সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে ৩২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ : আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংসসাতক্ষীরায় ইজিবাইকের নির্বিঘ্নে চলাচল ও চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপিউচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনশ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারা

শ্যামনগরে ৩২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ : আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধূমঘাট শিলতলা বিল, মটারচক বিল ও সংলগ্ন খালে অভিযান চালিয়ে ৩২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেছে শ্যামনগর উপজেলা মৎস্য অফিস। পরে জব্দকৃত জালগুলো ধূমঘাট আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. তৌহিদ হাসানের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা মৎস্য অফিসের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট মো: মুজিবুর রহমান, বিশ্বজিৎ মণ্ডল ও সুকুমার। অভিযানে সহযোগিতা করেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম্য পুলিশ, গ্রীন কোয়ালিশন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা সহ বিভিন্ন সংগঠিত জনসংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গ্রামবাসী।

অভিযান চলাকালে ধূমঘাট শিলতলা বিল, মটারচক বিল ও আশপাশের খাল থেকে মোট ৩২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়। পরে পরিবেশ ও দেশীয় মাছের প্রজনন সংরক্ষণের স্বার্থে জব্দকৃত জালগুলো জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো: তৌহিদ হাসান বলেন,চায়না দুয়ারি জাল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ধরনের জাল ব্যবহার করলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শ্যামনগরের সব এলাকায় এ ধরনের নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় বাসিন্দা মিতা রানী বলেন,আমাদের এলাকায় এই উদ্যোগটি খুবই প্রয়োজন ছিল। দেশীয় মাছের প্রজননের সময় এই জলদানব চায়না দুয়ারি জাল অপসারণ করায় আমরা অত্যন্ত খুশি। এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হলে খাল-বিলে দেশীয় মাছের সংখ্যা আবারও বাড়বে বলে আমরা আশা করি। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চায়না দুয়ারি জালের অবাধ ব্যবহার জলাশয়ের ছোট-বড় সব ধরনের মাছ, পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিল। উপজেলা মৎস্য অফিসের এ ধরনের অভিযান দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের নির্বিঘ্নে চলাচল ও চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্থানীয় রুটে ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক) নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করা এবং চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলারযান শ্রমিক দল (রেজি. নং-চ-২৪৫৩), সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

মিছিল শেষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঁচ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার উপদেষ্টা অধ্যাপক মনিরুজ্জামান, সভাপতি শেখ ফেরদৌস আলম বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি আক্তারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইমন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েকশ ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চালক অংশ নেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত কিছুদিন ধরে সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন সড়ক ও এলাকায় কতিপয় অসাধু ব্যক্তি ও প্রভাবশালী মহল ইজিবাইক চলাচলে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করছে। তারা চলন্ত ইজিবাইক থামিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে, চালকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে এবং অনেক ক্ষেত্রে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে চালকদের নিয়মিত মানসিক হয়রানি, আর্থিক ক্ষতি এবং জীবিকা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হচ্ছে।

স্মারকলিপিতে ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার চালকদের জন্য সরকারি নীতিমালার আলোকে লাইসেন্স ও নিবন্ধনের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়, যাতে তারা বৈধভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন এবং অযথা হয়রানির শিকার না হন।

এছাড়া সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন সড়ক ও স্থানীয় রুটে ইজিবাইক চালকদের হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অবৈধভাবে চলাচলে বাধা প্রদান বন্ধে কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। বিশেষভাবে সাতক্ষীরা-পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা-ঝাউডাঙ্গা-কলারোয়া, কদমতলা-আবাদেরহাট-বাঁশদহা, সাতক্ষীরা-ঘোনা, সাতক্ষীরা-ভোমরা, সাতক্ষীরা-বুধহাটা, সাতক্ষীরা-পারুলিয়াসহ জেলার বিভিন্ন স্থানীয় রুটে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের নির্বিঘœ চলাচল নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে অবৈধভাবে ইজিবাইক আটকিয়ে অর্থ আদায় কিংবা চালকদের হয়রানি করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি ইজিবাইক চালকদের জীবিকা, নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের দাবিসহ মোট পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে আলমগীর হোসেন ও শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রওশন আরা রুবি।

মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন সুলতানপুর গ্রামের মৃত ফজলুর কাদেরের স্ত্রী রওশন আরা রুবি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দেবহাটা উপজেলার বালিথা ও বিল শিমুলবাড়িয়া মৌজার ‘ধাপার ঘের’-এ তাঁদের এসএ ও বিএস খতিয়ানভুক্ত মোট ৮ দশমিক ৩৩ একর পৈত্রিক সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর স্বামী ২০০২ সালে মৃত্যুবরণ করার পর অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে চাচা শ্বশুর আবুল কাশেমের উত্তরাধিকারীরা, যার মধ্যে ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত শরিফুল ইসলাম ও মামলাবাজ আলমগীর হোসেন রয়েছেন, জোরপূর্বক ওই সম্পত্তি দখল করে ভোগদখল শুরু করেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৮ সালে তাঁরা নিজস্ব সম্পত্তিতে পুনরায় দখল নেন এবং বর্তমানে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন। এরপর প্রতিপক্ষ একাধিক মামলা দায়ের করলেও পর্যায়ক্রমে বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। তিনি দাবি করেন, উচ্চ আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশ এখনো বহাল রয়েছে এবং এ অবস্থায় নিম্ন আদালতও মামলার কার্যক্রম স্থগিত রেখেছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আদালতে সুবিধা করতে না পেরে প্রতিপক্ষ বিভিন্ন দপ্তরে ভিত্তিহীন অভিযোগ দাখিল করছে এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। গত ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষের কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এদের মধ্যে তাঁদের সহযোগী মো: আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলার চার্জশিট রয়েছে (মামলা নং- ৭, তারিখ: ৬ নভেম্বর ২০২৫)। মামলার দিন আগামী ১২/৮/২০২৬। এছাড়া দেবহাটা থানায় শরিফুলদের অন্যতম সহযোগী আলমগীর, রনিসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির সুনির্দিষ্ট মামলা রয়েছে (মামলা নং-১৬/২৫)। মামলার দিন আগামী ০২/৯/২০২৬। এসব তথ্য গোপন রেখে একটি দলীয় পরিচয় ব্যভহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে জমি দখলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এ ঘটনায় মাননীয় পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন রওশন আরা রুবি।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় এক কৃষক ও এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে পানিতে ডুবে এবং দুপুরে বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধুমঘাট শীলতলা গ্রামের মৃত নারায়ণ বৈদ্যের ছেলে কৃষ্ণপদ বৈদ্য (৫০) সোমবার সকাল ১০টার দিকে চাষাবাদের কাজে মাঠে যাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত রাস্তার পাশের একটি পুকুরে পড়ে তলিয়ে যান। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর স্থানীয়রা পুকুর থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেন।

অপরদিকে, একই দিন দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ধুমঘাট মটেরচক গ্রামে বাড়ির পাশের ক্ষেতে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে খায়রুন্নেছা (৪০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল আজিজ গাজীর স্ত্রী।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবুল কালাম জানান, বজ্রপাতের ঘটনায় তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাফিউল আলম পাটোয়ারী পৃথক দুটি মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার দেবহাটায় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে কোটি টাকা মূল্যের পৈতৃক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলে রাখার অভিযোগে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের বিতর্কিত সাংগঠনিক সম্পাদক রওশন আরা রুবি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক প্রবাসী।

সোমবার (৩ আগস্ট, ২০২৬) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুলতানপুর এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে শরিফুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে শরিফুল ইসলাম অভিযোগ করেন বলেন, দেবহাটা থানার বালিথা মৌজার ‘ধাপার ঘের’ এলাকায় তাদের ৮.১৫ একর পৈতৃক ও রেকর্ডীয় সম্পত্তি রয়েছে (যার এসএ খতিয়ান নং- ৭৯, ৮০ এবং বিআরএস খতিয়ান নং- ৫৩০, ১৬৯, ১১০)। তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার সুযোগে ২০১৮ সালে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে রওশন আরা রুবি, তার ছেলে জায়েদ বিন কাদের ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী ওই জমি জবরদখল করে মৎস্য চাষ শুরু করে। ক্ষমতার দাপট ও ভয়ে এতদিন তারা মুখ খুলতে পারেননি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আরও জানান, গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর তিনি দেশে ফেরেন। গত ৩ জুলাই ২০২৬ সকালে পৈতৃক জমিতে গেলে রওশন আরা রুবি, তার ছেলে জায়েদ বিন কাদের, মাহাফুজ সরদার, বনি আমিন ও আব্দুল আলিমসহ ১০-১৫ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।

পরবর্তীতে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হলে দেবহাটা থানাকে বিষয়টি মীমাংসার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযুক্ত রুবি থানায় উপস্থিত না হয়ে উল্টো হুমকি-ধামকি দিতে থাকেন। এর পর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক, সদস্য সচিব এবং সাতক্ষীরা আদালতের জিপির উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক ডাকা হলেও সেখানে রুবি চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে বৈঠক ত্যাগ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রওশন আরা রুবি একাধিক বিয়ের মাধ্যমে এবং দলীয় পদ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তির সম্পদ দখল করে আসছেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও রুবির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অবৈধ দখলদারিত্ব এখনো বজায় রয়েছে।

আইন- আদালত ও তোয়াক্কা না করা এই আওয়ামী লীগ নেত্রীর হাত থেকে পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধার এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন পদধারী নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার ভোর রাতে সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন , পুরাতন সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসা পাড়া এলাকার মহিত গাজীর ছেলে ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ ওরফে আপন (২২), সুলতানপুর এলাকার খোকন মোল্যার ছেলে ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন আলম (২৭), এবং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. শামিম হোসেন (২৩)।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা নিয়মিত মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। তাদের গ্রেপ্তারের পর আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষ

জুলফিকার আলি :  সাতক্ষীরায় কলেজ শিক্ষক প্রভাষক পদ থেকে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতিতে সাতক্ষীরা জেলায় প্রতিনিধি হিসাবে মনোনয়ন পেয়েছেন সাতক্ষীরা সদরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ খলিলুর রহমান।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপি ও নীতিমালা ২০২৫ এর ১১.৪ এবং ১১.৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বেসরকারি কলেজে কর্মরত প্রভাষক পদ থেকে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রদানের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটিতে মহাপরিচালক মহোদয়ের সাতক্ষীরা জেলার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে গত ২৯ শে জুলাই   ৩৭.০২৪৭০০.০০০.০০১.১২.০১৬১.২৬.১৬১ নং স্মারকের প্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ খলিলুর রহমানকে এ মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা, খুলনা অঞ্চলের শিক্ষক পদোন্নতিতে সাতক্ষীরা জেলার প্রতিনিধি হিসেবে অধ্যক্ষ খলিল  এ দায়িত্ব পাওয়ায় অধ্যক্ষ মহোদয় কে অভিনন্দন জানিয়েছেন, কলেজটির শিক্ষক- শিক্ষিকা, মন্ডলী, কর্মচারী ও পরিচালনা কমিটির সহ সচেতনমহল।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় সাতক্ষীরা শহরের সঙ্গীতা মোড়ে অবস্থিত হোটেল টাইগার প্লাজার কমিউনিটি সেন্টারে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এস কে এম আবু রায়হান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জে এম দুদায়েভ মাসুদ খান অর্ঘ।

স্মরণসভায় বক্তারা জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের আত্মত্যাগ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। এ সময় বক্তারা গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছাত্রসমাজের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশ, গণতন্ত্র ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসিফ মাহমুদ রিপন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন, সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মানিক, শহর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমদাদুল হক বাবু ও আব্দুল্লাহ আল আমিন, সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর হোসেন অভি, শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম আবু, সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক গেলাম মোস্তফা, বেলাল, মিল্টন, দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফিরোজ হোসেন, তালা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এস কে ফারুক হোসেন, কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব পারভেজ ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিউল আলম মিলন, কলারোয়া পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোহাম্মদ শাহজুদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাব্বি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনারুল, সহ-সভাপতি আকবর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইভান, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক নাজমুল হোসেন সোহেল, সাবেক সদস্য সচিব আজমাউল হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাইমুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, তালা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রিপন ও বর্তমান সভাপতি সোহাগ, কেবিএ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রন্টি ও বর্তমান সভাপতি ইমরান, দেবহাটা কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি টিপু, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজান, মহাসিন কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ইয়াছিন আরাফাতসহ উজ্জ্বল, মাসুদ রানা, হাফিজ, মিনহাজ, মোর্তজা, তৌহিদ, জাকির, পলাশ, নাছিম, সাইদ, রিন্টু, জাহিদ, নাহিদ, জীবন এবং জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

শেষে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest