সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালিসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালাকয়রায় ক্রয়কৃত জমির ধান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে উপকারভোগীর মাঝে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বিতরণনেপাল-তিব্বতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯১৯সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলের ফাইনাল: টাইব্রেকারে চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি উপজেলা দল

আশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ
আশাশুনি প্রতিনিধি:
গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিত্যপণ্য ন্যায্য মূল্যে আশাশুনির কাদাকাটিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার দরগাপুর ইউনিয়নে খরিয়াটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এসব পন্য সামগ্রি বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
প্রাণের আলো ফাউন্ডেশন ও ডেইলী সেবা বাংলাদেশ এর আয়োজনে প্রাণের আলো ফাউন্ডেশনের ডিলার রিলেশন অফিসার রাসালে আহমেদ, দরগাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সেক্রেটারি মোহাম্মাদ হাফিজুল ইসলাম, খরিয়াটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জন, সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী শিক্ষক বিশ্বজিৎ, সাবেক ইউপি সদস্য মাহামুদ আলী, মুনসুর আলী, মিজানুর রহমান, রাহাত হোসাইন, সাগর আহমেদ সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ৭৫৫ ব্যক্তিকে সোয়াবিন তেল ২ লিঃ, ডাল ১ কেজি, আটা ১ কেজি, লবণ ১ কেজি, সরিষার তেল ২০০ এমএল, ডিটার্জেন্ট পাওডার অর্ধ কিঃ, গায়ে মাখা সাবান ১০০ গ্রাম, ডিশ ওয়াশ ৫০০ গ্রাম একটি করে প্যাকেজ বিতরণ করা হয়। প্রতি প্যাকেজের মূল্য ৬৩০ টাকা। বিতরণকারী সংস্থা ২২ ধরনের প্যাকেজে মালামাল বিতরণ করে থাকে। বর্তমান সময়ে ১১ নং প্যাকেজের মালামাল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে মাসে ৩ দিন করে ৩ স্থানে মালামাল বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে জেলার সকল উপজেলার সব কয়টি ইউনিয়নে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য বিতরণ করা হবে। স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পেয়ে এলাকার নিম্নআয়ের মানুষ আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টা
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়া এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও ১৪৫ ধারা অগ্রাহ্য করে এবার গোরস্থান, দরগা ও মাদ্রাসাসংলগ্ন কোটি টাকার পৈতৃক সম্পত্তি দখলের নতুন পাঁতারা শুরু করেছে আব্দুস সামাদ ও তার চক্র। কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা ছাড়া নিজেই একটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের ভুয়া সাইনবোর্ড ও টলঘর বসিয়ে জায়গাটি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি।
মামলার নথি অনুযায়ী, দেবহাটা থানার পারুলিয়া মৌজার আরএস ৩৫৭৫৩ ও ৩৫৭৫৬ (এসএ দাগ ১১২০৩) নম্বর দাগের সম্পত্তি নিয়ে গোলাম মহিউদ্দিন রনির সাথে আব্দুস সামাদের মামলা চলছে। ইতিপূর্বে নোটিশ থাকা সত্ত্বেও সেখানে দোকান বসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার তার সাথে যুক্ত হয়েছে ধর্মীয় স্থাপনা ও ঐতিহাসিক নিদর্শন সংলগ্ন জমি জালিয়াতির মাধ্যমে দখলের চেষ্টা।
এ বিষয়ে বেসিক ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মৃত্যুঞ্জয় কুমার গায়েন বলেন, ব্যাংকের সাইনবোর্ডটি আমাদের পক্ষ থেকে লাগানো হয়নি। বিষয়টি জানা মাত্রই আব্দুস সামাদকে বারবার সাইনবোর্ডটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হলেও সে তা তোলেনি।
এলাকাবাসীর মধ্যে সামাদ ও তার গংদের এমন অপকর্মে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ৬০ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল ওহাব গাজী বলেন, জন্ম থেকেই দেখে আসছি এই জায়গাটি গোলাম নবী সাহেবদের। এখানে ১০০ বছরের পুরোনো তেঁতুল গাছ, উনাদের পৈতৃক গোরস্থান, একটি ঐতিহ্যবাহী দরগা এবং মাদ্রাসা রয়েছে। গত ৩০-৩৫ বছর ধরে আমি তাদের কাছ থেকে এই জমি ও ঘের লিজ নিয়ে দেখাশোনা করছি। হঠাৎ করেই সামাদ এসে গায়ের জোরে টল বসিয়ে ব্যাংকের ভুয়া সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে।
সামাদকে ‘চিহ্নিত ও প্রথম শ্রেণীর প্রতারক’ উল্লেখ করে ৭৫ বছর বয়সী আব্দুল মজিদ জানান, ১৯৬৫ সাল থেকে এই এলাকায় আছি, কিন্তু সামাদ বা তার পরিবারকে কখনো এই কাছারি বাড়ি ও পাশের খামারবাড়ি ভোগদখল করতে দেখিনি। এর আগে অন্য একটি ঘের দখলের অপরাধে সামাদ, তার বাবা ও ভাইসহ তিনজনের ৫ বছর করে জেল হয়েছিল। সে মামলায় হেরে জামিনে বেরিয়ে এসে এখন গায়ের জোরে ১১২০৩ দাগের জমি দখল করতে চাইছে।
সখিপুরের প্রবীণ বাসিন্দা মাওলা বকস গাজী (৭৩) বলেন, সামাদ এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু। একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি হয়েও সে জালিয়াতি থামায়নি। ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্যবাহী এই সম্পত্তি রক্ষায় এই ভন্ডকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও উচ্ছেদ করার জন্য আমরা প্রশাসনের আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুস সামাদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দেবহাটা থানার এএসআই  আকিজুর রহমান বলেন, আদালতের নোটিশ পেয়ে আমরা সরাসরি ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এসেছি। কোন পক্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে থাকলে  তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

দেবহাটা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরার দেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দেবহাটা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে পারুলিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে একটি বিশাল শোভাযাত্রা বের করা হয়। জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে হাজারো নেতাকর্মী শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
শোভাযাত্রাটি পারুলিয়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সখিপুর বাজারে যায়। পরে সখিপুর বাজার প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি পারুলিয়া বাসস্ট্যান্ড চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা আব্দুল হাবিব মন্টু, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম এবং পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম।

পরে পারুলিয়া বাসস্ট্যান্ড চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ। কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীমের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আহম্মদ আলীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা আব্দুল হাবিব মন্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুর মোর্শেদ মিলন, উপজেলা জিয়া পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম বাপ্পা, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল্লাহ আলী রেজা, উপজেলা মহিলা শ্রমিকদলের সভাপতি ও ইউপি সদস্য সাজু পারভিন, জেলা পেশাজীবী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আবুল খায়ের বুলু, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমরান ফরহাদ ও সদস্য সচিব ফিরোজসহ নেতৃবৃন্দ।

এসময় জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, শ্রমিকদল এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা ও সমাবেশকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালি

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় র‌্যালী, আলোচনা সভা, গাছের চারা বিতরন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে কলারোয়া উপজেলা বিএনপির আয়োজনে উপজেলা সদরের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালিটি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা পরিষদ প্রশাসকের বাড়ির সামনে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

কলারোয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ মিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ রইচ উদ্দীন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রকিব মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি শেখ আব্দুল কাদের বাচ্চু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তামিম আজাদ মেরিন, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন প্রমুখ। এসময় সেখানে বিএনপি ও তার অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি এসময় বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা বটমূলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও স্বাধীনতার ঘোষক তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

তিনি আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে আদর্শ ও চেতনা নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠন করেছিলেন, সেই পথ ধরেই বিএনপি দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে কাজ করে যাচ্ছে।
আলোচনা সভা শেষে সেখানে গাছের চারা বিতরন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

অনলাইন ডেস্ক :  বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে বাংলাদেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া এক বুলেটিনে এ সতর্কবার্তা জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উড়িষ্যা এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে।

লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। তাই মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা ও অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা পোষ্ট অফিস মোড়স্থ সাতক্ষীরা জেলা গ্রীন কোয়ালিশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রীন কোয়ালিশনের জেলা সভাপতি ও সাংস্কৃতিক কর্মী আবু আফফান রোজ বাবু’র সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক)-এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলাম।

কর্মশালায় গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন অগ্রগতি, অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, উপকূলীয় প্রতিবেশ রক্ষা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে পরিবেশ আন্দোলনকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাতক্ষীরাসহ উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নানা ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এসব সংকট মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পরিবেশবাদী সংগঠন, নাগরিক সমাজ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে তরুণদের পরিবেশ আন্দোলনে সম্পৃক্ত করে স্থানীয় পর্যায়ে সবুজ উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় গ্রীন কোয়ালিশনের উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, পরিবেশকর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, নাগরিক নেতা অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাস, বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া গ্রীন কোয়ালিশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে এম. বেলাল হোসাইন ও অ্যাডভোকেট বিপ্লব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন আলী, কার্যকরী সদস্য মো. রিজাউল করিম, হাবিবুর রহমান সোহাগ, জান্নাতুল ফেরদৌস, বারসিকের গাজী মাহিদা মিজানসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় আগামী ছয় মাসের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সদস্য সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি, বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু সহনশীলতা তৈরিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কয়রায় ক্রয়কৃত জমির ধান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

খুলনা প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নের ভান্ডারপোল গ্রামে ক্রয়কৃত জমিতে প্রবেশ করে রোপণ করা ধান তুলে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের গোলজার শেখের বিরুদ্ধে। তিনি স্থানীয় সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন জমির ক্রেতা আব্দুর রব। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে গোলজার শেখ দাবি করেছেন, জমিটি নিয়ে তাদের পরিবারের সঙ্গে পূর্ব থেকেই বিরোধ রয়েছে এবং আব্দুর রব তাদের না জানিয়ে জমি কিনেছেন।

আব্দুর রবের অভিযোগ, গত ১৩ জুলাই ভান্ডারপোল গ্রামের অহিদুজ্জামান, তৌহিদুজ্জামান, রাকিবুজ্জামানসহ চার ভাইয়ের কাছ থেকে তিনি ১০ কাঠা জমি ক্রয় করেন। পরে ওই জমিতে ধান রোপণ করেন তিনি।

তিনি বলেন, জমিতে ধান রোপণের পর গোলজার শেখের সঙ্গে তাঁর বিরোধ শুরু হয়। একপর্যায়ে গোলজার শেখ কয়েকজন লোক নিয়ে তাঁর ক্রয়কৃত জমিতে প্রবেশ করে রোপণ করা ধান তুলে ফেলেন। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আব্দুল কাদেরকে বিষয়টি জানান। পরে এসআই কাদের গোলজার শেখের লোকজনকে ফোন করে জমি থেকে সরে যেতে বললে তাঁরা সেখান থেকে চলে যান বলে দাবি করেন আব্দুর রব।

এরপর তিনি পুনরায় ওই জমিতে ধান রোপণ করেন। তাঁর অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে গোলজার শেখ জমির অন্তত তিনটি স্থান থেকে রোপণ করা ধান তুলে নষ্ট করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকটি স্থানে ধানগাছ উপড়ে ফেলা অবস্থায় দেখতে পান তিনি। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানান।
আব্দুর রব আরও অভিযোগ করেন, গত ২২ আগস্ট রাত ৮টার দিকে ভান্ডারপোল আব্বাসের মোড়ে গোলজার শেখের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এ সময় জমি দখল করতে গেলে তাঁকে ‘জীবন শেষ করে দেওয়ার’ হুমকি দেওয়া হয়। এতে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলে জানান।

এ ঘটনায় গত ২৮ আগস্ট কয়রা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন আব্দুর রব। সাধারণ ডায়েরিতে তিনি, জমি নিয়ে বিরোধ, জমিতে প্রবেশে বাধা এবং প্রাণনাশের হুমকির কথা উল্লেখ করেন।

অভিযোগের বিষয় গোলজার শেখ বলেন, ‘‘জমি বন্ধক বাবদ জলিল মোল্লার কাছে আমাদের ৮০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। ওই টাকা ফেরত দিয়ে আব্দুর রব জমি বুঝে নিলে আমাদের আপত্তি নেই। তবে আমাদের জমিতে এসে চাষাবাদ বা খুঁটি পুঁতলে আমরা তা মেনে নেব না।’’

প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগও অস্বীকার করে তিনি বলেন, আব্দুর রব তাঁর ভাগ্নের সম্পর্কের। জমি কেনার বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হলেও তাঁকে কোনো হুমকি দেননি।
তবে গোলজার শেখের দাবির বিষয়ে আব্দুর রব বলেন, তাঁরা যদি কোনো বায়না করে থাকেন, সেটি জলিল মোল্লার সঙ্গে করেছেন এবং ওই জমি অন্য দাগে। তিনি যে ১০ কাঠা জমি কিনেছেন, সেটি জলিল মোল্লার চার ছেলের নামে ছিল এবং চার ভাই তাঁকে দলিল করে দিয়েছেন। এই জমির বিষয়ে চার ভাই কোনো বায়নাপত্র করেননি এবং তাঁর কাছ থেকে কোনো টাকা নেননি বলেও দাবি করেন আব্দুর রব।
এ বিষয়ে এসআই আব্দুল কাদের বলেন, আব্দুর রব গোলজার শেখের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করার জন্য আবেদন করেছেন। আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগটি তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে উপকারভোগীর মাঝে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত নানাবিধ কার্যক্রমের বিপরীতে জেলার ১০৪ জন উপকারভোগীর মাঝে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বিতরন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা পরিষদ হলরুমে এ চেক বিতরণ করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে চেক বিতরন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার অলী।
এসময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংবাদিক মাহমুদ হাসানসহ জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জেলার বিভিন্ন স্থানের উপকারভোগীরা।

প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরকারি বরাদ্দের প্রতিটি টাকা যেন জনগণের কল্যাণে এবং যথাযথ স্বচ্ছতার সাথে ব্যয় হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। জেলা পরিষদ সবসময় সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে পাশে থাকবে।

চেক গ্রহণ শেষে উপকারভোগী ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জেলা পরিষদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest