সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে খুলনায় তদন্ত সোমবারদেবহাটায় প্রবাসী নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অতিবর্ষণে জেলার ৩৮টি প্রাইমারি স্কুল বন্ধহাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৮৬স্কুল-কলেজে সিসিটিভি ও অনলাইন নজরদারি, মাউশির জরুরি নির্দেশনাশেষের ঝড়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে, প্রতিপক্ষ সেখানে ইংল্যান্ডপাহাড় ধস – বন্যা: নিহত ৪৪- ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশিযুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন সাতক্ষীরার বাঁশদহার কৃতি সন্তান নূরুল হাফিজসাতক্ষীরায় কচি কণ্ঠের আসরের কমিটি গঠন: বিপ্লব সভাপতি, মাহিদা সম্পাদকইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল্যায়নে খুলনা বিভাগের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মাননা অর্জন করল সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসা

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে খুলনায় তদন্ত সোমবার

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশ মল্লিকের বিরুদ্ধে ঘুষ না দেওয়ায় লাইসেন্স বাতিল করার ঘটনায় আজ ১৩ জুলাই সোমবার খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ে তদন্ত হবে। তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারি কমিশনার আবু সাঈদ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ১৯ মে ২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ‘প্রধান সহকারী’র গুরুত্বপূর্ণ পদটি শূন্য হয়। এর পরদিনই অর্থাৎ ২০ মে ২০২৬ তারিখে এক ভুক্তভোগী ঠিকাদার রাকেশ মল্লিকের বিরুদ্ধে তৎকালীন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দাবি কৃত ঘুষের টাকা না দেওয়ায় রাকেশ মল্লিক তাকে ঠিকাদারি লাইসেন্স প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করেছেন।
তবে উদ্বেগের বিষয় হলো যেদিন (২০ মে) রাকেশের বিরুদ্ধে ঘুষের লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে, ঠিক সেই দিনই জেলা পরিষদের মাসিক সভায় তাকে ‘প্রধান সহকারী’ পদে পদোন্নতি দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরদিন, ২১ মে পদোন্নতি কমিটির সভা দেখিয়ে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে (মাত্র ২ দিনের মধ্যে) রাকেশ মল্লিকের পদোন্নতির প্রস্তাব চূড়ান্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

একটি গুরুতর লিখিত অভিযোগ পেন্ডিং থাকা অবস্থায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে একজন বিতর্কিত কর্মচারীর পদোন্নতি ফাইল প্রস্তুত ও প্রেরণ করা হলো, তা নিয়ে খোদ জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগে আরও জানা যায়, জ্যেষ্ঠতার দিক থেকে রাকেশ মল্লিকের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন সফিকুল হক নামের অপর এক উচ্চমান সহকারী। নিয়মানুযায়ী শূন্য পদে সফিকুল হকেরই পদোন্নতি পাওয়ার কথা এবং তার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির লিখিত অভিযোগও নেই। অথচ এক রহস্যময় কারণে সফিকুল হককে দীর্ঘদিন যাবৎ সাময়িক বরখাস্ত করে রাখা হয়েছে। সফিকুল হক তার বরখাস্তের বিষয়ে অনেক আগেই লিখিত জবাব দাখিল করলেও জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ তা নিষ্পত্তির কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের এই নজিরবিহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট একটি আবেদন জমা পড়েছে। আবেদনে আওয়ামী স্বৈরাচারী সরকারের দোসর, বিতর্কিত ও ঘুষখোর কর্মচারী রাকেশ মল্লিকের এই অবৈধ পদোন্নতি প্রস্তাব অবিলম্বে বাতিল করার জোর দাবি জানানো হয়েছে। একই সাথে, জেলা পরিষদের কাজের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনতে তাকে অনতিবিলম্বে সাতক্ষীরা থেকে অন্যত্র বদলি করার এবং বঞ্চিত সিনিয়র কর্মকর্তা সফিকুল হকের বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় প্রবাসী নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার 
দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার চক মোহাম্মাদালীপুর গ্রামে সাহানারা বেগম (৩৮) নামের এক নারী ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দেবহাটা থানায় ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নাম্বার ১৪
নিহত ওই নারী সখিপুর ইউনিয়নের চক মোহাম্মাদালীপুর গ্রামের মৃত জাহিদ হোসেনের স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় ওই নারী নিজ বাড়ির একটি কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে সোমবার দেবহাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে তাঁর স্বামী মরহুম জাহিদ আলম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে তিনি বিদেশে যান। সম্প্রতি দেশে ফিরে আসেন ওই নারী। তবে কী কারণে এই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিতভাবে কোনো কারণ জানাতে পারেননি।
এ বিষয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলীম জানান, “ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।”
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অতিবর্ষণে জেলার ৩৮টি প্রাইমারি স্কুল বন্ধ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়াজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণ,ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কার,অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ, বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, যানজট নিরসনে বাস থামার স্থান চিহিৃতকরণ,মাদকবিরোধী অভিযান ব্যবস্থা জোরদারকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সভায় পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম, সিভিল সার্জন আব্দুস সালাম,জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল,সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান,জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ শাহীন, প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। পরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয়,জলাবদ্ধতায় জেলায় ৩৮টি প্রাইমারি স্কুল বন্ধ রয়েছে। অতিবর্ষণে ৬ হাজার হেক্টর জমির আউশ ধান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়া ১শ’ ২৭টি মাছের ঘের ভেসে গেছে,যার আনুমানিক ্ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা। তবে সাতক্ষীরা জেলায় এখন বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানানো হয়। আগামীতে দুর্যোগ এলে তা মোকাবেলায় সম্পুর্ণ প্রস্তুত জেলা প্রশাসন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৮৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক :  দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৭৮৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে সরাসরি হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫৩ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৭০২ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। ফলে ১৫ মার্চ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ১০ হাজার ৬০১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। একই সময়ে মোট ১৩ হাজার ৪১০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে মোট ৯৩ হাজার ৪৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮৯ হাজার ৭৬২ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা হাম প্রতিরোধে শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্কুল-কলেজে সিসিটিভি ও অনলাইন নজরদারি, মাউশির জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক : শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে সেন্ট্রাল অনলাইন মনিটরিং সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

এ লক্ষ্যে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজের প্রধানদের জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ক্রবার জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে মাউশি জানায়, অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কার্যকর তদারকি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কেন্দ্রীয় অনলাইন মনিটরিং সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

এ কারণে সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজের প্রধানদের আগামী ১৩ জুলাই বিকেল ৪টার মধ্যে নির্ধারিত গুগল ফর্মে (https://forms.gle/2jEaP9MDfmj8VD7y7) প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।

মাউশি আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য প্রদান করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অধিদপ্তর বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে দ্রুত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষের ঝড়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে, প্রতিপক্ষ সেখানে ইংল্যান্ড

অনলাইন ডেস্ক :

শেষের ঝড়ে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

দশ মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার লিড এনে দিলে জয়ের স্বপ্ন বুঁনতে থাকে আলবিসেলেস্তেরা। কিন্তু লড়াইয়ের ৬৭ মিনিটে স্কোর লেভেল করেন সুইজারল্যান্ডের দান এনদোয়ে।

পাঁচ মিনিট বাদেই ব্রিল এম্বোলো লাল কার্ড দেখলে দশ জনে পরিণত হয়ে যায় সুইসরা। নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এক্সট্রা টাইমের ১১১ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেসের গোলও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। ইনজুরি টাইমে জয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে দেন লাউতারো মার্তিনেজ। শেষ চারের ম্যাচে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা লড়বে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাহাড় ধস – বন্যা: নিহত ৪৪- ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি

অনলাইন ডেস্ক :
বন্যা ও পাহাড় ধসে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৪৪ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় জানায়, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সৃষ্ট দুর্যোগে সাত জেলায় ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলা বন্যার কবলে পড়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাত জেলার ৫৮টি উপজেলা, ৩৮৬টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় পানিবন্দি হয়েছে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বন্যা ও পাহাড় ধসে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে। সেখানে পাহাড় ধস ও বন্যায় ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১০ জন স্থানীয় বাসিন্দা, ১৩ জন রোহিঙ্গা নাগরিক। কক্সবাজারে আহত হয়েছে ২৪ জন।

বিভাগীয় শহর চট্টগ্রামে বন্যা ও দেয়াল ধসের ঘটনায় ১১ জন নিহত, ১২ জন আহত হয়েছে। পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ঢলের পানিতে ভেসে ও পাহাড় ধসে ৬ জন প্রাণ হারিয়েছে, আহত হয়েছে ২ জন। রাঙামাটিতে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। মৌলভীবাজারে বন্যায় ১ জন নিহত হয়েছে।

পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা। ১৬টি উপজেলায় আংশিক ও পূর্ণ জলাবদ্ধতায় ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৫৩০ জন মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছে। চট্টগ্রামে পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কক্সবাজারে; সেখানে ১০টি উপজেলার ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭ জন মানুষ বন্যাকবলিত, ৩৯ হাজার ৫০৬টি পরিবার পানিবন্দি।

অন্যান্য জেলার মধ্যে খাগড়াছড়ির ৯ উপজেলায় ২৭ হাজার ২২০ জন, রাঙামাটির ৯ উপজেলায় ৩ হাজার ৫২৪ জন, বান্দরবানের ৭ উপজেলায় ৮ হাজার ৩৫০ জন, মৌলভীবাজারের ৪ উপজেলায় ৩৮ হাজার ১৭২ জন, হবিগঞ্জের ৩ উপজেলায় ২৮ হাজার ১৪০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হঠাৎ উপচে পড়া পানি ও পাহাড়ি ঢলে ঘরবাড়ি হারিয়ে জীবন বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে হাজারো মানুষ। সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি আশ্রয় দিতে মোট ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে। এসব কেন্দ্রে ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু মানুষ এখনো জলমগ্ন ভিটেমাটি আঁকড়ে আছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বিপন্ন মানুষের মাঝে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি মানবিক সহায়তা জোরদার করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় গত ৭ জুলাই দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে ৬ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন চাল ও ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা নগদ বরাদ্দ দিয়েছে। এর মধ্যে দুর্গত সাত জেলায় বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জরুরি ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।

বন্যা কবলিত জেলাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ৭০০ মেট্রিক টন চাল ও ৪০ লাখ টাকা নগদ এবং কক্সবাজারে ৪৫০ মেট্রিক টন চাল ও ৩০ লাখ টাকা নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য তিন জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবানের প্রতিটিতে ৪০০ মেট্রিক টন চাল ও ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ মিলেছে। মৌলভীবাজারে ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা এবং হবিগঞ্জে ১০০ মেট্রিক টন চাল ও ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গত এলাকায় শুকনো খাবার, চাল ও নগদ টাকা বিতরণ শুরু হলেও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় অনেক জায়গায় সরকারি-বেসরকারি সাহায্য পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে। বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ এখন পানি কমার অপেক্ষায় দিন গুনছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন সাতক্ষীরার বাঁশদহার কৃতি সন্তান নূরুল হাফিজ
জুলফিকার আলি :
বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন  সাতক্ষীরার বাঁশদহর পাঁচরখী গ্রামের  কৃতি সন্তান নূরুল হাফিজ রাজু।
তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়নের পাঁচরখী গ্রামের মোঃ বাবর আলী মাষ্টার ও মোছা: জেবুনেচ্ছা খাতুনের  জ্যৈষ্ঠ পুত্র।
  তিনি বর্তমানে  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন)  হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেছেন । বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ১৭২ জনকে পদোন্নতি দিয়ে যুগ্ম সচিব করার তথ্য জানানো হয়।
তিনি বিসিএস (প্রশাসন)  ক্যাডারের ২৫ তম ব্যাচের কর্মকর্তা।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest