সর্বশেষ সংবাদ-
দৈ‌নিক পত্রদূ‌ত সম্পাদক স. ম আলাউদ্দী‌নের ৩১তম হত্যা দিব‌স উপলক্ষে আলোচনাসভাশ্যামনগরে মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যুকালীগঞ্ঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী বিএনপি অফিসের সামনে থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ : উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্নসাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ড

দৈ‌নিক পত্রদূ‌ত সম্পাদক স. ম আলাউদ্দী‌নের ৩১তম হত্যা দিব‌স উপলক্ষে আলোচনাসভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  দৈ‌নিক পত্রদূ‌ত সম্পাদক শহীদ স. ম আলাউদ্দী‌নের ৩১তম হত্যা দিব‌স উপল‌ক্ষে আলোচা সভা অনু‌ষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে।

শ‌নিবার (২০ জুন) রা‌তে সাতক্ষীরার ম্যান‌গ্রোভ সভাঘ‌রে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব এই সভার আয়োজন ক‌রে।

সভায় বক্তারা ব‌লেন, বহুমুখী প্রতিভার অ‌ধিকারী দৈ‌নিক পত্রদূত সম্পাদক স. ম আলাউদ্দীনকে ১৯৯৬ সা‌লের ১৯ জুন রা‌তে প‌ত্রিকা অ‌ফি‌সে কর্মরত অবস্থায় গু‌লি ক‌রে হত্যা করা হয়। দীর্ঘ ৩০ বছর অ‌তিবা‌হিত হ‌লেও আলাউদ্দীন হত্যাকা‌ণ্ডের বিচার পায়‌নি সাতক্ষীরাবাসী। মূলত তা‌কে হত্যার মধ্যদি‌য়েই খুলনাঞ্চ‌লে সাংবা‌দিক হত্যা শুরু হয়।

বক্তারা আরো বলেন, শহীদ স. ম আলাউদ্দীন ছিলেন ক্ষণজন্ম পুরুষ। তিনি ছিলেন সমাজকর্মী।

বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি ‘ভোমরা স্থলবন্দর’ প্রতিষ্ঠার মূল কারিগর ছিলেন তিনি। যুবসমাজের কর্মসংস্থানের জন্য তিনি গড়ে তোলেন আলাউদ্দীন ফুডস্ অ্যান্ড কেমিক্যাল, বঙ্গবন্ধু পেশাভিত্তিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

চিকিৎসা সেবার প্রসারে জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের তত্ত্বাবধানে নিজের জমি দান করে গড়ে তোলেন নগরঘাটা শিশু হাসপাতাল। এছাড়া পরিকল্পিত চিংড়ি চাষ ও বেতনা নদী খননের আন্দোলনেও তিনি ছিলেন পুরোধা ব্যক্তিত্ব। গণমানুষের অবরুদ্ধ কণ্ঠস্বরকে ফুটিয়ে তুলতে ১৯৯৫ সালের ২৩ জানুয়ারি তিনি প্রতিষ্ঠা করেন সাতক্ষীরার পাঠকপ্রিয় দৈনিক ‘পত্রদূত’ পত্রিকা। সম্পাদক হিসেবে অন্যায়, দুর্নীতি ও শোষকদের বিরুদ্ধে তাঁর ধারালো কলম রাজপথের চেয়েও ধারালো হয়ে উঠেছিল। কিন্তু এই আপসহীন সাংবাদিকতাই তাঁর জীবনে কাল ডেকে আনে।

বক্তারা শহীদ স. ম আলাউদ্দী‌নের খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সভায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লা‌বের সভাপ‌তি আবুল কা‌সে‌মের সভাপ‌তি‌ত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক এম বেলাল হোসাইনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রা‌খেন সি‌নিয়র সাংবা‌দিক কল্যাণ ব্যানা‌র্জি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লা‌বের সা‌বেক সভাপ‌তি আবুল কাাম আজাদ, সা‌বেক সহসভাপ‌তি বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা কা‌লি দাস রায়, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, সাতক্ষীরা সাংবা‌দিক কে‌ন্দ্রের আহসান রাজীব, প্রেসক্লা‌বের অর্থ সম্পাদক ফ‌রিদ আহ‌মেদ ময়না, সা‌হিত্য ও সংস্কৃ‌তি সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, বাংলা‌ট্রিবিউনের আসাদুজ্জামান সরদার, মানবজ‌মি‌নের এস‌এম বিপ্লব হো‌সেন, ঢাকা পো‌স্টের ইব্রা‌হিম খ‌লিল, সাংবা‌দিক হা‌বিবুর রহমান সোহাগ, আব্দুল গফুর, এসএম তৌ‌হিদুজ্জামান, হা‌বিবুল হাসান, আবু সাঈদ, রিজাউল ক‌রিম, মৃত্যুঞ্জয় রায়, আমিনুল হক, মে‌হেদী হাসান শিমুল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

শ্যামনগর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় নদীর পাড়ে অবস্থানরত আরও এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ কদমতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের মৃত ইসমাইল গাজীর ছেলে নূর হোসেন গাজী (৪০) মালঞ্চ নদীতে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ডাঙ্গায় আনার পর তার মৃত্যু হয়।

একই সময়ে নদীর পাড়ে অবস্থানরত দক্ষিণ কদমতলা এলাকার হাসান গাজীর ছেলে জহির হোসেন (৪০) বজ্রপাতের আঘাতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় এলাকায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছিল। হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে মুহূর্তের মধ্যে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালিদুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালীগঞ্ঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী বিএনপি অফিসের সামনে থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী বিএনপি অফিসের সামনে থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার সকালে ককটেল দুটি উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হেমায়েত আলী বাবু বলেন, সকালে দলীয় নেতাকর্মীরা অফিসে এসে আগুন দেওয়ার বিষয়টি দেখতে পায়। পরে ঘটনাস্থলের আশপাশে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল পড়ে থাকতে দেখে তার। এরপর বিষয়টি তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে তারা উদ্ধার করে।

তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে- রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা দুদলী বিএনপি অফিসে আগুন দিয়েছে। এতে অফিসের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, শনিবার সকালে পরিত্যাক্ত অবস্থায় দুটি অবিস্ফোড়িত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। সম্ভবত রাতে কেউ অফিসের সামনে রেখে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ : উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশ মল্লিকের বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে এ অভিযোগের তদন্তও সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান তদন্ত সম্পন্ন করেন।
অভিযোগে জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউর রহমান জেলা পরিষদের ঠিকাদারী লাইসেন্স করার জন্য ২০২৫ সালে আবেদন করেন।

ওই সালের মার্চ মাসের মাসিক সভায় সেটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হয় এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের তদন্ত শেষে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে রিপোর্ট প্রদান করেন। এরপর তিনি জেলা পরিষদে লাইসেন্সের জন্য খোজ খবর নিলে উচ্চমান সহকারী রাকেশ মল্লিক তার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করে বলেন টাকা দিয়ে যান লাইসেন্স দিয়ে দিব তাড়াতাড়ি। সে সময় তিনি অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তারপর থেকে রাকেশ মল্লিক লাইসেন্স না দিয়ে তালবাহানা শুরু করে।

এক পর্যায়ে তারা জমাকৃত কাগজপত্র উধাও করে দিয়ে তাকে লাইসেন্স পাওয়া থেকে বঞ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমান তৎকালিন প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ৭ জুন ২০২৬ তারিখে তদন্তের জন্য পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। নির্দেশনা পেয়ে তদন্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৬ জুন ২০২৬ সাতক্ষীরা পৌরসভায় উভয়পক্ষ কে ডেকে বক্তব্য শোনেন।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশ মল্লিকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, দু পক্ষের শুনানি হয়েছে। আর এ বিস্তারিত মোবাইলে বলা যাবে না। সরাসরি দেখা করুন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, তদন্তের অংশ হিসেবে দু পক্ষের বক্তব্য শুনেছি। বিস্তারিত তদন্তে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘আমরা আর জলাবদ্ধতায় ডুবতে চাই না। এখনই উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে আমাদের আবার ডুবতে হবে। তাই জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আগেই পানি নিষ্কাশনের জন্য সমগ্র জেলার খাল-বিল-নদী-নালা দখলমুক্ত করে নেটপাটা ও অবৈধ বাঁধ অপসারণ করতে হবে। মৎস্য ঘের করার ক্ষেত্রে অবশ্যই পানি নিষ্কাশনের জন্য আউট ড্রেন রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং সাতক্ষীরা পৌর এলাকার সব ড্রেন পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রাণসায়ের খালের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। কারণ পৌরসভার অধিকাংশ ড্রেনে পানি জমে থাকে, উপচে রাস্তায় ওঠে, কিন্তু পানি নিষ্কাশিত হয় না।’ বুধবার (১৭ জুন) সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) আয়োজিত ‘বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে এসব কথা বলেন।

সংলাপে গ্রীন কোয়ালিশন (সবুজ সংহতি) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত।  সংলাপে ধারণা পত্র পাঠ করেন বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান।

বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত বছর জলাবদ্ধতা শুরু হওয়ার দীর্ঘ ৩ মাস পর যখন মানুষের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল, তখন প্রশাসন ঘেরের বাঁধ কেটে পানি সরানোর ব্যবস্থা করেছিল। আমরা এবার সেই ‘দেরিতে ঘুম ভাঙা’ উদ্যোগ দেখতে চাই না। নদী ও খাল খননের মতো মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন যেহেতু সময়সাপেক্ষ, তাই এখনই জরুরি ভিত্তিতে সাতক্ষীরা পৌর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার আন্তঃসংযোগগুলো পরিষ্কার করা, প্রাণসায়ের খালের দুই মুখ উন্মুক্ত করা এবং বেতনা পাড়ের ১০টি বিলের অপরিকল্পিত ঘেরের বেড়িবাঁধ এখনই কেটে দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত করতে হবে। ঘের মালিকদের আউট ড্রেন রাখতে বাধ্য করতে হবে।

সংলাপে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাগরিক নেতা ও সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, নাগরিক নেতা আলী নুর খান বাবুল, বারসিকের নগরবিদ জাহাঙ্গীর আলম, নাগরিক নেতা ও সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, ফরিদ হোসেন ময়না, আহসানুর রহমান রাজীব, গ্রীন কোয়ালিশনের যুগ্ম সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন ও অ্যাড. এসএম বিপ্লব হোসেন, আসাদুজ্জামান সরদার, সাতক্ষীরা যুব পানি কমিটির সভাপতি মো. হোসেন আলী, ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরামের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের হৃদয় মন্ডল, ইফতি জামিল, বদ্দীপুর ক‌লোনীর বাসিন্দা জাহানারা খাতুন, কাজীপাড়ার এরশাদ আলী প্রমুখ।

সংলাপে বক্তারা সাতক্ষীরা পৌর এলাকাকে পুরোপুরি একটি সমন্বিত ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের আওতায় এনে শহরের পানি নিষ্কাশনের পথ প্রাণসায়ের খালের সাথে সংযুক্ত করা, পৌর এলাকার অভ্যন্তরে সব ধরনের বাণিজ্যিক মৎস্য ঘের বন্ধ করা এবং ঘের করার ক্ষেত্রে পানি নিষ্কাশনের জন্য ‘আউট ড্রেন’ রাখা বাধ্যতামূলক করা, সমগ্র জেলার খাল-বিল ও নদী-নালা দখলমুক্ত করে সব ধরনের নেটপাটা ও অবৈধ আড়াআড়ি বাঁধ অপসারণ করা, জেলার সব অকেজো স্লুইসগেট দ্রুত সচল করাসহ পানি নিষ্কাশনের সব পূর্ব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা, বেতনা ও মরিচ্চাপ নদীতে স্লুইসগেটের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে জোয়ার-ভাটার চিরায়ত ও স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, ইছামতি, মরিচ্চাপ, খোলপেটুয়া, বেতনা, শালিখা ও কপোতাক্ষ নদীর মধ্যকার আন্তঃসংযোগগুলো পুনরায় খনন করে পানিপ্রবাহ সচল করা এবং সরকারিভাবে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প অবশ্যই স্থানীয় পরিবেশবান্ধব এবং জলবায়ু সহনশীল করাসহ ৭ দফা সুপারিশ করেন।

সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর ইউএনও অর্ণব দত্ত জলাবদ্ধতার বিপর্যয় এড়াতে এবং পৌর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচলসহ পানি নিষ্কাশনের সমস্ত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পৌর কর্তৃপক্ষকে সাথে নিয়ে সমন্বিত ক্রাশ প্রোগ্রাম গ্রহণ করার আশ্বাস দেন। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : দীর্ঘদিন ধরে একই অফিসে থেকে নানান দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া, অনিয়ম করে নিজের স্বার্থ উদ্ধার ও খেলোয়াড়দের প্রতি চরম বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসার মাহাবুবুর রহমানের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জেলার অবহেলিত- অসহায় নারী খেলোয়াড়রা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেলা ১২টার দিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের নারী খেলোয়াড়দের পাশাপাশি জেলার ক্রীড়া সংগঠকরা সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্যও দেন।

মানববন্ধনে খেলোয়াড়দের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে বিশেষ করে বক্তব্য দেন স্বনামখ্যাত ক্রীড়া সংগঠক ও জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি’র পিতা খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স। খেলোয়াড়দের মধ্যে বক্তব্য দেন উম্মে ফাতেমা উর্মি, সোহেলী আক্তার শামীমা, সালমা খাতুন, নদী বিশ্বাস ও মেহেদী রাজু প্রমুখ।

খেলোয়াড়রা অভিযোগ করে বলেন, জেলা ক্রীড়া অফিস থেকে খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম, জার্সি ও অনুদান সঠিকভাবে বিতরণ করা হয় না। প্রকৃত খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে অফিস স্টাফ বা খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন- যারা খেলা করে না- এমন ব্যক্তিদের নামে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। যখন তালিকা করা হয়েছিল তখন আমাদের মোবাইল নাম্বার ঠিক নেই, আমরা অবসর গ্রহন করেছি, আমাদের সার্টিফিকেট ঠিক নেই- এমনতর উদ্ভট কথা বলে আমাদের মেয়ে খেলোয়াড়দের বাদ দেয়া হয়েছে। যা চরম বৈষম্য ছাড়া কিছুই নয়।

অবহেলার শিকার নারী খেলোয়াড়রা বলেন, দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসে সমাজের বিভিন্ন মানুষের নানান কথা সহ্য করে আমরা খেলা করি। সাধারণ গেঞ্জি পরে অনুশীলন করলেও জেলা ক্রীড়া অফিস থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাই না। আমাদের অনেককে অনেক সময় টাকা ধার করে নিয়ে যাতায়াত খরচ যোগাতে হয়। অথচ জেলা ক্রীড়া অফিসার আমাদের কোন ধরনের সহযোগীতা করে না। সরকার প্রতি বছর বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ দেয় সেসব বরাদ্দের অর্থ কোথায় যায় তা আমরা জানিনা উল্লেখ করে খেলোয়াড়রা বলেন- অফিসে খেলার সরঞ্জাম ফেলানো থাকলেও আমাদের দেয়া হয় না।

বক্তারা বলেন, আমরা কঠোর পরিশ্রম করে জাতীয় পর্যায়ে সাতক্ষীরার সুনাম বয়ে আনছি। অথচ আমাদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। ঠিকমত অফিসে না এসে, কেশবপুরের বাড়ীতে থেকে সাতক্ষীরায় এসে অফিস করে বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ এবং একজন সৎ, দক্ষ ও খেলোয়াড়বান্ধব কর্মকর্তার নিয়োগ চাই।

অভিযোগের বিষয়ে জেলা ক্রীড়া অফিসার মাহাবুবুর রহমান বলেন, সাতক্ষীরা জেলা থেকে জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তির জন্য ১১৪ জন আবেদন করেছিলেন। জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে জেলা কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই শেষে ৯৮ জনের তালিকা জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনে পাঠানো হয়। পরে জাতীয় কমিটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে ৪৩ জনকে ভাতার জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে, ভাতা না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই কিছু খেলোয়াড় আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে। তবে এখানে ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু করার ছিল না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতীয় কমিটিই নিয়েছে।

মানববন্ধন শেষে খেলোয়াড়রা এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে অবহেলিত- অসহায় নারী খেলোয়াড়দের প্রতি সুবিচার করতে জেলা ক্রীড়া অফিসারের বদলীসহ অন্যান্য বিষয়ে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় হারিয়ে যাওয়া ২৪টি মোবাইল ফোন ও বিকাশের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়া৩৮ হাজার টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে সোমবার সকালে এসব ফোন ও টাকা হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম।

এসময় পুলিশ সুপার বলেন, সাতক্ষীরা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের চৌকস টিম চলতি বছরের জুন মাসের আগে হারিয়ে যাওয়া ২৪টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে দেশের বিভিন্ন স্থান হতে উদ্ধার করে। এছাড়া বিকাশের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়া ৩৮ হাজার টাকা উদ্ধার করে ৩ জন ভুক্তভোগীর হাতে প্রদান করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, সাতক্ষীরায় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল চালু হওয়ার পর থেকে খোয়া যাওয়া ১ হাজার ৭শ’ ৩টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রতারিত হওয়া প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ভুক্তভোগীদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনূর রহমান,মিথুন সরকার প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়াজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় সীমান্তে পুশ ইন বন্ধে বিজিবির কঠোর অবস্থান বজায় রাখা,বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, যানজট নিরসনে বাস থামার স্থান চিহিৃতকরণ,মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারকরণ,সুন্দরবনে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারকরণ,সরকারি খাস জমি উদ্ধার, অনলাইন জুয়া ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তৎপরতা বন্ধে পুলিশী ব্যবস্থা জোরদারকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম, সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান,সিভিল সার্জন আব্দুস সালাম,জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ,যুগ্ন আহবায়ক ড. মনিরুজ্জামান,জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল,প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest