সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কারসাতক্ষীরায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড অমান্য করে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগবাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশ : র‌্যাবের অভিযানে ধরাসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

কালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ত্রাস মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হেমায়েত আলী ওরফে ‘ছোট বাবু’কে দলীয় পদসহ বিএনপির সব পর্যায়ের দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ বহিষ্কার আদেশ দেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ্ পলাশ ও সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নির্দেশক্রমে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সৈয়দ হেমায়েত আলীকে মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদসহ দলীয় সব পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কার আদেশে তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক নীতিমালা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা, আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টায় সহযোগিতা, আওয়ামী লীগের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা, নারী ধর্ষ%ণের চেষ্টা, বাড়িঘর ভাঙচুর, দখলবাজি ও চাঁদা৳বাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, এসব অভিযোগ দলীয়ভাবে পর্যালোচনা ও বিবেচনার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের নির্দেশক্রমে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বহিষ্কার আদেশ অনুযায়ী, এখন থেকে সৈয়দ হেমায়েত আলী বিএনপির কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ নিতে বা দলীয় প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তাঁর কোনো ধরনের অংশগ্রহণ বা প্রতিনিধিত্ব বিএনপির অনুমোদিত বলে গণ্য হবে না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

দলীয় শৃঙ্খলা, আদর্শ, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ও দলের বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে বহিষ্কার আদেশের অনুলিপি কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ, মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং দলীয় সংরক্ষিত নথিতে পাঠানো হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড অমান্য করে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কামালনগর এলাকায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড ও নির্মাণ বিধিমালা অমান্য করে প্রতিবেশীর রের্কডীয় সম্পত্তির সীমানা দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আরিফা খাতুন নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। বিধি বহির্ভূত এই অবৈধ নির্মাণ কাজ বন্ধ ও সুষ্ঠু প্রতিকার চেয়ে পৌর প্রশাসকের কাছে যৌথ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ৫ নারী।

এলাকাবাসী এর প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের খুন জখম এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকিসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেন ‍ওই নারী এবং স্বামী আমজিয়ার রহমান, ইকবাল হোসেন এবং গালিব হোসেন। এঘটনায় সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। যার নং-৭৮৮, তা- ১২/০৯/২০২৬

অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, কামালনগর গ্রামের পলাশপোল মৌজার (জে.এল নং- ৯৪, খতিয়ান নং- ৬২৩, দাগ নং- ১৭৫৭৫, ১৭৬১৩ ও ১৭৬৯১) তফসিলভুক্ত জমিতে আরিফা খাতুন (স্বামী- আমজিয়ার রহমান) নতুন ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেন। তিনি পৌরসভার ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী ন্যূনতম কোনো খালি জায়গা না রেখে সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে কাজ চালাচ্ছেন। এমনকি ভবনের নিচের তলার বিম প্রতিবেশীদের সীমানায় এবং প্রথম তলার ছাদের কার্নিশ ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত চলাচলের রাস্তার ওপর প্রায় ৫ ফুট বাড়িয়ে নির্মাণ করেছেন।

ভুক্তভোগী মাহমুদা খাতুন, কামরুল নাহার, নিলুফা ইয়াসমীন, খালেদা বেগম ও সাহিদা বেগম জানান, প্রতিবেশীর এই অবৈধ নির্মাণের ফলে তাদের চলাচলের পথ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে নিজস্ব জমিতে ভবন নির্মাণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। স্থানীয়ভাবে নিয়ম মেনে কাজ করতে বলা হলেও অভিযুক্ত আরিফা খাতুন তা তোয়াক্কা না করে গায়ের জোরে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “পৌরসভার ন্যূনতম নিয়মকানুন তো মানাই হয়নি, উল্টো আমাদের নিজস্ব সীমানা দখল করে ছাদ ও বিম বাড়ানো হয়েছে। বাধা দিলে তিনি কোনো কথা শুনছেন না।”

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পক্ষ থেকে গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা পৌর প্রশাসকের কাছে তদন্তপূর্বক অবৈধ নির্মাণ কাজ বন্ধের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও দৃশ্যমান হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশ : র‌্যাবের অভিযানে ধরা

নিজস্ব প্রতিনিধি :  বাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক। র‌্যাবের অভিযানে প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের এসব পণ্য জব্দের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে মশিয়ার রহমান নামে এক ব্যবসায়ীকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা পণ্য ধ্বংসেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তালা উপজেলার লাউতাড়া গ্রামে মশিয়ার রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক মজুতের বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক মজুতের পাশাপাশি এসব পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মশিয়ার রহমানকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে জব্দ করা পণ্য ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়া হয়।

মশিয়ার রহমান লাউতাড়া গ্রামের ইমান আলী মোড়লের ছেলে। তিনি বিসিআইসি সার সাব-ডিলার হিসেবে ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি সার ও কীটনাশকের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।

ইউএনও জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বলেন, নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক কৃষি উৎপাদন ও কৃষকদের জন্য ক্ষতিকর। অভিযানে মশিয়ার রহমানের বাড়ি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক জব্দ করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিজস্ব প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা শহরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে যুবদল। মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে জেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্লিচিং পাউডার ছিটানো ও মশকবিরোধী ওষুধ প্রয়োগের ও লিফলেট বিতরনের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চালানো হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের খুলনা রোড মোড়, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল এলাকা, এসপি বাংলো মোড় ও পলাশপোল এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক প্রধান সমন্বয়ক আইনাল ইসলাম নান্টার নেতৃত্বে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সমন্বয়ক ফরিদ উদ্দিন, সহ-সমন্বয়ক আলিমুজ্জামান আলিম, সদর যুবদলের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক উজ্জ্বল সাধু এবং যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেনসহ জেলা ও স্থানীয় বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচি চলাকালে নেতারা শহরের সার্বিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ডেঙ্গু বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভা

জি.এম আবুল হোসাইন :
নির্যাতন ও শোষণের শিকার শিশুদের সুরক্ষা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিতকরণে উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের ভূমিকা নিয়ে সাতক্ষীরায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সভাটি সদর উপজেলা সমাজসেবার আয়োজনে ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র কারিগরি সহায়তায় সমন্বয় সভাটি বাস্তবায়িত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত।

সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর খুলনার ও সহকারি পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাজমুন নাহার, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শরিফুল ইসলাম,
সনাক নাগরিক কমিটির সভাপতি তৈয়ব হাসান বাবু প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় সেশন পরিচালনা করেন,
ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. শরিফুল ইসলাম। এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র মো. আব্দুল মান্নান, আফরোজা সুলতানা, মো. মনির হোসেন, শুবেন্দু বর ও মো. মেহেদি হাসান।

সভায় শিশু নির্যাতন, শোষণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা, তাদের শিক্ষা ও সুস্থ্য বিকাশ নিশ্চিতকরণ এবং শিশু সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বক্তারা বলেন, শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ ও প্রশাসনকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে নির্যাতন ও শোষণের শিকার শিশুদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুরক্ষা প্রদান জরুরি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতা

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আহসান হাবীব টুটুলকে দেখতে চান দলের ত্যাগী ও বঞ্চিত নেতাকর্মীদের একটি অংশ। তাকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও তৎপরতা শুরু হয়েছে।

ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত আহসান হাবীব টুটুল ১৯৮৭-১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি, ১৯৯৩-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং পরবর্তীতে জেলা বিএনপির মৎস্য চাষ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।

রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের দাবি, ১/১১-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নির্যাতনের কারণে তাকে দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকতে হয়। প্রায় ১৫ বছর পর দেশে ফিরে ২০২৪ সালের জুলাই-পরবর্তী সময়ে তিনি আবারও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া সাবেক ছাত্রনেতাদের নিয়ে ‘৯০ দশক সাবেক ছাত্র নেতৃবৃন্দ ফোরাম’ গঠনেও ভূমিকা রাখেন তিনি।

বর্তমানে জেলার বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় রয়েছেন টুটুল। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা বিবেচনায় নিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ।

আহসান হাবীব টুটুল বলেন, “শুরু থেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে রাজনীতি করছি। দীর্ঘ পথচলায় দলকে সুসংগঠিত করা ও নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামীতেও দল ও দেশের স্বার্থে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনী

নিজস্ব প্রতিনিধি : পরিবেশগত মানবাধিকার লংঘনের ফলে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জীব বৈচিত্রের উপর এর প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা এবং পরিবেশগত মানবাধিকার সুরক্ষায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ভূমিকা জোরদার করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় দুই দিনব্যাপী পরিবেশবাদী সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ও নেটজ বাংলাদেশের সহায়তায় এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারসিক এর উদ্যোগে সোমবার সকালে শহরের ম্যানগ্রোভ সভা ঘরে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী সেশনে প্রশিক্ষণের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যসুচি তুলে ধরেন প্রোজেক্ট কোঅর্ডিনেটর কুমারেশ চন্দ্র বাউলিয়া। পরিবেশগত ক্ষতি এবং উন্নয়ন মূলক কর্মকা-ের ফলে উদ্ভূত পরিবেশগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে গণমাধ্যমে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

দিনব্যাপী বিভিন্ন সেশনে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নর্থ বেঙ্গল বিশ^বিদ্যালয় রাজশাহীর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবুজার, নেটস প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ মনিরুজ্জান, বরসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শাহিন ইসলাম, টেনিক্যাল অফিসার সুপর্ণা মিত্র, এরিয়া অফিসার রোকসানা পারভিন, ফিল্ড ফ্যসিলিটেট রাসেদুল হাসান প্রমুখ। এসময় সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক আশেক-ই-এলাহি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনির, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আকাশ হোসেনসহ অন্যান্যরা।

কর্মশালার প্রথমদিনে আশাশুনি থেকে ৫ জন, শ্যামনগর থেকে ৫ জন এবং সাতক্ষীরা সদরের ১৪ জনসহ মোট ২৪ জন স্থানীয় সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় পরিবেশগত মানবাধিকারের ধারণা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, এবং জলবায়ুপরিবর্তন ও অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও জীববৈচিত্রের ওপর সৃষ্ট প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে সাংবাদিকরা স্থানীয় প্রেক্ষাপটে পরিবেশগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণ সমূহ চিহ্নিত করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নিজস্ব মতামত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে বাস্তব ভিত্তিক বিষয় নির্বাচন, প্রতিবেদন প্রস্তুত করণের কৌশল, ডিজিটাল নৈতিকতা এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত কর্মপরিকল্পনা তৈরির মাধ্যমে দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দলে টেপা (পটকা) মাছ খেয়ে একই পরিবারের পাঁচজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে মুদি ব্যবসায়ী মো. আজহারুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজহারুল ইসলাম বড়দল গ্রামের মৃত মজিদ গাজীর ছেলে। তিনি বড়দল বাজারের মুদি ব্যবসায়ী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টিপা মাছ খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আজহারুল ইসলামকে সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বর্তমানে তাঁর স্ত্রী, মা, ছেলে ও মেয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী শরিফুজ্জামান শরীফ জানান, স্থানীয় একটি বাজার থেকে পটকা মাছ কিনে আনা হয়ে। পরে রান্না করে খাওয়ার পরই পরিবারের সদস্যদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এতে একজনের মৃত্যু হয়ে। বাকিদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে আজহারুল ইসলামের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
ডা. নীতিশ চন্দ্র গোলদার বলেন, পটকা মাছ খেলে বিষক্রিয়া ঘটে। সেজন্য আমরা এ ধরনের মাছ খাওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য আমরা নিরুৎসাহিত করি। তবে বড়দলের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি আসলে কি কারণে হয়েছে তা খোঁজ নিয়ে দেখবো।

আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। আমরা বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest