সর্বশেষ সংবাদ-
ফের মিশর মাতাবেন শাকিরাফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মিসরের, শাস্তির মুখে পড়তে পারেন কোচ হোসামসাতক্ষীরার কালিগঞ্জে গাঁজাসহ ক্রেতা – বিক্রেতা আটকপাহাড়ধসে বান্দরবান ও কক্সবাজারে ৭ জনের মৃত্যুকলারোয়ায় দুই ইউপি সদস্যসহ চার মাদক ব্যবসায়ী আটকআশাশুনিতে জলবায়ু অভিযোজন প্রচারাভিযান উপলক্ষে র‌্যালি-আলোচনা সভাকলারোয়ায় আমেরিকা প্রবাসী দম্পতির সহযোগিতা বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পইরানের ভয়ে মার্কিন ঘাঁটি ইসরাইলে সরিয়ে নিতে বললেন সাবেক সেন্টকম প্রধানসাতক্ষীরায় যানজট নিরসনকল্পে সভা : একগুচ্ছ পদক্ষেপে যানজট নিয়ন্ত্রণে আনার আশাবাদশ্যামনগরে বিজিবি সদস্যের বাড়িতে চুরি: র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার আসামির জন্য রাজনৈতিক তদবির!

ফের মিশর মাতাবেন শাকিরা

বিনোদন ডেস্ক : লাতিন পপ সম্রাজ্ঞী শাকিরা প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ বিরতির অবসান ঘটিয়ে আবারও মিশরের ঐতিহাসিক গিজার পিরামিডে সুরের জাদু ছড়াতে আসছেন।আগামী ২৮ নভেম্বর বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্যতম এই অনিন্দ্যসুন্দর ভেন্যুতে মঞ্চ মাতাবেন তিনি। সর্বশেষ ২০০৭ সালে এই একই স্থানে পারফর্ম করেছিলেন এই কলম্বিয়ান সুপারস্টার।

মিশরে নিজের এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন খোদ শাকিরা। এক বিবৃতিতে ভক্তদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমি মিশরের গিজার পিরামিডে পারফর্ম করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। আমি আপনাদের সবাইকে ভালোবাসি।”

পপ-মিউজিকের এই রানীর আগমনকে কেন্দ্র করে এখনই মিশরের সাধারণ দর্শক এবং বিশ্বজুড়ে থাকা তার ভক্তদের মাঝে তুমুল উন্মাদনা ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বিনোদন সংস্থা ‘ভেঞ্চার লাইফস্টাইল’-এর আয়োজনে এই মেগা কনসার্টটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এর আগেও প্রতিষ্ঠানটি জেনিফার লোপেজ, জন লিজেন্ড, কেটি পেরি এবং ডেমি লোভাটোর মতো বিশ্বখ্যাত তারকাদের মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে এসে দারুণ সব কনসার্ট উপহার দিয়েছে।

চলতি বছর শাকিরা তার নতুন অ্যালবাম ও বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় ‘লাস মুজেরেস ইয়া নো লোরান’ ইরা বা অধ্যায় নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

 তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীতাঙ্গন কাঁপানো এই গায়িকা বিশ্বজুড়ে ৯৫ মিলিয়নেরও বেশি রেকর্ড বিক্রি করেছেন। তার ঝুলিতে রয়েছে একাধিক গ্র্যামি এবং লাতিন গ্র্যামি পুরস্কার। সম্প্রতি ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ট্র্যাক লিস্টে জায়গা করে নিয়েছে তার নতুন গান ‘দাই দাই’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মিসরের, শাস্তির মুখে পড়তে পারেন কোচ হোসাম

স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে নাটকীয়ভাবে হেরে বিদায় নেওয়ার পর ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানিয়েছে মিসর। একই সঙ্গে তারা আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ পরিচালনা করা রেফারি ও পুরো ম্যাচ অফিশিয়ালদের টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

মিসরের কোচ হোসাম হাসানের অভিযোগ, ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে এবং ডালাসভিত্তিক ভিএআর দল মিলে ম্যাচটি ‘পাতানো’ ছিল।

ম্যাচে মিসরের স্ট্রাইকার মোস্তফা জিকোর একটি গোল মাঠের অনেক দূরের একটি ফাউলের কারণে বাতিল করা হয়। এরপর আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে মিসর দুটি পেনাল্টির দাবি জানালেও কোনোটি দেওয়া হয়নি।

এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হোসাম বলেন, ‘যদি তারা এতটাই চায় যে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতুক, তাহলে অন্য সবাইকে এসে এই টুর্নামেন্টে খেলার জন্য ডাকারই বা প্রয়োজন কী?’

এরপর বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এগিয়ে আসে মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)। ফিফার কাছে তদন্তের আবেদন জানিয়ে তারা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা নীরব থাকতে পারি না। ম্যাচের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা গুরুতর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে এবং এমন প্রশ্ন তুলেছে, যা ম্যাচের গতিপথে সরাসরি প্রভাব ফেলা সিদ্ধান্তগুলোর ধারাবাহিকতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করে।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ’মিসরীয় ফুটবল সবসময় ফেয়ার প্লে, ক্রীড়া সততা এবং খেলাটির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছে। এই নীতিতে আমাদের চাওয়া, সব দল সমান সুযোগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবং সমান আচরণ পাবে। ম্যাচে যা ঘটেছে, তা আমাদের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকদের মধ্যে গুরুতর রেফারিং ভুল এবং দ্বৈত মানদণ্ড নিয়ে ব্যাপক হতাশার জন্ম দিয়েছে। স্পষ্টভাবেই ভিএআরের বেশ কিছু বড় ভুল ছিল। গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফুটেজ পর্যালোচনা না করার সিদ্ধান্তও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।’

মিসর আরও জানায়, ‘এসব ভুল এবং মিসর জাতীয় দলের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তদন্তের পর আমরা রেফারি ও পুরো ম্যাচ পরিচালনাকারী দলকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছি।’

এদিকে, হোসাম হাসানও নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। ম্যাচ চলাকালে লিওনেল মেসির সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বাক্যবিনিময়ের পর তিনি দুই হাত মাথার ওপর ক্রস করে ফিফার বর্ণবাদবিরোধী ‘এক্স’ সংকেত দেখান।

দ্য সানের দাবি, এই অঙ্গভঙ্গির কারণে হোসাম শাস্তির মুখে পড়তে পারেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই সংক্ষিপ্ত বাক্যবিনিময়ে মেসি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘তোমার সমস্যা কী?’ তবে এই কথোপকথন কিংবা সম্ভাব্য শাস্তির বিষয়ে এখন পর্যন্ত ফিফার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে গাঁজাসহ ক্রেতা – বিক্রেতা আটক

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে গাঁজা বিক্রির সময় হাতেনাতে আটক হয়েছে মাদক কারবারি নিরঞ্জন বিশ্বাস (৫৯) এবং মাদকসেবি আরাফাত সরদার (২০)।

বৃহস্পতিবার (৯জুলাই) বেলা দেড়টার দিকে নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান পাড় এর নেতৃত্বে নলতা চৌমুহনী বাজার এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নলতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান পাড়ের নেতৃত্বে স্থানীয় জনতা নলতা এলাকার বিশ্বনাথ বিশ্বাসের ছেলে নিরঞ্জন বিশ্বাসের চৌমুহনী বাজারে অবস্থিত চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে গাঁজা বিক্রিকালে ১শ’ গ্রাম গাঁজাসহ নিরঞ্জন বিশ্বাস এবং উপজেলার তারালী এলাকার আলমগীর সরদারের ছেলে মাদকসেবি আরাফাত সরদারকে আটক করে। থানায় খবর দিলে উপ-পরিদর্শক সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ গাঁজাসহ নিরঞ্জন বিশ্বাস ও আরাফাত সরদারকে থানায় নিয়ে আসেন।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাহাড়ধসে বান্দরবান ও কক্সবাজারে ৭ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক :  টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজার ও বান্দরবানে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসে একই এলাকার পাঁচজন ও কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চকরিয়ার ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহত দুই শিশুর মা।

বৃহস্পতিবার ভোররাতে এসব ঘটনা ঘটে।

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহতরা হলেন— মো. ইউনুস (৪০), স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) ও পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান। অপর ঘটনায় নিহত হয়েছেন স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোরের দিকে পাহাড়ধসের পর মানুষের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, একই এলাকায় পৃথক দুই ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে, চকরিয়া উপজেলার মছনিয়াকাটা এলাকায় পাহাড়ধসে একটি পরিবারের মা ও দুই সন্তান মাটিচাপা পড়েন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মায়ের চিকিৎসা চলছে।

চকরিয়ার ইউএনও শাহীন দেলোয়ার বলেন, “ভোররাতে পাহাড়ধসের খবর পেয়ে প্রশাসন ঘটনাস্থলে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত দুই শিশুর পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। আহত মাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে টানা বর্ষণে লামাসহ বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হলেও অনেকেই সেখানে যেতে অনাগ্রহী।

এছাড়াও টানা বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় দুই ইউপি সদস্যসহ চার মাদক ব্যবসায়ী আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দুই ইউপি সদস্যসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বিজিবি।

বুধবার দুপুরের দিকে চন্দনপুর এলাকার একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে মাদকসহ তাদের আটক করে খুলনা ২১ বিজিবির সদস্যরা।

আটককৃতরা হলেন, কলারোয়া চান্দুড়িয়া গ্রামের মৃত ইমানুর রহমানের পুত্র ও চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য মোস্তফা ফারুক কবির, ২নং ওয়ার্ডের মেম্বর ও কাদপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের পুত্র নিজাম উদ্দীন মন্টু, একই গ্রামের মৃত সামসুর রহমানের পুত্র দেলোয়ার হোসেন, চান্দুড়িয়া গ্রামের মোহাম্মাদ আলীর পুত্র আব্দুস সালাম।

খুলনা ২১ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্ণেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, সুবেদার সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা কলারোয়া চন্দনপুর এলাকার সোহাগ ডাক্তারের দোকানের মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় সেখানে থাকা দুই ইউপি সদস্যরাসহ চারজনকে তল্লাশী করে ৪৬টি পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং তাদের কাছে ৫টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে জলবায়ু অভিযোজন প্রচারাভিযান উপলক্ষে র‌্যালি-আলোচনা সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আশাশুনিতে জলবায়ু অভিযোজন প্রচারাভিযান ২০২৬ উপলক্ষে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১ টায় ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন ও নেটজ বাংলাদেশের আর্থিক সহযোগিতায় এবং বারসিকের আয়োজনে আাশাশুনি উপজেলা পরিষদ কার্যালয় থেকে র্যালী অনুষ্ঠিত হয়ে উপজেলা মডেল মসজিদে গিয়ে শেষ হয় এবং মডেল মসজিদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায়া এনগেজ প্রকল্পের উপজেলা সিএসও সভানেত্রী সাহেলা পারভিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজলো সমাজ সেবা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জিব দাস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যান ব্যানার্জী, ডিবিসি’র জেলা প্রতিনিধি এম বেলাল হোসাইনসহ অন্যরা।
বারসিকের উপজেলা ম্যানেজার আসাদুল ইসলামের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, এনগেজ প্রকল্পের এরিয়া অফিসার রোকসানা পারভিন, এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন বারসিকের জেলা সমন্বয়কারী মাসুম বিল্লাহ, বাবলু জোয়ারদার, প্রবীর কুমার, ফাতেমা খাতুন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, উপকূলীয় এলাকায় টিকে থাকতে হলে গাছ লাগানোর বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগিয়ে থেমে থাকলে চলবে না। গাছকে বাঁচাতে হবে। তেমন পরিবেশের বিপর্যয় রোধ করতে অবশ্যই প্লাস্টিক ব্যবহার করাতে হবে। পলেথিনের পরিবর্তে পাট বা কাপড়ের ব্যবহার বাড়াতে হবে। #

##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় আমেরিকা প্রবাসী দম্পতির সহযোগিতা বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প

কলারোয়া প্রতিনিধি: আমেরিকা প্রবাসী দম্পতির সার্বিক সহযোগিতা বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার গয়াল চাতর আমেরিকা প্রবাসী দম্পতির সার্বিক সহযোগিতা বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে এলাকার তিন শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ প্রদান ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা প্রদান করা হয়।

ক্যাম্পে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শফিকুল ইসলাম, মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমেন সরকার এবং ডা. ফারজানা রহমান রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেন। তারা রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও বিনামূল্যে ওষুধ প্রদান করেন।

আয়োজকরা বলেন গ্রামের অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতেই আমাদের এই উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “অনেক মানুষ নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারেন না। এ ধরনের মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে তারা সহজেই স্বাস্থ্যসেবা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ওষুধ পাচ্ছেন। সবাইকে স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার আহ্বান জানাই।

চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা বলেন, “বিনামূল্যে ডাক্তার দেখাতে পেরে খুবই উপকৃত হয়েছি। ওষুধ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষাও বিনামূল্যে হয়েছে। এমন আয়োজন আমাদের মতো মানুষের জন্য অনেক উপকারে আসে।”

মেডিকেল ক্যাম্প বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন মো. আলমগীর হোসেন (আমেরিকা প্রবাসী) ও যুবসমাজকে স্থানীয়রা এ উদ্যোগের প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও নিয়মিত এমন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইরানের ভয়ে মার্কিন ঘাঁটি ইসরাইলে সরিয়ে নিতে বললেন সাবেক সেন্টকম প্রধান

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা করতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইসরাইল এবং তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে স্থানান্তরিত করা দরকার। গত সপ্তাহে এক ওয়েবিনারে এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সাবেক প্রধান জেনারেল ফ্রাঙ্ক ম্যাকেঞ্জি।

কাতারের আল-উদেইদ সামরিক ঘাঁটির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ সেন্টকমের অগ্রবর্তী সদর দফতরকে ইরান থেকে মাত্র ১০০ মাইল দূরে (কাতারে) স্থাপন করবে না। অথচ বর্তমানে সেটি সেখানেই রয়েছে।’

২৮ মার্চ ২০১৯ থেকে ১ এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ম্যাকেঞ্জি জানান, ২০২২ সালে তিনি এবং অন্য কর্মকর্তারা বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করেছিলেন। তারা বলেছিলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার এবং বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলার মুখে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই মার্কিন বাহিনীকে পশ্চিম দিকে, বিশেষ করে ইসরাইলে নিয়ে যাওয়া উচিত।

ম্যাকেঞ্জি বলেন, ‘আমরা বাইডেন প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলাম যেন ঘাঁটিগুলো পশ্চিমে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়, যার মধ্যে ইসরাইল ও মিশর অন্তর্ভুক্ত, যাতে ইরানের সাথে যুদ্ধ লাগলে আমরা দ্রুত পশ্চিমে সরে যেতে পারি।’ তবে বাইডেন প্রশাসন এই প্রস্তাবটিকে নাকচ করে দিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ঘাঁটি ব্যবস্থা অতীতের ধারাবাহিকতায় চলছে। এটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের সময়ের উত্তরাধিকার, যখন যুক্তরাষ্ট্র তেল-সমৃদ্ধ আরব উপসাগরীয় দেশগুলোতে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন নিয়ে চিন্তিত ছিল। পরে ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন বিদ্রোহবিরোধী অভিযানের সময়ও এগুলো ব্যবহৃত হয়েছিল। ম্যাকেঞ্জির মতে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কৌশল মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার সাথে মিলছে না।’

ইরান কার্যত মার্কিন বাহিনীকে উপসাগরীয় উপকূল থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে। এর আগে ‘মিডল ইস্ট আই’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরান উপর্যুপরি আঘাত হানার পর গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের তায়েফ বিমান ঘাঁটিতে প্রবেশাধিকার পায়। এছাড়া পারস্য উপসাগরীয় উপকূলের আরও পূর্বে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোও ইরানের তীব্র হামলার শিকার হয়েছে।

ইরান বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি, কাতারে অবস্থিত সেন্টকমের সদর দফতর এবং কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানায়।

স্যাটেলাইটের ছবি দেখে ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মূল্যায়ন করা কঠিন উল্লেখ করে ম্যাকেঞ্জি সতর্ক করেন, ‘একটি ঘাঁটির হ্যাঙ্গার, রাডার বা ব্যারাক ধ্বংস হলেও এর ভূগর্ভস্থ জ্বালানি ব্যবস্থা এবং রানওয়ে অক্ষত থাকতে পারে, যা দিয়ে যুদ্ধবিমান ওঠানামা করতে পারে। পরিস্থিতি এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, শত্রুর কাছাকাছি থাকা ভালো, কারণ যুদ্ধে দ্রুত যোগ দেওয়া যায়; কিন্তু আবার শত্রুর কাছাকাছি থাকা খারাপও, কারণ সে আপনাকে খুব দ্রুত আঘাত করার ক্ষমতা রাখে।’

অবশ্য আরব মিত্রদের সাথে সংহতি বজায় রাখতে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন উপস্থিতি বজায় রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন ম্যাকেঞ্জি। তবে তার প্রস্তাব, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় ঘাঁটিগুলোকে কেবল জ্বালানি নেওয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদী ঘাঁটি হিসেবে ইসরাইল, মিশর ও সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলকে বেছে নিতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের পশ্চিমের দিকে তাকাতে হবে, ইসরাইলে ঘাঁটি গড়ার কথা ভাবতে হবে। আমি মনে করি এটি একটি চমৎকার আইডিয়া।’

ম্যাকেঞ্জির মতে, অন্যান্য দেশের তুলনায় ইসরাইলকে বেছে নেওয়া ভালো, কারণ সেখানে প্রবেশাধিকার, ঘাঁটি স্থাপন এবং আকাশসীমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম বিধিনিষেধের মুখোমুখি হতে হবে। এছাড়া উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় ইসরাইল উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারবে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest