি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র’ থেকে আজ সোমবার একযোগে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা এবং প্রতিজন শিশুকে প্রতিবছর বৃক্ষরোপণে সম্পৃক্ত করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের শিক্ষাঙ্গনে এই নতুন সবুজায়ন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর আওতায় আগামী ৫ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, শেরে বাংলা নগরের ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে’ আয়োজিত মূল অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দুপুর ২টায় মাধ্যমিক পর্যায়ের মোট ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৮ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়, ১ হাজার ৪৪৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৯ হাজার ২৬৮টি মাদ্রাসা রয়েছে।

এ কর্মসূচি সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে তা দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিবছর প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার টাকা করে বিশেষ জলবায়ু সচেতনতা অনুদান প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১টি ফলদ বৃক্ষ, ১টি বনজ বৃক্ষ ও ১টি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় পর্দায় সরাসরি প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত থেকে সরাসরি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কানাডা পশ্চিম বিএনপির বিতর্কিত কার্যক্রম ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক : কানাডা পশ্চিম বিএনপির সাম্প্রতিক কিছু কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে প্রবাসী বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবি ও তথ্যকে কেন্দ্র করে সংগঠনের ভেতরে অস্বস্তি ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি কানাডায় অবস্থানরত মাকসুদুল হক—যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “ম্যাক হক” নামে রাজনৈতিক মন্তব্যের জন্য পরিচিত তাকে নিয়ে বিএনপির কানাডা পশ্চিম শাখার সভাপতি আব্দুল আহাদ খন্দকার, রনি চৌধুরীসহ কয়েকজন নেতার সঙ্গে তোলা ছবি প্রকাশিত হলে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
বাংলা মেলার আয়োজনের প্রেক্ষাপটে এসব ছবি প্রকাশিত হলেও, অনেক সমর্থক বিষয়টিকে সংগঠনের ভাবমূর্তির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন।

প্রবাসী বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, মাকসুদুল হক সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের নির্বাচিত জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় মন্তব্য ও স্ট্যাটাস লিখে থাকেন, যা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে গভীর ক্ষোভ বিরাজমান।
এই পটভূমিতে তাঁকে নিয়ে বিএনপির কিছু নেতার হাস্যোজ্জ্বল ছবি প্রকাশিত হওয়ায় সমর্থকরা আরও বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

তাঁদের মতে, দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যকারী ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা প্রদর্শন করা সংগঠনের আদর্শ ও শৃঙ্খলার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এদিকে, ক্ষুব্ধ সমর্থকরা ইতোমধ্যে স্থানীয় এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে তাঁদের উদ্বেগ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে কানাডা পশ্চিম বিএনপির আংশিক কমিটির সভাপতি আব্দুল আহাদ খন্দকারের বিরুদ্ধে প্রাদেশিক বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ অনাস্থা প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জনাব আনোয়ার হোসেন খোকনের কাছে।
দলীয় সূত্র জানায়, ওই অনাস্থা প্রস্তাব এবং সাম্প্রতিক বিতর্কিত ঘটনাবলীর কারণে কেন্দ্রীয় বিএনপি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। সম্প্রতি মেয়াদোত্তীর্ণ আংশিক কমিটির এই নেতাদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

প্রবাসী বিএনপির একাধিক নেতার মতে, এসব ঘটনায় সংগঠনের ভেতরে শৃঙ্খলা, সমন্বয় ও দায়িত্বশীল আচরণের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা : সরেজমিনে মিলল ভিন্ন চিত্র

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম, তার ছেলে এবং কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে মামলা করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর-রাদ কর্পোরেশন। তবে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে অভিযোগের সঙ্গে ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, জাইকা এর অর্থায়নে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় সরকারি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ পরিচালনা করছে আর-রাদ কর্পোরেশন।

অভিযোগে বলা হয়, চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের পর থেকে বিভিন্নভাবে চাঁদা দাবি করে আসছেন এবং চাঁদা না দেওয়ায় প্রকল্পের কাজ বন্ধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া ১৪ এপ্রিল ২০২৬ সালের পর থেকে তার দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে বলেও এজাহারে দাবি করা হয়। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলে ১৩ মে ২০২৬ তারিখে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়। এরপরও অভিযুক্তরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন।

১৯ মে রাতে প্রকল্প এলাকায় এসে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং কাজ চালিয়ে গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণনাশ ও স্থাপনা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া ২৩ মে দুপুরে চেয়ারম্যান, তার ছেলে এবং স্থানীয় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ২০-২৫টি মোটরসাইকেলে করে প্রকল্প এলাকায় এসে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আর-রাদ কর্পোরেশনের নির্মাণকাজ স্বাভাবিকভাবেই চলমান রয়েছে। স্থানীয় উন্নয়নকর্মী তুহিন মণ্ডল বলেন, “আর-রাদ কর্পোরেশন যে অভিযোগে মামলা করেছে, সেটি সঠিক নয়। আমরা এখানে কখনো চাঁদাবাজির কারণে কাজ বন্ধ হতে দেখিনি। যেদিন ও যে সময়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেদিন চেয়ারম্যানসহ আমরা অনেকেই ইউনিয়ন পরিষদে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলাম।” স্থানীয় বাসিন্দা রহিম আকন্দ বলেন, “বরং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিবেশের ক্ষতি করে কাজ করছে। এসব বিষয়ে কেউ কথা বলতে গেলে তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া গেলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। আইনগতভাবে আমি বিষয়টি মোকাবিলা করব।” তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে আর-রাদ কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আনীত অভিযোগের সত্য বলে জানিয়েছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকায় উদ্ধার হওয়া প্রায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)।

রোববার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান।

স্বাগত বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান।
সম্মানিত অতিথি ছিলেন, সেক্টর কমান্ডর ক:মোহা: মাসুদুর রহমান, পিএসসি, জেলা প্রশাসক মিস কাউছার আজিজ, সিনিযর জুডিশিয়াল ম্যাজি: মেহেদি হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুল্লাহ, সাতক্ষীরা মাদক দ্রব্য নিযন্তন অধিদপ্তর, মিজানুর রহমান শরিফ প্রমুখ।

বিজিবি জানায়, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন বিওপি এবং ব্যাটালিয়ন সদর পরিচালিত অভিযানে ৪৮ জন আসামিসহ মোট ১২৬ কোটি ৬৬ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫৬ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ছিল।

ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে ছিল ৩ হাজার ৭৯১ বোতল বিভিন্ন ধরনের মদ, ৪ হাজার ৫২৪ বোতল ফেনসিডিল ও সমজাতীয় মাদক, ৪৭ হাজার ২৭০ পিস ইয়াবা, ৬ লাখ ৭ হাজার ৭৬৯ পিস বিড়ি ও সিগারেট, ৩৩ দশমিক ৪০০ কেজি গাঁজা, ৬৩ লাখ ১৩ হাজার ১২০ পিস বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ঔষধ, ৩৫ কেজি তামাকের গুঁড়া, ২ বোতল লিকুইড সীসা, ১০০ কেজি মাদক তৈরিতে ব্যবহৃত বট পাতা, ৭২ দশমিক ৫০ মিলিলিটার এলএসডি, ৮ দশমিক ৫৮৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং আফিম তৈরির ২০ বোতল কেমিক্যাল।

প্রধান অতিথি বলেন, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা দিন-রাত নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি বলেন, মাদক একটি বহুমাত্রিক সামাজিক সমস্যা। এ সমস্যা মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এজন্য তিনি মাদকবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ
দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সাবেক সংসদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের  প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, মতবিনিময় এবং ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।
রবিবার অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে নেতৃত্ব দেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, বর্তমান সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক সভাপতি শেখ সিরাজুল ইসলাম এবং দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা আব্দুল হাবিব মন্টু। এ সময় দেবহাটা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজনৈতিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নেতৃবৃন্দ আগামী দিনে দলকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও জনমুখী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তারা বলেন, হাবিবুল ইসলাম হাবিবের আন্তরিক নেতৃত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং জনকল্যাণে নিবেদিত মানসিকতা দীর্ঘদিন ধরে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও তিনি সাতক্ষীরা জেলার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাবেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে নেতৃবৃন্দ হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং দেবহাটা উপজেলা বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest