সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম আর নেইস্মার্ট মেডিকেল সেন্টারে ডাঃ শিহাবের তত্ত্বাবধানে শুরু হলো অত্যাধুনিক লিভারের পরীক্ষা ফাইব্রোস্ক্যানসাতক্ষীরায় পাঁচ দিনে ৭২ ডেঙ্গু রোগী, সচেতনতায় বাড়ি বাড়ি স্বেচ্ছাসেবকবিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মাছের পোনা অবমুক্তসাতক্ষীরার কালিন্দী নদী সীমান্তে পুশ-ইনের অপচেষ্টা বিএসএফের : প্রতিহত করল বিজিবিসাতক্ষীরায় অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল পৌরসভাসাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তরদেবহাটায় ইছামতীর পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধনশরৎ এলো — নাসির খলিলআশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেফতার ৪

সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম আর নেই

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার সংবাদ অঙ্গনের পরিচিত মুখ, দৈনিক পত্রদূতের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সাতক্ষীরা জেলা ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল আলিম আর নেই।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) মাগরিবের নামাজের পর রাজধানী ঢাকার ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

ফুসফুসে বাতাস প্রবেশের জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। প্রথমে তাঁকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত ঢাকায় নেওয়া হয়। শুক্রবার সকাল ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল তাঁর ফুসফুসে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে। তবে অস্ত্রোপচার-পরবর্তী নিবিড় পরিচর্যায় থাকা অবস্থায় সন্ধ্যায় হঠাৎ খিঁচুনি উঠে তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

দীর্ঘ পেশাগত জীবনে শেখ আব্দুল আলিম দৈনিক পত্রদূতের পাশাপাশি দৈনিক সদ্যখবর ও দৈনিক সাতক্ষীরা চিত্র পত্রিকায় সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সাংবাদিকতা করেছেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি মানুষের শিক্ষা ও চিকিৎসায় নিঃস্বার্থ সহায়তা প্রদান করে তিনি বহুজনের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছিলেন।

তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে সাতক্ষীরার সাংবাদিক সমাজ, ব্যবসায়ী মহল ও সুশীল সমাজের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও সহকর্মীরা এক গভীর বেদনাবিধুর পরিবেশে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্মার্ট মেডিকেল সেন্টারে ডাঃ শিহাবের তত্ত্বাবধানে শুরু হলো অত্যাধুনিক লিভারের পরীক্ষা ফাইব্রোস্ক্যান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
স্মার্ট মেডিকেল সেন্টার সাতক্ষীরায় শুরু হলো অত্যাধুনিক লিভারের পরীক্ষা ফাইব্রোস্ক্যান।
১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকার গ্যাস্ট্রোলিভার, পিত্তথলী, পিত্তনালী ও প্যানক্রিয়াস বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আরিফুজ্জামান শিহাব এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমএস (হেপাটোবিলিয়ারী সার্জারী) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিই ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
সাতক্ষীরাতে একমাত্র খুলনা রোড মোড়, ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের বুথের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত স্মার্ট মেডিকেল সেন্টারে এই পরীক্ষা করা হয়।
ডাঃ আরিফুজ্জামান শিহাব জানান, সর্বাধুনিক প্রযুক্তিই ফাইব্রোস্ক্যান হল লিভারের এক ধরনের বিশেষ পরীক্ষা, যাহার মাধ্যমে লিভার ভাল আছে বা লিভারে চর্বি জমেছে, নাকি নষ্ট হয়ে গেছে বা লিভারের রোগটা কোন পর্যায়ে আছে তা বুঝা যায়। কোন প্রকার অপারেশন বা বায়োপসি পরীক্ষা ছাড়াই লিভার চিকিৎসায় ফাইব্রোস্ক্যান বিকল্প হিসাবে সারা বিশ্বে সফলভাবে সমাদৃত।
এই পরীক্ষা ব্যথামুক্ত ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাত্র ৫ থেকে ৮ মিনিটে লিভারের সর্বশেষ অবস্থা জানা যায়।
বি-ভাইরাস, সি ভাইরাস, লিভার সিরোসিস, ফ্যাটি লিভার ও বার বার জন্ডিস হওয়া ফলে লিভারের সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়।
খালি পেটে এই পরীক্ষা ভাল হয়।
ডাঃ আরিফুজ্জামান শিহাব সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান হিসাবে সাতক্ষীরা বাসীর উন্নত চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে লিভারের ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষা চালু করতে পারে সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পাঁচ দিনে ৭২ ডেঙ্গু রোগী, সচেতনতায় বাড়ি বাড়ি স্বেচ্ছাসেবক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ছে। আজ শুক্রবার সহ গত পাঁচ দিনে জেলায় নতুন করে ৭২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সংক্রমণ বাড়ার মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকেরা।

সাতক্ষীরা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাতক্ষীরার বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৪১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতজনকে অন্যত্র পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৪১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ পর্যন্ত সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুতে মৃত্যুর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে ১৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ৪০, তালায় ২৯, শ্যামনগরে ২৭, দেবহাটায় ১২, কলারোয়ায় ১৬, কালীগঞ্জে ১৬ এবং আশাশুনিতে ৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার সরকার বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিদিনই ১৫ জনের বেশি নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর চাপ বাড়ছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।

এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) সাতক্ষীরা। শুক্রবার (১১ সেপটেম্বর) সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর, কামালনগর, মুনজিতপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবকেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের সচেতন করেন। বৃষ্টির পর জমে থাকা পানি অপসারণ, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের বিষয়ে তারা মানুষকে জানান।

ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) সাতক্ষীরার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা নেওয়ার চেয়ে আগে থেকেই সচেতন হওয়া জরুরি। বৃষ্টির পর বাড়ির আশপাশে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে প্রত্যেক পরিবারকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিতে হবে। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইকবাল মাহমুদ পিয়াল বলেন, বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে বৃষ্টির পর বাড়ি ও আশপাশে পানি জমেছে কি না, তা নিয়মিত নজরে রাখতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মাছের পোনা অবমুক্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
জেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের আয়োজনে শুক্রবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক দীঘিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সৈয়দ ইফতেখার আলী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসান।

এ ছাড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কামরুজ্জামান ভুট্টো, সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান সজীব এবং জেলা মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসানসহ জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এতে অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার কালিন্দী নদী সীমান্তে পুশ-ইনের অপচেষ্টা বিএসএফের : প্রতিহত করল বিজিবি

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার কালিন্দী নদী সীমান্তে বৈরী আবহাওয়ার সুযোগ নিয়ে ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইন করার অপচেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির তৎপরতায় বিএসএফের এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

আজ শুক্রবার দুপুরের দিকে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন-১৭ বিজিবি-এর অধীনস্থ খুরমী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা কালিন্দী নদীর মধ্যবর্তী ছোট বাঁশঝাড়িয়া মিনি ফরেস্ট নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। স্থানটি খুরমী বিওপি থেকে দক্ষিণে আনুমানিক ৩.৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

বিজিবি সূত্র জানায়, প্রবল বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার সুযোগ নিয়ে ভারতের ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চর সাহেবখালী ক্যাম্পের সদস্যরা একটি কান্ট্রি বোট ও একটি স্পিড বোটে করে ১০-১২ জন অজ্ঞাত লোককে নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। বিজিবির খুরমী বিওপির নিয়মিত টহল দল বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিজস্ব স্পিড বোট নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বাধা দেয়। বিজিবির এই কঠোর অবস্থানের মুখে পড়ে বিএসএফ সদস্যরা ব্যর্থ হয় এবং আনুমানিক সকাল ১২টার দিকে ওই ব্যক্তিদের নিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লাহ বলেন, “দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ১৭ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল পৌরসভা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে নেমেছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিনের অবৈধ দখল উচ্ছেদে নড়েচড়ে বসেছে পৌর প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের সহায়তায় সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের সামনের একটি অবৈধ স্থাপনা স্কেভেটর দিয়ে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিকালে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী, পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাগর দেবনাথ, সার্ভেয়ার মামুন রশিদ, কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী এবং কর আদায়কারী শফিকুর রহমান পিন্টুসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য।

উচ্ছেদ অভিযান প্রসঙ্গে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (প্রশিক্ষণরত) মো. শাহেদ হোসেন বলেন, “সাতক্ষীরা পৌরসভার রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ চলছে। এখানে একটি অবৈধ স্থাপনা থাকার কারণে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। নিয়মানুযায়ী নোটিশ ও মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য পূর্বে সময় দেওয়া সত্ত্বেও তারা স্থাপনা সরায়নি। আজ অভিযানে এসেও মালামাল সরানোর জন্য অতিরিক্ত এক ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়। মালামাল নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পরপরই সফলভাবে উচ্ছেদ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া ইট-রডসহ ভবনের অন্যান্য অবশিষ্টাংশ সরিয়ে নিতে এক ঘন্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।”

পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী বলেন, “জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে স্কেভেটর ও পৌরসভার কর্মীদের সহায়তায় এ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পৌরসভার জায়গা দখল করে যারা ব্যবসা বা স্থাপনা গড়ে তুলেছে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

তিনি আরও জানান, পৌর এলাকা দখলমুক্ত করার এই ধারা অব্যাহত থাকবে। আগামীকাল শুক্রবার সাতক্ষীরা সদর থানা মসজিদের সামনে পৌরসভার রাস্তা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা কাপড়ের দোকানগুলোতেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা পৌরসভার কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও কার্যকর ও টেকসই করতে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা পৌরসভা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরঞ্জাম পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিস কাওসার আজিজ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
GO4IMPact-রূপান্তরের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কো-অর্ডিনেটর–ক্যাপাসিটি বিল্ডিং মিসেস জোহুরা খাতুন মীরা, কো-অর্ডিনেটর–মনিটরিং, ইভ্যালুয়েশন অ্যান্ড লার্নিং কবিরুল হাসনাত প্রান্তসহ প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নতুন মুভেবল স্কিপ বিন ও বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান ব্যবহারের মাধ্যমে নির্ধারিত স্থান থেকে বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন আরও সুশৃঙ্খল হবে। এতে অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ফেলার প্রবণতা কমার পাশাপাশি পৌর এলাকার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পানি ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
GO4IMPact প্রকল্পটি রূপান্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে WaterAid Bangladesh ও Swisscontact Bangladesh কনসোর্টিয়াম সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এবং Swiss Agency for Development and Cooperation (SDC) প্রকল্পটির অর্থায়ন করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ইছামতীর পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটায় ইছামতি নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মো. কাউসার আজিজ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় উপজেলার কোমরপুর এলাকায় শাখরা-কোমরপুর ব্রিজ সংলগ্ন ইছামতি নদীর বেড়িবাঁধে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. কাউসার আজিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মঈনুল ইসলাম মঈন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটার সহকারী কমিশনার (ভূমি) চৌধুরী আল মাহমুদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে জেলা প্রশাসক মো. কাউসার আজিজ বলেন, নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করা হলে বাঁধের স্থায়িত্ব ও মাটি ধরে রাখার সক্ষমতা বাড়ে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও প্লাবনের ক্ষয়ক্ষতি কমাতেও বৃক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির লক্ষ্য বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন কাজ করছে। শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে প্রত্যেক পরিবারকে বাড়ির আঙিনা ও আশপাশের খালি জায়গায় বৃক্ষরোপণ করতে হবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও উপকূলীয় এলাকার সুরক্ষায় সবাইকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে জেলা প্রশাসক ও অতিথিরা ইছামতি নদীর বেড়িবাঁধের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest