সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুসুন্দরবনের নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল ১০ কেজির বিরল কচ্ছপসাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরন

সাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় হারিয়ে যাওয়া ২৪টি মোবাইল ফোন ও বিকাশের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়া৩৮ হাজার টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে সোমবার সকালে এসব ফোন ও টাকা হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম।

এসময় পুলিশ সুপার বলেন, সাতক্ষীরা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের চৌকস টিম চলতি বছরের জুন মাসের আগে হারিয়ে যাওয়া ২৪টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে দেশের বিভিন্ন স্থান হতে উদ্ধার করে। এছাড়া বিকাশের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়া ৩৮ হাজার টাকা উদ্ধার করে ৩ জন ভুক্তভোগীর হাতে প্রদান করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, সাতক্ষীরায় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল চালু হওয়ার পর থেকে খোয়া যাওয়া ১ হাজার ৭শ’ ৩টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রতারিত হওয়া প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ভুক্তভোগীদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনূর রহমান,মিথুন সরকার প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়াজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় সীমান্তে পুশ ইন বন্ধে বিজিবির কঠোর অবস্থান বজায় রাখা,বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, যানজট নিরসনে বাস থামার স্থান চিহিৃতকরণ,মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারকরণ,সুন্দরবনে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারকরণ,সরকারি খাস জমি উদ্ধার, অনলাইন জুয়া ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তৎপরতা বন্ধে পুলিশী ব্যবস্থা জোরদারকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম, সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান,সিভিল সার্জন আব্দুস সালাম,জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ,যুগ্ন আহবায়ক ড. মনিরুজ্জামান,জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল,প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাংবাদিকদের উপর হামলা-মামলা-হুমকির প্রতিবাদে শ্যামনগরে মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব। সাংবাদিক মিজানুর রহমানকে প্রকাশ্যে জীবনাশের হুমকি এবং সাংবাদিক আজিম হোসেনের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড চত্বরে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শ্যামনগরের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত অর্ধশতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন।

মানবন্ধনে সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ছামিউল আযম মনির। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জী।

এ সময় বক্তব্য রাখেন ডিবিসির জেলা প্রতিনিধি এম, বেলাল হোসাইন, চ্যানেল নাইন জেলা প্রতিনিধি মাহমুদ হাসান, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস, এম, মোস্তফা কামাল, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি গাজী আল ইমরান, সুন্দরবন প্রেস ক্লাব সভাপতি বেলাল হোসেন, উপকূলীয় প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক হুদা মালী প্রমূখ।

সাংবাদিক আব্দুল আহাদ এর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “সাংবাদিক মিজানকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া মানে শ্যামনগরের সকল সাংবাদিককে হুমকি দেওয়া। আর আজিমের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে কলমকে থামানো যাবে না। সাংবাদিকরা জনগণের কথা বলে। তাদের উপর হামলা-মামলা হলে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়ে। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনুন। প্রয়োজনে শ্যামনগরের সকল সাংবাদিক কর্মবিরতি ও বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে। কলমের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরলে শ্যামনগরের মানুষ তা মানবে না।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ড

শ্যামনগর  প্রতিনিধি:  সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দুর্গাবাটি মন্দিরসংলগ্ন ঝাপারচর এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় একটি বাল্কহেড জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুইজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) সকাল আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি)-এর একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্পিডবোটযোগে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় একটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়। জব্দকৃত বালুর পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার ৩০০ ঘনফুট, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৬৭ হাজার ২০০ টাকা।

পরে বাল্কহেডটি বিজিবির পল্টন ঘাট এলাকায় নিয়ে আসা হলে খবর পেয়ে শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসেন এবং বুড়িগোয়ালিনী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মারুফ হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তদন্ত শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়।

আদালত অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর গ্রামের মৃত আফসার আলীর ছেলে মো. নজরুল ইসলামকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী গ্রামের জিল্লুর গাজীর ছেলে মো. আক্তারুল জামান (৩০)-কে ১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এছাড়া বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত সাতটি পিভিসি পাইপ ভেঙে আগুন দিয়ে ধ্বংস করা হয়। পরে দণ্ডপ্রাপ্তদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

অভিযানের বিষয়ে নীলডুমুর ১৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহারিয়ার রাজিব বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকালে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে দুইজনকে আটক করা হয় জব্দকৃত বাল্কহেডটি তাদের পল্টনসংলগ্ন এলাকায় রাখা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যু

জুলফিকার আলি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ওয়ারিয়া ও পাথরঘাটা গ্রামে দুই শিশুর করুন মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০ টায় ইউনিয়নের ওয়ারিয়া গ্রামের আব্দুর রহিমের শিশু পুত্র শান্ত (৫)পানিতে ডুবে মারা যায়।
ঘটনার বিবরণে ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিনে শান্ত তার দাদার সাথে স্থানীয় মাঠে ঘেরে মাছ ধরতে যায় এবং মাছ ধরা শেষে মাছের প্যাকেট নিয়ে বাড়ির দিকে দৌড় দেয় এবং দাদাকে বলে আমি বাড়ি যাই । দাদা এ সময় ঘেরের কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরে শান্তকে খোজ করেন। শান্তকে না পেয়ে সবাই মাঠের দিকে খুঁজতে যায়। খোঁজা খুঁজির এক পর্যায় শান্তকে পানিতে ডুবা অবস্থায় দেখতে পায় ।

উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে নিলে ডাক্তার শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
অপরদিকে দক্ষিণ পাথরঘাটায় বেত্রাবতী নদীর পানিতে ডুবে মাহিম হোসেন নামের আড়াই বছরের আরেক শিশুর করুন মৃত্যু হয়।

শনিবার দুপুর ২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।শিশু মাহিম হোসেন দক্ষিণ পাথরঘাটা গ্রামের কাচামাল ব্যবসায়ী আশরাফুল ইসলামের ছোট পুত্র।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শিশুটির মা সাংসারিক কাজে ব্যস্ত ছিল। হঠাৎ মাহিমের খোঁজ না পেয়ে বাড়ির চারপাশে খোঁজাখুঁজি করতে শুরু করে। পরে বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বেত্রাবতী নদীতে শিশুটির মৃতদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়।
একই দিনে একই এলাকায় দুজন শিশুর এমন করুন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহরে শরিফুল ইসলাম নামের এক যুবককে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে মাথা ও ডান হাতের আঙ্গুলে গুরুতর জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত শরিফুল বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

তার মাথায় ৭টি সেলাই এবং ডান হাতের একটি আঙ্গুলের নখ তুলে নেয়ায় সেখানে ব্যান্ডেজ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত শরিফুলের বাবা ফজলুর রহমান বাদী হয়ে  শনিবার দুপুরে সন্ত্রাসী হাবিব দাই ও ইউনুছ দাইসহ তিন জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে গত ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) বিকালে ধুলিহর বাজারের সাহেব বাড়ীর মোড়ে এ মারপিটের ঘটনাটি ঘটে।

এ মামলার আসামীরা হলো, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর বেড় বাড়ী এলাকার কাশেম দাইয়ের ছেলে হাবিব দাই (৪৪) ও ইউনুছ দাই (৪৭) এবং হাবিব দাইয়ের কন্যা মোছাঃ হাবিবা (১৯)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শরিফুল ইসলাম (২৭) এর সাথে ১নং আসামী হাবিবের সাথে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ৮ জুন ২০২৬ তারিখে কথাকাটাকাটি হয়। এর ফলে আসামীরা শরিফুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা ও মারাত্বক জখমের পরিকল্পনা করতে থাকে। একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৪টার দিকে শরিফুল পাশ^বর্তী ধুলিহর বাজারের সাহেব বাড়ীর মোড়ে কালা দর্জির দোকানের সামনে পৌছালে আসামীরা খুন জখমের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তার পথরোধ করে এলোপাড়াড়ি ভাবে মারপিট করতে থাকে। একপর্যায়ে ১নং আসামী হাবিব তার হাতে থাকা ইট দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে শরিফুলের মাথায় আঘাত করলে অত্র আঘাত লক্ষভ্রষ্ট হয়ে তার কাধে লাগে। সাথে সাথেই সে আবারো হত্যার উদ্দেশ্যে তার হাতের ইট দ্বারা শরিফুলের মাথা লক্ষ করো আঘাত করলে অত্র আঘাত তার মাথার মাঝ বরাবর বাম পাশের্^ লেগে মারাত্বক কাটা জখম হয় (যা ৭টি সেলাই যুক্ত) এত তার শরীর রক্তে ভিজে যায় এবং মাটিতে পড়ে যায়। এসময় ২নং আসামী ইউনুছ দাত দিয়ে শরিফুলের ডান হাতের তর্জনী আঙ্গুলের অগ্রভাগে কামড় দিয়ে নখসহ প্রায় ১ ইঞ্চি পরিমান বিচ্ছিন্ন করে মারাত্বক জখম করে। এসময় ১নং আসামী হাবিব তার হাতে থাকা ইট দিয়ে শরিফুলের বাম হাতের অনামিকা আঙ্গুল আঘাত করে মারাত্বক জখম করে। যার ফলে তার ওই আঙ্গুলের নখ নষ্ট হয়। ৩নং আসামী হাবিবা এসময় ইট দিয়ে শরিফুলের কোমরে উপর্যুপুরী আঘাত করে মারাত্বক জখম করে। ২নং আসামী ইউনুছ এসময় গলা চেপে ধরে রাখায় শরিফুল ছটফট করতে থাকলে ধুলিহর সানা বাড়ি এলাকার (স্বাক্ষী) কামরুল ইসলাম, শামীম ও শাহিন গাজী উক্ত আসামীদের কবল হতে শরিফুলকে উদ্ধার করে। একপর্যায়ে এ মামলার বাদী ফজলু রহমান ও তার স্ত্রী সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসলে আসামীরা তাদের খুন জখমের মারাত্বক হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এরপর তারা তাদের সন্তানকে গুরুতর আহত অবস্থায় ইজিবাইক যোগে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। শরীফুল বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এজাহারে তিনি আরো উল্লেখ করেন, চিকিৎসা কাজে ব্যস্ত থাকায় থানায় এজাহার দায়ের করিতে বিলম্ব হয়েছে। তিনি এসময় পুলিশ প্রশাসনের কাছে আসামীদের গ্রেপ্তার পূর্বক সর্বেচ্চ শাস্তির জোর দাবী জানান।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহাদাত মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি:পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ।

শনিবার ( ১৩ জুন ) দুপুর সাড়ে ১২ সাতক্ষীরার শহরেরর বুক চিরে বয়ে যাওয়া প্রাণসায়েরের খালের দুই পাশে জুড়ে বৃক্ষরোপণ করা হয়।
এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মো. মইনুল ইসলাম খান, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সহকারি বন সংরক্ষণ প্রিয়াংকা হালদার, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক রহমত উল্লাহ পলাশ, জেলা জায়ায়াতের আমির শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা বিএনপি সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডবলু, সাতক্ষীরা পৌরসভার সচিব মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম প্রমুখ।

এ সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে প্রাণসায়রের চারপাশে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ বলেছেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতিয়ার অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরই অংশ হিসাবে এবছর এক কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। শুধু বৃক্ষ রোপনই নয়, এই বৃক্ষরোপনকে সম্পূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাতক্ষীরা জেলায় প্রতিটি উপজেলায় দুই একর জমিতে বনায়ন করা হবে। তিনি বেশ কয়েকটি প্রজাতির বৃক্ষ রোপনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং সেগুলোর পরিচর্যা করার আহ্বান জানান।
আয়োজকরা জানান, শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে কলারোয়া উপজেলার ব্রজবকসা গ্রামের খালপাড়ে এঘটনা ঘটে।

নিহত কৃষক আব্দুল হামিদ (৩৫) ওরফে ঝড়ু ব্রজবকসা গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে। তার চাচাতো ভাই আনোয়ার হোসেন জানান, আব্দুল হামিদ দুপুরের মাঠ থেকে কাজ শেষে বাড়ি আসে।

পরে গোসল করার জন্য ব্রজবাকসা খালে যাওয়ার পথে আকস্মিক বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এইচ এম শাহীন বলেন, বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি। পুলিশ নিহতের বাড়ি পরিদর্শন করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest