সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধনদেবহাটায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বখাটেদের উৎপাত : উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাভারতের উপকূলে জাহাজ ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাংলাদেশি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সাতক্ষীরার মামুন : উদ্বিগ্ন পরিবারদেবহাটায় শিশু শ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণাদেবহাটায় অপসিজন তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চাষীরাঅবশেষে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারি রাকেশ মেহেরপুরে বদলিভারতে চিকিৎসা নিতে যেয়ে কলকাতার হোটেলে মারা যাওয়া সাতক্ষীরার সাজুর দাফন সম্পন্নমৎস্য খাতের উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় জোর দিল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিআমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন : সভাপতি প্রভাষক আরিফুলদেবহাটা থানায় নবাগত ওসি এইচএম শাহীন-এর যোগদান

সাতক্ষীরায় পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে শহরের সঙ্গীতা মোড় কামালনগর এলাকায় এ ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,কলকাতা পিয়ারলেস হসপিটালের গ্রুপ মার্কেটিং হেড অফিসার মি. ইন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি,পিয়ারলেস হসপিটালের আন্তর্জাতিক মার্কেটিং ম্যানেজার নির্ঝর ঘোষ,ফ্রেন্ডশিপ কম্পিউটার -২ পরিচালক রাজু ঘোষ,আর এমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদরের সেক্রেটার আব্দুল মোমেন সহ আরো অনেকে।

অনুষ্ঠানে পিয়ারলেস হাসপাতালের বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ, হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সম্পর্কে উপস্থিতদের অবহিত করা হয়।

আয়োজকরা জানান, সাতক্ষীরার রোগীদের কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যেই এ ইনফরমেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বখাটেদের উৎপাত : উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা
দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের সামনে শিক্ষার্থীদের ছুটির সময় বখাটেদের উৎপাত বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটির পরপরই সড়ক ও প্রতিষ্ঠানের আশপাশে একদল কিশোর-যুবকের বেপরোয়া চলাফেরা, উচ্চ শব্দে মোটরসাইকেল চালানো এবং শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নানা ধরনের অশোভন আচরণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ছুটির সময় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে রংবেরঙের ও পরিবর্তিত মোটরসাইকেল নিয়ে কয়েকজন কিশোর-যুবক জড়ো হয়। অনেক সময় একটি মোটরসাইকেলে তিনজন পর্যন্ত আরোহী দেখা যায়। তারা বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানো, অযথা শব্দ করা এবং দলবদ্ধভাবে ঘোরাফেরা করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে।
অভিভাবকদের দাবি, এসব যুবকের আচরণে অনেক ছাত্রী ও শিক্ষার্থী বিব্রতবোধ করছে। কেউ তাদের এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে। ফলে অনেক অভিভাবক সন্তানদের স্কুল-কলেজে পাঠানোর পর ছুটির সময় তাদের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো থেকে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে নিয়মিত নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এ ধরনের উৎপাত অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।
এ বিষয়ে অভিভাবক ও স্থানীয়রা দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটির সময়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশি টহল ও নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিভাবকদের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বখাটেপনা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো ও হুমকি-ধমকির মতো কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের উপকূলে জাহাজ ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাংলাদেশি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সাতক্ষীরার মামুন : উদ্বিগ্ন পরিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি :
ভারতের উপকূলের কাছে বঙ্গোপসাগরে পানামার পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ ‘এমভি ওশান উইনার’ ডুবে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ বাংলাদেশি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন।

তিনি সাতক্ষীরা পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের আমতলা এলাকার ডক্টর আব্দুর রহিমের পুত্র।

আল মামুনের বড় ভাই আব্দুল্লাহ আল বাকি বলেন, ‘এখনো কোনো দিক থেকে কোনো আপডেট পাচ্ছি না। ইন্ডিয়ান কোস্টগার্ডের পেজে কখন আপডেট হয়, তারা কোনো ব্রিফিং করে কি না সেটার জন্য অপেক্ষা করছি।’ গত বুধবার পরিবারের সাথে সর্বশেষ মামুনের কথা হয়েছিল।
তিনি জানান, শনিবার দুপুরের দিকে পরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে জাহাজডুবির খবর পান তারা। তবে এখন পর্যন্ত মামুনের অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের মধ্যে চরম উদ্বিগ্নতা বিরাজ করছে।

নিখোঁজ আব্দুল্লাহ আল মামুন এর বন্ধু শাহাদাত আল কাবিজু বলেন, সে আমার খুব কাছের বন্ধু আমরা একসাথে বড় হয়েছি। নিখোঁজের আপডেটআমরা পাইনি। এটা নিয়ে আমরা খুব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিস কায়সার আজিজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি আমি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় শিশু শ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা
দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় শিশুশ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা ও উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলার পারুলিয়া সীমান্ত ট্রেড স্কুল চত্বরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অর্থায়নে এবং সুশীলন দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রামের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান।
সুশীলনের সিভিও কমিটির সভাপতি ও সাংবাদিক লিটন ঘোষ বাপীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে. বাপ্পা, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, ইছামতি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আহসানুছ সালেহীন, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক কে.এম. রেজাউল করিম, পারুলিয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য নুর বানু কাদেরী, হাছিনা খাতুন ও রেহেনা পারভিন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুশীলনের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার আসাদুজ্জামান রিপন, সুফলভোগী আল আমিন হোসেন ও পিংকি রানী মুক্তাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিশুশ্রম থেকে ফিরে আসা শিশুদের অভিভাবক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পারুলিয়া ইউনিয়নে মোট ৩৬ জন শিশু শিশুশ্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। তাদের মধ্যে মোটিভেশন, সহযোগিতা ও বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে ৩০ জন শিশুকে পুনরায় পড়াশোনায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। বাকি ৬ জন শিশুকেও শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
অনুষ্ঠানে শিশুশ্রমের ক্ষতিকর দিক, শিশুদের শিক্ষার অধিকার এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
পরে অনুষ্ঠানের সভাপতি পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু পারুলিয়া ইউনিয়নকে শিশুশ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে ঘোষণা করেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, শিশুশ্রম বন্ধ করে প্রতিটি শিশুকে বিদ্যালয়মুখী করা গেলে একটি শিক্ষিত, দক্ষ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এ উদ্যোগ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠান শেষে শিশুশ্রমমুক্ত হওয়া শিশু ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আয়োজক ও অতিথিরা মতবিনিময় করেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় অপসিজন তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চাষীরা

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটায় অফসিজন তরমুজ চাষ করে অনেক বেকার যুবক, মহিলা, শিক্ষার্থী ও কৃষক স্বাবলম্বী হচ্ছেন। দেবহাটা উপজেলায় এই অফসিজন তরমুজের চাষ করে একদিকে যেমন বেকার ও কৃষকরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন অন্যদিকে নতুন এই কৃষিপণ্য চাষে মহিলারাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। ঘেরের জমির পাড়ে মাচান তৈরি করে এই তরমুজের চাষ করা হচ্ছে। যার কারণে বাড়তি কোনো জমিরও প্রয়োজন পড়ছে না। দেবহাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেবহাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে গত ৪/৫ বছর ধরে এই অপসিজন তরমুজ ও সবজির চাষ হচ্ছে। গত ২ মাস পূর্বে কৃষক ও বেকার যুবকদের বিনামূল্যে অফসিজন তরমুজের বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়। এছাড়া তরমুজের মাচান তৈরি ও প্রশিক্ষন প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়। এছাড়া কৃষি অধিদপ্তরের মাধ্যমে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্বাবধানে এবছর মোট ৩৭ হেক্টর জমিতে এই অপসিজন তরমুজ চাষ করা হচ্ছে।

গত বছর যেটা ছিল ৩০ হেক্টর। মোট চারটি জাতের বীজ সেগুলো হলো তৃপ্তি, ব্লাক বেবি, সুগারকুইন ও বাংলালিংক নামের বীজ প্রদান করা হয়। প্রতি বিঘা জমিতে ১০০ গ্রাম থেকে ১২০ গ্রাম বীজ রোপণ করা যায়। এই অফসিজন তরমুজ প্রতি কেজি ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করা হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী পড়াশুনার পাশাপাশি তাদের ঘেরের নিজস্ব জমিতে এই তরমুজের চাষে ঝুঁকছে। এ বছর আশানুরূপ ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আগামীতে বেশি করে এই তরমুজ চাষে কৃষকরা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন বলে কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল টিকেট গ্রামের কৃষক কৃঞ্চ চন্দ্র জানান, সে বেকার থাকায় ঘেরের পাশাপাশি দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ তাকে এই অফসিজন তরমুজ চাষে উদ্বুদ্ধ করে।

মোস্তাক আহম্মেদের পরামর্শে সে তার নিজস্ব জমিতে অফসিজন তরমুজের চাষ করেছে। এখানে পানি লোনা হওয়ার কারনে কোন সবজি হতোনা। কিন্তু তরমুজ চাষ করে ইতিমধ্যে লক্ষাধিক টাকা মুনাফা করেছে এবং আরো ৫০হাজার টাকার মতো বিক্রি হবে বলে কৃঞ্চ জানান। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ জানান, দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তিনি সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন। এই অফসিজন তরমুজ চাষের পদ্ধতি ও বিভিন্ন নিয়ম সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করেছেন। দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ শওকত ওসমান দেবহাটা উপজেলায় এই তরমুজের আশানুরূপ ফলন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, এই চাষে মহিলারা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। আগামীতে আরো বড় আকারে এই তরমুজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হবে।

তিনি বলেন, চলতি বছরে ৩৭ হেক্টর জমিতে এই অপসিজন তরমুজ চাষ করা হচ্ছে। যার থেকে কৃষকরা বাড়তি মুনাফা অর্জন করতে পারছেন। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, এই মৌসুমে প্রনোদনা কর্মসূচীর আওতায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃষকদেরকে বিনামূল্যে অপসিজন তরমুজের বীজ, সার ও সকল প্রকারের সহযোগীতা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা স্বাবলম্বী হচ্ছে এবং দেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারি রাকেশ মেহেরপুরে বদলি

নিজস্ব প্রতিনিধি:
অনেক জল্পনা কল্পনা শেষে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারি রাকেশ মল্লিককে মেহেরপুরে বদলি করা হয়েছে। গত ১৯ আগস্ট খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারি সচিব মোছা: রনি খাতুন স্বাক্ষরিত একপত্রে রাকেশ মল্লিককে মেহেরপুর জেলা পরিষদে এবং মেহেরপুর জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী এস এম রোকনুজ্জামানকে সাতক্ষীরা জেলাপরিষদের বদলী করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে দায়িত্ব পালনকালে রাকেশ মল্লিককে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ, অনুমোদন ও সেবা গ্রহণকে কেন্দ্র করে একাধিক ব্যক্তি ও ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।

তালা উপজেলার কয়েকজন ঠিকাদার ও স্থানীয় ব্যক্তি অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের বিভিন্ন কাজ ও সেবা নিতে গিয়ে তাদের নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। পাশাপাশি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এসব অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছিল।

এদিকে রাকেশ মল্লিকের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, তিনি আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং দলটির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল। তবে এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য দলীয় নথি বা তাঁর নিজের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি অভিযোগ ও স্থানীয়দের দাবির পর্যায়েই রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় ঠিকাদার বলেন, “রাকেশ মল্লিকের বদলিতে আমরা স্বস্তি পেয়েছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে চিকিৎসা নিতে যেয়ে কলকাতার হোটেলে মারা যাওয়া সাতক্ষীরার সাজুর দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতে চিকিৎসা নিতে যেয়ে কলকাতার হোটেলে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া আলিমুজ্জামান সাজুর লাশ শনিবার দুপুর সোয়া ১২ টায় তার স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের জিরো পয়েন্টে বিজিবি,পুলিশ ও বিএসএফ এর উপস্থিতিতে নিহতের ভাই মাহামুদুল হাসান দীপুর কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। বিকেল পাঁচটায় কালিগঞ্জের বরেয়া সরদার বাড়ি জামে মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সাজুর লাশ দাফন করা হয়।

তবে ১৯ আগষ্ট রাতে একই হোটেলে নিহত রেবতী সরকারের লাশ শুক্রবার রাত ১১ টায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার নিমাইতীর্থ মহাশ্মশানে দাফন করা হয়েছে।

নিহত আলিমুজ্জামান সাজু সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বরেয়া গ্রামের ইউনুস সরদারের। নিহত রেবতী একই উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের ভবেশ সরকারের স্ত্রী।

বরেয়া গ্রামের হামুদুল হাসান দীপু জানান,তার ভাই আলিমুজ্জামান সাজু কোমরের ব্যাথার কারণে আট দিন আগে ভারতে চিকিৎসা নিতে যেয়ে ১৯ আগষ্ট দিবাগত রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার হোটেল শিখা ইন এ অগ্নি দগ্ধ হয়ে মারা যায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শনিবার দুপুর সেয়া ১২ টায় ভারতীয় বিএসএফ তার লাশ ভোমরা বন্দরের জিরো পয়েন্টে পুলিশ ও বিজিবির উপস্থিতিতে তাদের কাছে হস্তান্তর করে। দুপুর দুটোর দিকে সাজুর লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। লাশ বাড়িতে পৌছানোর পর কয়েক হাজার মানুষ তাকে এক নজরে দেখার জন্য ভিড় জমায়। অনেকে চোখের পানিতে তাকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করে। বিকেল পাঁচটার দিকে বরেয়া সরদার বাড়ি জামে মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে সাজুর লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

অনিক সরকার জানায়,তার মা রেবতী সরকার গত ১২ আগষ্ট ভারতে চিকিৎসা নিতে যায়।১৯ আগষ্ট রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার হোটেল রাখি ইন এ অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়। শুক্রবার রাত ১১ টায় মায়ের লাশ পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার নিমাই তীর্থ শ্মশানঘাট সৎকার করা হয়েছে।
ভোমরা ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সজীব বালা ও ভোমরা বিজিবির কোম্পানি কমাণ্ডার আফজাল হোসেন জানান, আজ দুপুর সোয়া ১২ টায় আলিমুজ্জামান সাজুর লাশ তার স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। # সাতক্ষীরা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মৎস্য খাতের উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় জোর দিল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি

অনলাইন ডেস্ক :
‘রুপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ডিপার্টমেন্ট অব ফিসারিজ আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের মৎস্যখাতের উন্নয়নে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিসারিজ রিসার্চ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো: লতিফুল ইসলাম এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ফিসারিজ এর বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. খন্দকার আনিসুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ আমিরুল ইসলাম, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কৃষি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম এ রহিম এবং ঢাকা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. এসকে ফারজানা ইসলাম (ঊর্ধ্বতন সহকারি পরিচালক)।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ফিসারিজ রিসার্চ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম বলেন, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেকসই সুনীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে মৎস্যখাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বর্তমান সরকার এ খাতের উপর যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে ইতিমধ্যে নানা কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘ফিসারিজ’ শিক্ষায় শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে দক্ষ করে তুলতে হবে।

স্মার্ট ক্লাসরুম, আধুনিক ল্যাবরেটরি, experimental pond এবং practical-based শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও মৎস্যশিল্পের সঙ্গে ইন্টার্নশিপএব শিল্প- সংযোগ -এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাও নিশ্চিত করতে হবে।
জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে দেশের মৎস্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল বলেন, বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিই একমাত্র উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে ‘ফিসারিজ’ বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করা হয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য যেমন গর্বের বিষয়, তেমনি দেশের মৎস্যখাতের জন্য দক্ষ ও জ্ঞানভিত্তিক মানবসম্পদ তৈরির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা, সুনীল অর্থনীতি এবং টেকসই উন্নয়ন, যুগোপযোগী উদ্ভাবন-এর গুরুত্ব বিবেচনা করেই ডিআইইউ-তে ডিপার্টমেন্ট অব ফিসারিজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আধুনিক মৎস্যখাতের চাহিদা অনুযায়ীী শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে বিভাগে যুগোপযোগী ও শিল্প বান্ধব কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছ।
উপাচার্য বলেন, মৎস্যখাতে তরুণদের জন্য চাকরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা হওয়ারও ব্যাপক সুযোগ রয়েছ। Biofloc, Aquaponics, Recirculating Aquaculture System (RAS), Integrated Multi-Trophic Aquaculture (IMTA), Ornamental Fish Business, Pearl Culture Ges Fish Processing Industry-এর মতো উদীয়মান ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ রয়েছে।
ফিসারিজ গ্র্যাজুয়েটদের ক্যারিয়াারের বিস্তৃত সুযোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ফিসারিজ ক্যাডারের পাশাপাশি সাধারণ BCS-এর বিভিন্ন ক্যাডারেও ফিসারিজ গ্র্যাজুয়েটরা অংশগ্রহণ করতে পারেন। এছাড়া বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট (BFRI), বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করের্পারেশন (BFDC), বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউট (BORI), বিভিন্ন সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় NGO, উন্নয়ন সংস্থা, মৎস্য খামার, হ্যাচারী, খাদ্য শিল্প, ফিস প্রসেসিং এবং রপ্তানী শিল্প-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, ফিসারিজ বর্তমানে একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় আন্তর্জাতিক গবেষণাক্ষেত্র। শিক্ষার্থীরা একোয়াকালচার, ম্যারীকালচার, সমুদ্রবিজ্ঞান, সমুদ্রবিদ্যা, মৎস্য রোগ, মৎস্যব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, সুনীল অর্থনীতি, এআই এবং মেশিন লার্নিং, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, মাইক্রোবায়োলজি ও জৈবরসায়ন -এর মতো আন্ঃবিভাগীয় ক্ষেত্রেও উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest