সর্বশেষ সংবাদ-
কলারোয়ায় আমেরিকা প্রবাসী দম্পতির সহযোগিতা বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পইরানের ভয়ে মার্কিন ঘাঁটি ইসরাইলে সরিয়ে নিতে বললেন সাবেক সেন্টকম প্রধানসাতক্ষীরায় যানজট নিরসনকল্পে সভা : একগুচ্ছ পদক্ষেপে যানজট নিয়ন্ত্রণে আনার আশাবাদশ্যামনগরে বিজিবি সদস্যের বাড়িতে চুরি: র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার আসামির জন্য রাজনৈতিক তদবির!এনসিপির সমাবেশে হামলা নিয়ে নাহিদের বক্তব্য রাজনৈতিক: ডা. জাহেদতালায় নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশগাবুরায় ভেড়িবাঁধের ওপর অবৈধ ভাবে বসানো নাইনটি পাইপ অপসারণমজনু সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও শ্রমিক ইউনিয়নে অবৈধ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে বিক্ষোভসাতক্ষীরায় ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬দেবহাটার পারুলিয়ায় মৎস্য ঘেরে ডাকাতিতে বাধা : মৎস্য চাষীকে কুপিয়ে জখম

কলারোয়ায় আমেরিকা প্রবাসী দম্পতির সহযোগিতা বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প

কলারোয়া প্রতিনিধি: আমেরিকা প্রবাসী দম্পতির সার্বিক সহযোগিতা বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার গয়াল চাতর আমেরিকা প্রবাসী দম্পতির সার্বিক সহযোগিতা বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে এলাকার তিন শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ প্রদান ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা প্রদান করা হয়।

ক্যাম্পে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শফিকুল ইসলাম, মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমেন সরকার এবং ডা. ফারজানা রহমান রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেন। তারা রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও বিনামূল্যে ওষুধ প্রদান করেন।

আয়োজকরা বলেন গ্রামের অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতেই আমাদের এই উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “অনেক মানুষ নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারেন না। এ ধরনের মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে তারা সহজেই স্বাস্থ্যসেবা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ওষুধ পাচ্ছেন। সবাইকে স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার আহ্বান জানাই।

চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা বলেন, “বিনামূল্যে ডাক্তার দেখাতে পেরে খুবই উপকৃত হয়েছি। ওষুধ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষাও বিনামূল্যে হয়েছে। এমন আয়োজন আমাদের মতো মানুষের জন্য অনেক উপকারে আসে।”

মেডিকেল ক্যাম্প বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন মো. আলমগীর হোসেন (আমেরিকা প্রবাসী) ও যুবসমাজকে স্থানীয়রা এ উদ্যোগের প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও নিয়মিত এমন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইরানের ভয়ে মার্কিন ঘাঁটি ইসরাইলে সরিয়ে নিতে বললেন সাবেক সেন্টকম প্রধান

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা করতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইসরাইল এবং তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে স্থানান্তরিত করা দরকার। গত সপ্তাহে এক ওয়েবিনারে এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সাবেক প্রধান জেনারেল ফ্রাঙ্ক ম্যাকেঞ্জি।

কাতারের আল-উদেইদ সামরিক ঘাঁটির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ সেন্টকমের অগ্রবর্তী সদর দফতরকে ইরান থেকে মাত্র ১০০ মাইল দূরে (কাতারে) স্থাপন করবে না। অথচ বর্তমানে সেটি সেখানেই রয়েছে।’

২৮ মার্চ ২০১৯ থেকে ১ এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ম্যাকেঞ্জি জানান, ২০২২ সালে তিনি এবং অন্য কর্মকর্তারা বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করেছিলেন। তারা বলেছিলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার এবং বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলার মুখে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই মার্কিন বাহিনীকে পশ্চিম দিকে, বিশেষ করে ইসরাইলে নিয়ে যাওয়া উচিত।

ম্যাকেঞ্জি বলেন, ‘আমরা বাইডেন প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলাম যেন ঘাঁটিগুলো পশ্চিমে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়, যার মধ্যে ইসরাইল ও মিশর অন্তর্ভুক্ত, যাতে ইরানের সাথে যুদ্ধ লাগলে আমরা দ্রুত পশ্চিমে সরে যেতে পারি।’ তবে বাইডেন প্রশাসন এই প্রস্তাবটিকে নাকচ করে দিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ঘাঁটি ব্যবস্থা অতীতের ধারাবাহিকতায় চলছে। এটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের সময়ের উত্তরাধিকার, যখন যুক্তরাষ্ট্র তেল-সমৃদ্ধ আরব উপসাগরীয় দেশগুলোতে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন নিয়ে চিন্তিত ছিল। পরে ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন বিদ্রোহবিরোধী অভিযানের সময়ও এগুলো ব্যবহৃত হয়েছিল। ম্যাকেঞ্জির মতে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কৌশল মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার সাথে মিলছে না।’

ইরান কার্যত মার্কিন বাহিনীকে উপসাগরীয় উপকূল থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে। এর আগে ‘মিডল ইস্ট আই’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরান উপর্যুপরি আঘাত হানার পর গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের তায়েফ বিমান ঘাঁটিতে প্রবেশাধিকার পায়। এছাড়া পারস্য উপসাগরীয় উপকূলের আরও পূর্বে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোও ইরানের তীব্র হামলার শিকার হয়েছে।

ইরান বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি, কাতারে অবস্থিত সেন্টকমের সদর দফতর এবং কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানায়।

স্যাটেলাইটের ছবি দেখে ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মূল্যায়ন করা কঠিন উল্লেখ করে ম্যাকেঞ্জি সতর্ক করেন, ‘একটি ঘাঁটির হ্যাঙ্গার, রাডার বা ব্যারাক ধ্বংস হলেও এর ভূগর্ভস্থ জ্বালানি ব্যবস্থা এবং রানওয়ে অক্ষত থাকতে পারে, যা দিয়ে যুদ্ধবিমান ওঠানামা করতে পারে। পরিস্থিতি এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, শত্রুর কাছাকাছি থাকা ভালো, কারণ যুদ্ধে দ্রুত যোগ দেওয়া যায়; কিন্তু আবার শত্রুর কাছাকাছি থাকা খারাপও, কারণ সে আপনাকে খুব দ্রুত আঘাত করার ক্ষমতা রাখে।’

অবশ্য আরব মিত্রদের সাথে সংহতি বজায় রাখতে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন উপস্থিতি বজায় রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন ম্যাকেঞ্জি। তবে তার প্রস্তাব, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় ঘাঁটিগুলোকে কেবল জ্বালানি নেওয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদী ঘাঁটি হিসেবে ইসরাইল, মিশর ও সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলকে বেছে নিতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের পশ্চিমের দিকে তাকাতে হবে, ইসরাইলে ঘাঁটি গড়ার কথা ভাবতে হবে। আমি মনে করি এটি একটি চমৎকার আইডিয়া।’

ম্যাকেঞ্জির মতে, অন্যান্য দেশের তুলনায় ইসরাইলকে বেছে নেওয়া ভালো, কারণ সেখানে প্রবেশাধিকার, ঘাঁটি স্থাপন এবং আকাশসীমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম বিধিনিষেধের মুখোমুখি হতে হবে। এছাড়া উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় ইসরাইল উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারবে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যানজট নিরসনকল্পে সভা : একগুচ্ছ পদক্ষেপে যানজট নিয়ন্ত্রণে আনার আশাবাদ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা শহরের যানজট নিরসনকল্পে গঠিত উপ-কমিটির প্রথম সভা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে  অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুর রহমান,সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান,জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ,জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল,জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক আব্দুর রউফ, বাস মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুস সোবহান খোকন,সহসভাপতি খোরশেদ আলম আলী,ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ শাহীন,ট্রাফিক ইন্সপেক্টর গৌরাঙ্গ পাল,সার্জেন্ট মুকুল হোসেন প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, পৌরসভার প্রবেশমুখগুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে অনুমোদিত  ইজিবাইক শহরে প্রবেশে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। বাঁকাল থেকে পাকাপোলের মুখ পরযন্ত ৪ লেনের রাস্তা করা হচ্ছে।এছাড়া আশাশুনি ও কালিগঞ্জগামী বাসগুলোকে পৌরসভার মধ্যে থামিয়ে না রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।বাস টার্মিনাল দ্রুততম সময়ে লাবসা বাইপাস এলাকায় সরিয়ে নিতে প্রচেষ্টা চলছে। পাশাপাশি পৌরসভা কর্তৃক অনুমোদন দেওয়া ৯শ’১৮টি ছাড়া অন্যান্য ইজিবাইক ও মোটরভ্যান নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে। দিনের বেলা ট্রাকগুলোকে পৌরসভার ভেতরের রাস্তায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ডেনাইট কলেজ মোড় ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ রোড দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে।

বক্তারা আশা করেন,এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে জেলা শহরের যানজট দৃশ্যত কমে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে বিজিবি সদস্যের বাড়িতে চুরি: র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার আসামির জন্য রাজনৈতিক তদবির!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর পৌরসভার কাঁচড়াহাটি এলাকায় এক বিজিবি সদস্যের বসতবাড়িতে চুরি মামলায় সন্দেহভাজন এক আসামিকে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

মামলা তদন্তের একপর্যায়ে গত ৩০ জুন সাতক্ষীরা শহরের বড়বাজার এলাকা থেকে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শাহামীম সিকদারকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৬। পরে তাকে শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। থানাপুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানোর পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। আদালত সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ দেখে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। বর্তমানে শাহামীম সিকদার শ্যামনগর থানায় রিমান্ডে রয়েছেন।

এদিকে, চুরির ঘটনায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে রিমান্ডে থাকা শাহামীম সিকদারকে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে তদবির চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

তাদের দাবি, ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতাকর্মী সন্দেহভাজন আসামির পক্ষে বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। এর ফলে মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য, মামলাটির গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। তাই তারা কোনো ধরনের প্রভাব বা তদবিরের ঊর্ধ্বে থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান নূর বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আদালতের নির্দেশে সন্দেহভাজন আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে কোনো ধরনের প্রভাব বা তদবিরের সুযোগ নেই। তদন্তে যার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার বাদী বিজিবি সদস্য জি.এম. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গত ৩১ মে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে পার্শ্ববর্তী উপজেলা কালিগঞ্জে তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরিবারের অনুপস্থিতির সুযোগে ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দুর্বৃত্তরা বাড়ির মূল ফটক ও ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।

চোরেরা শয়নকক্ষের আলমারি ভেঙে প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে ছিল একটি নেকলেস, দুটি রুলি, এক জোড়া কানের দুল, এক জোড়া রিং দুল, একটি স্বর্ণের আংটি, একটি স্বর্ণের চেইন এবং পাঁচটি নাকফুল।

এ ছাড়া আলমারিতে রাখা দুটি প্লাস্টিকের পাত্র থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, ড্রয়ার থেকে ২১ হাজার ৩০০ টাকা নগদ অর্থ, জনতা ব্যাংকের একটি এটিএম কার্ডসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীও চুরি হয়।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যরা চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বাড়িতে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনার কিছু ফুটেজ ধারণ হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় গত ৩ জুন মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এনসিপির সমাবেশে হামলা নিয়ে নাহিদের বক্তব্য রাজনৈতিক: ডা. জাহেদ

অনলাইন ডেস্ক :  সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে বোমা হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

একই সঙ্গে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় দলটির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের মন্তব্যকে ‘রাজনৈতিক বক্তব্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ‘‘গতকালের ঘটনাটা খুবই দুঃখজনক। আমরা এটার প্রতিবাদ জানাই। সরকারের প্রধান কাজ হচ্ছে যারা এটার সঙ্গে জড়িত সেই তদন্ত করা, তাদেরকে ধরা। নাহিদ ইসলামের বক্তব্য সম্পর্কে আমি এটুকু বলব যে রাজনৈতিক বক্তব্য বলে এক ধরনের কথা প্রচলিত আছে, সেই রাজনৈতিক বক্তব্য তিনি দিয়েছেন। সেটা তার অধিকারও আছে, তিনি সেটা বলতে পারেন। এমন ঘটনায় সরকারের দায়িত্ব হলো নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা। একই সঙ্গে আমরা একটা রাজনৈতিক দলের প্রধানের মুখ থেকে, যিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন আমাদের গণঅভ্যুত্থানে-আরেকটু দায়িত্বশীল মন্তব্য…(আশা করি)।’’

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘‘সরকার তদন্ত করবে। ঘটনা তো এখন ২৪ ঘণ্টাও যায়নি। সবসময় যে খুব দ্রুত কাজটা করে ফেলা যাবে তা না। সরকার অবশ্যই অ্যারেস্ট করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং দ্রুতই আমরা আশা করি করবে। একটা প্রসেস আছে, তদন্ত আছে, নানান রকমভাবে সেই চেষ্টা হবে। সরকার করছে না কিনা সেটা দেখার ব্যাপার আছে।’’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘‘একটা রাষ্ট্র বা সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করার পরও কখনো অঘটন ঘটতে পারে। সরকার সেটাকে কগনিজেন্সে সিরিয়াসলি নিচ্ছে কিনা, ব্যবস্থা নিচ্ছে কিনা সেটা জরুরি ব্যাপার। এ সরকার নিচ্ছে, আমি আপনাকে এটা কনফার্ম করতে পারছি।’’

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকেরা বিগত সরকারের আমলে অর্থ পাচার, বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম এবং এসব ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে সরকার আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এগোচ্ছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘বিদ্যুৎ ও কুইক রেন্টালসহ বিভিন্ন খাতে যে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর অনেকটাই তৎকালীন আইনি কাঠামোর ভেতরে করা হয়েছিল। সে সময় এমন আইন করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সুবিধা পেয়েছে।’’

ডা. জাহেদ বলেন, ‘‘পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এ জন্য সময় লাগবে। তবে সরকার একদিকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে যাতে অর্থ পাচার না হয়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’’

জুলাই আন্দোলন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি এবং কিছু সাংবাদিকের বক্তব্যের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘‘জুলাই নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক এবং তার ব্যক্তিগতভাবেও তা কষ্ট দেয়। তবে বর্তমানে এ ধরনের মন্তব্যকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে কোনো আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।’’

তিনি বলেন, ‘‘জুলাই নিয়ে কটূক্তিকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে কি না, সে বিষয়ে সমাজে বিস্তৃত আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। আলোচনার ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। বর্তমানে যেহেতু এ ধরনের বক্তব্যকে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি, তাই কেবল এ কারণে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই।’’

সরকারের অবস্থান তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘‘বর্তমান সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। অতীতের সরকারের মতো ভিন্নমত দমনে বলপ্রয়োগের পথে বর্তমান সরকার হাঁটতে চায় না।’’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ

তালা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার তালায় উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে “নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ নিরোধ, মানবপাচার প্রতিরোধ, আত্মহত্যা রোধ, মাদকাসক্তি প্রতিরোধ ও লিগ্যাল এইড প্রাপ্তি” বিষয়ক নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার সভাপতিত্বে এবং জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাত খান, তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন এবং তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক।

বক্তারা বলেন, সমাজে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবারে নারীরা শুধু পুরুষের নয়, অনেক ক্ষেত্রে নারীদের দ্বারাও নির্যাতনের শিকার হন। তাই নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে নারী-পুরুষ উভয়কেই সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তারা আরও বলেন, পরিবার থেকেই সন্তানদের নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ছেলে ও মেয়ে উভয়কেই সুশাসন ও পারিবারিক মূল্যবোধের মধ্যে বড় করে তুলতে হবে, যাতে তারা কোনো ধরনের অপরাধ, হয়রানি বা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে।

বক্তারা বলেন, বর্তমানে অনেক অভিভাবক অল্প বয়সী ছেলে-মেয়েদের মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেল কিনে দিলেও তাদের যথাযথ তদারকি করেন না। এর ফলে সড়ক দুর্ঘটনা, কিশোর অপরাধ এবং বাল্যবিবাহসহ নানা সামাজিক সমস্যা বাড়ছে। এসব প্রবণতা রোধে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নারী, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাবুরায় ভেড়িবাঁধের ওপর অবৈধ ভাবে বসানো নাইনটি পাইপ অপসারণ

শ্যামনগর প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরাকে ঘিরে থাকা ১৫ নং পোল্ডারের আওতাধীন উপকুল রক্ষা বাঁধ থেকে ১২টি নাইনটি অপসারণ করেছে প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা, ডুমুরিয়া, চাদনীমুখা ও ৯ নং সোরা এলাকার বাঁধ হতে থেকে এসব নাইনটি অপসারণ করা হয়।

চিংড়িঘেরে নদীর লবন পানি সরবরাহের জন্য স্থানীয় প্রভাবশালীরা সম্প্রতি উপরিভাগের ব্লক সরিয়ে বাঁধ কেটে ও ছিদ্র করে পাইপের সাহায্যে সেখানে এসব নাইনটি স্থাপন করেছিল। এসময় অন্যান্যের মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাশেদ হোসাইন, অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী, পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদারসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম বেড়ীভাধের উপরে অবৈধ নাইন্টি পাইপ অপসারণ শুরু করেন। তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় সরকারের মেগা প্রকল্পের আওতায় নির্মিত টেকসই ভেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে কিছু মৎস্যঘের মালিক অবৈধভাবে ‘নাইনটি’ পাইপ স্থাপন করে আসছিলেন। এর ফলে কোটি কোটি

এদিকে, পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদারের ভাষ্য এখনো পর্যন্ত গাবুরার চারপাশে টেকসই বাঁধ নির্মান কাজ শেষ হয়নি। অনেকে নৌকা আটকানোর জন্য খুঁটি স্থাপনের পাশাপাশি কয়েকজন রীতিমত নির্মানাধীন বাঁধ কেটে পাইপের সাহায্যে নাইনটি স্থাপন করেছে। বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় নিজে থেকে নাইনটিগুলো অপসারণে নির্দেশনা দেয়া সত্ত্বেও স্থানীয়রা তাতে কর্নপাত করেনি। বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে বাঁধের জন্য ক্ষতিকর নাইনটি গুলো অপসারণ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক জানান, টেকসই বাঁধ নির্মাণের অংশ হিসেবে এক হাজার ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে গাবুরার চারপাশজুড়ে পুনর্বাসন প্রকল্প চলমান। বিশাল কর্মযজ্ঞের মধ্যেই কিছু ব্যক্তি সদ্য নির্মিত বাঁধের উপরের ব্লক সরিয়ে মাটি কেটে পাইপ স্থাপনের মাধ্যমে নাইনটি তৈরি করেছে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিভিন্ন অংশের বাঁধ হতে ১০টিরও বেশী নাইনটি অপসারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কেউ বাঁধের ক্ষতির চেষ্টা করলে আইনের আওতায় আনা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মজনু সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও শ্রমিক ইউনিয়নে অবৈধ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, নারিকেলতলা (রেজি. নং-খুলনা ৭৬৪)-এর সেক্রেটারি মো. মজনু সরদারের ‘অবৈধ’ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর উপদেষ্টাদের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল।

সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬) বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের সঙ্গীতা মোড়ে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় এজিএস ও সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সিকদার, তালা উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব সামিরুল ইসলাম মিলন, সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি মো. মজনু সরদার এবং সহ-সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, শ্রমিক ইউনিয়নের গঠনতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে নির্বাচিত সেক্রেটারি মো. মজনু সরদারকে অবৈধভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কার্যক্রমে উপদেষ্টাদের অযাচিত ও অবৈধ হস্তক্ষেপের কারণে ইউনিয়নের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

তারা অবিলম্বে মজনু সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা এবং উপদেষ্টাদের সব ধরনের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি জানান। অন্যথায় দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সমাবেশ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি শেখ মিলন হোসেন, ইব্রাহিম খলিল টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়ারাজ আলী, দপ্তর সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম মনি,পৌর শ্রমিক দলের রেজাউল ইসলাম রেজা, সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান (ভিআইপি) শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি শাহজান আলী, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, জেলা ইমারত শ্রমিক দলের সভাপতি তফুর আলীসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest