সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটার পারুলিয়ায় মৎস্য ঘেরে ডাকাতিতে বাধা : মৎস্য চাষীকে কুপিয়ে জখমতালায় শ^াসরোধ করে হত্যার ঘটনা আত্মহত্যা বলে প্রচারের অভিযোগদৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নূর ইসলামের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিসাতক্ষীরার রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের নেতৃত্বে কেডি – মেহেদীখুলনা বিভাগীয় ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে যুক্ত হলো সাতক্ষীরা জেলা কমিটিজুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের বিক্ষোভসাতক্ষীরা পৌর ৬নং ওয়ার্ডের কুখরালী এলাকায় মাদক বিরোধী সমাবেশকালিগঞ্জে সঞ্জিব হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে কাকা গ্রেফতারসাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মোড় সংলগ্ন সরদার পাড়ায় ড্রেন সংস্কার কাজের উদ্বোধনসাতক্ষীরার কালিগঞ্জে যুবকের মরদেহ উদ্ধার: পরিবারের দাবি হত্যাকান্ড

দেবহাটার পারুলিয়ায় মৎস্য ঘেরে ডাকাতিতে বাধা : মৎস্য চাষীকে কুপিয়ে জখম

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের ঘুরনচন্ডি এলাকায় একটি মৎস্য ঘেরে ডাকাতির ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে ইয়াদিন আলী মোল্যা নামে এক মৎস্য চাষী গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার দিবাগত ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ইয়াদিন আলী মোল্যা দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের মৃত সামসুদ্দিন মোল্যার ছেলে। এ ঘটনায় তার ছেলে গোলাম আইয়ুব আজম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো ইয়াদিন আলী নিজের মৎস্য ঘেরে পাহারায় ছিলেন। ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে পারুলিয়া পলগাদা এলাকার শফিকুল ইসলামের দুই ছেলে মোহাম্মদ আলী ও ওমর আলী এবং একই এলাকার পুটুর ছেলে লাদেন সংঘবদ্ধভাবে ঘেরে নেমে আটল থেকে মাছ তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ইয়াদিন আলী তাদের বাধা দিলে হামলাকারীরা তার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
তার চিৎকারে আশপাশের ঘেরের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
স্থানীয় মৎস্য চাষী খায়রুল ইসলাম, মাসুদ রানা ও ওহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন জানান, গভীর রাতে সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন মৎস্য ঘেরে প্রবেশ করে মাছ লুট করে নিয়ে যায়। অস্ত্রের মুখে তারা কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেন না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় শ^াসরোধ করে হত্যার ঘটনা আত্মহত্যা বলে প্রচারের অভিযোগ

সাতক্ষীরার তালায় স্ত্রীকে শ^াসরোধ করে হত্যার ঘটনা আত্মহত্যা বলে প্রচার চালিয়েছে ঘাতক স্বামী ও তার সহযোগীরা। এ হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহতের মাতা রোজিনা খাতুন।
রোববার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে কলারোয়া রাজপুর গ্রামের গফুর সরদারের কন্যা রোজিনা খাতুনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার ভাই আকবর আলী।
তিনি বলেন, আমার বড় কন্যা আশা আক্তার(১৯) এর সাথে তালা উপজেলার আলাদীপুর গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে রিয়াদ খাঁ (২৩) এর সাথে অনুমান ২০২৫ সালের শেষের দিকে বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে রিয়াদ খাঁ বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের দাবিতে আমার কন্যা উপর অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। সে সময় আমার নগদ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। এছাড়া একটি মোটরসাইকেল দাবি করে আসছিল। এ নিয়েই বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং রিয়াদ খাঁ, তার মাতা নাহার খাঁ, পিতা- আইয়ুব আলী খাঁ আমার কন্যা আশার উপর অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। একপর্যায়ে গত ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ৯ তারিখে যশোরে বসবাসরত চাচাতো ভাই আমাদের ফোন করে জানান আমার কন্যা আত্মহত্যা করেছে। জামাতার বাড়ি থেকে কেউ কোন খবর আমাদের দেয়নি। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে গিয়ে জানতে কন্যার লাশ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তখনই আমাদের সন্দেহ হলেও থানা পুলিশ এবং জেলা সমবায় কর্মকর্তা সোহরাবের কারনে তালা থানায় তড়িঘড়ি করে একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়। যার কিছুই আমার বুঝতে পারেনি। অথচ আসামীরা হাসপাতালে লাশ রেখে পালিয়ে যায়। তারপরও থানার এস আই জিয়াদ জোরপূর্বক আমার স্বামীর কাছ থেকে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।

ঘটনার পরের দিন আমরা নানাভাবে খবর নিয়ে জানতে পারি রিয়াদ খাঁর অন্য মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সেটা আমার কন্যা জানতে পারে আপত্তি করার কারনেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। এটা বুঝতে পারার পর প্রমান জোগাড় করা জন্য সমবায় কর্মকর্তা সোহরবারে সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে আমার ভাই আকবর আলী। কথাবার্তার একপর্যায়ে সোহরাব বলেন “রিয়াদ ভালো ছেলে না, তার অন্য মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে এবং রিয়াদের মাতা নাহারও সুবিধাজনক না, সে বিদেশে থাকত, সেখান থেকে এসে বড় বড় সন্তান রেখে অন্যত্র বিবাহও করেছে”। এখান থেকেই স্পষ্ট যে রিয়াদ তার অবৈধ প্রেমের কারনেই আমার কন্যাকে হত্যা করেছে। এরপর এবিষয়ে থানা হত্যা মামলা করতে গেলে থানা ওসি শহিদুল ইসলাম হাওলাদার মামলা না দিয়ে তাড়িয়ে দিয়ে বলে আদালতে যাও। উপায়ন্ত হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত ইউডি মামলার কপি চেয়ে থানাকে নির্দেশ দিলেও থানা দীর্ঘ ৫মাস ধরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মামলার ফাইনাল রিপোর্ট দেন। এরপর আদালত মামলাটির তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশের উপর দায়িত্ব দিয়েছেন।

আমরা ধারনা করছি সোহরাব থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে আমার কন্যা হত্যার বিষয়টি আত্মহত্যা বলে চালাচ্ছে। ডিবিপুলিশকেও সে ম্যানেজ করতে পারে। তিনি একজন সন্তান হারা মা হিসেবে সন্তানের হত্যার প্রকৃত ঘটনা উৎঘটন এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে এবিষয়ে সমবায় কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন। আমি সাতক্ষীরা শহরে বসবাস করি। ওই ঘটনার সাথে জড়িত না। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নূর ইসলামের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতি

সাতক্ষীরার বহুল প্রচারিত দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জিএম নূর ইসলামের বিশেষ একটি অপারেশন পরবর্তী চিকিৎসার জন্য ডিজিটাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর আশু সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান,

যুগ্ম সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন,সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন গোলদার,অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুর জামান সুমন, সাহিত্য সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ ও আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের নেতৃত্বে কেডি – মেহেদী

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সামাজিক সেবা, নেতৃত্বের বিকাশ এবং মানবিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে স্মার্ট মেডিকেল সেন্টারের হলরুমে রোটার্য্যক্ট ক্লাব অব সাতক্ষীরার পাস্ট প্রেসিডেন্ট আবুল হোসেন এর পরিচালনায় ২০২৬-২৭ রোটা বর্ষের জন্য সভাপতি কর্ণ বিশ্বাস কেডি এবং সেক্রেটারি মেহেদী হাসান নির্বাচিত হন।
ক্লাবের অন্যসদস্যরা হলেন নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আতিক মুজাহিদ ও মুজাহিদুল ইসলাম ।

কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন মো : আমিনুর রহমান । যুগ্ম সম্পাদক শারমিন আক্তার রিয়া, অন্যান্য সদস্যরা হলেন- নূর ইসলাম (ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ডিরেক্টর), সাদিয়া সুলতানা (প্রফেশনাল সার্ভিস ডিরেক্টর), সুকান্ত দাস (কমিউনিটি সার্ভিস ডিরেক্টর), মোকাররম বিল্লাহ ইমন (ক্লাব সার্ভিস ডিরেক্টর),পূজা সরকার (ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস ডিরেক্টর), আতিক(সার্জেন্ট অ্যাট আরমস)।

নবনির্বাচিত সভাপতি কর্ণ বিশ্বাস কেডি বলেন, আমাদের ক্লাবকে সত্যিকারের পরিবর্তনের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। আগামী এক বছরে আমরা এমন কিছু উদ্যোগ নিতে চাই, যা শুধু রোটার‍্যাক্ট সদস্যদের নয়, যা সাতক্ষীরার যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্ব বিকাশ, ক্যারিয়ার প্রস্তুতি এবং সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও সমাজের অসহায় পরিবার ও শিশুদের পাশে দাড়ানোই আমাদের লক্ষ্য।

নতুন কমিটি সাতক্ষীরা জেলার সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং যুবদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনা বিভাগীয় ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে যুক্ত হলো সাতক্ষীরা জেলা কমিটি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : খুলনা বিভাগ টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সাতক্ষীরা টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি ও সাধারণ সদস্যবৃন্দ। এর মাধ্যমে খুলনা বিভাগের ক্যামেরা সাংবাদিকদের বৃহত্তর সংগঠনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলো সাতক্ষীরা জেলা কমিটি।

গতকাল (৩ জুলাই) বিকালে খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগ টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান আল-মামুন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজালাল মোল্লা মিলনের যৌথ স্বাক্ষরিত অনুমোদনপত্র সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি মাসুদ রানা মনা ও সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেনের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে, গত ১ জুলাই ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে অ্যাসোসিয়েশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে ও কণ্ঠভোটে ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য ১৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মাসুদ রানা মনা (এখন টিভি), সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেন (৭১ টিভি), সহ-সভাপতি জাকির হোসেন (এসএটিভি), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইয়ারুল ইসলাম (এটিএন বাংলা), সাংগঠনিক সম্পাদক সোহারাব হোসেন সৌরভ (ইনডিপেনডেন্ট টিভি), সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন সবুজ (ডিবিসি নিউজ), দপ্তর সম্পাদক সাগর হোসেন (সময় টিভি), অর্থ সম্পাদক রাকিব হোসেন (বাংলাভিশন), প্রচার ও ক্রীড়া সম্পাদক একরামুলজ্জামান জনি (মাই টিভি), কার্যকরী সদস্য হাবিবুর রহমান পলাশ (চ্যানেল আই) এবং সাধারণ সদস্য হিসেবে রয়েছেন জাফর হোসেন (জিটিভি), ইমন হোসেন (এনটিভি), জহিরুল জুয়েল (আরটিভি), তানভির নাইম (এশিয়ান টিভি) ও রাসিক সিহাব (চ্যানেল ওয়ান)।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ বলেন, খুলনা বিভাগের ক্যামেরা সাংবাদিকদের এই বৃহৎ পরিবারের অংশ হতে পেরে তারা সম্মানিত ও অনুপ্রাণিত। এটি তাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের একটি মুহূর্ত। সবার দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে পেশাদারিত্ব, ঐক্য এবং সংবাদকর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় তারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যেতে চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি: জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার বিকাল ৪ টায় শহরের আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন,গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, সরকার জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে সরকারকে আহবান জানান।

জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলােমর সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মো:ওমর ফারুক, কর্মপরিষদ সদস্য এড আজিজুল ইসলাম, শিবির সভাপতি মেহেদি হাসান, এনসিপি, এবিপাটিসহ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ।

বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াতসহ ১১ দলের জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর ৬নং ওয়ার্ডের কুখরালী এলাকায় মাদক বিরোধী সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ “মাদককে না বলুন, খেলাধুলাকে হ্যাঁ বলুন”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কুখরালী এলাকায় মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকায় মাদক বিক্রেতা ও মাদকসেবীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং অল্পবয়সী কিশোর-তরুণদের মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষার দাবিতে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় কুখরালী এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলাকায় মাইকিং, সচেতনতামূলক র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয়দের অংশগ্রহণে মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে কয়েকটি সন্দেহভাজন মাদকসেবনের আস্তানা ও অভিযুক্ত মাদক কারবারিদের বাড়ির আশপাশে প্রতীকী গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালিত হয়।

বক্তব্য রাখেন, ৬নং ওর্য়াড বিএনপির সাবেক আহবায়ক শেখ আশরাফ হোসেন,৬নং ওর্য়াড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন,যুবদলের নেতা সাইফুল ইসলাম, ৬নং ওর্য়াডের ওলামা বিভাগের সভাপতি রুস্তম আলী,সাংবাদিক একরামুজ্জামান (জনি) সহ আরো অনেকে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই নয়, একটি পরিবার, সমাজ এবং পুরো জাতির ভবিষ্যৎকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই মাদকের বিস্তার রোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারের কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মাদকের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

আলোচনা সভায় বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সীমান্তবর্তী জেলায় মাদক পাচারের ঝুঁকি দীর্ঘদিনের একটি চ্যালেঞ্জ। তারা সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

সমাবেশে উপস্থিত এলাকাবাসী মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং ভবিষ্যতেও মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন, জনসচেতনতা কার্যক্রম ও সম্মিলিত প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে সঞ্জিব হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে কাকা গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সঞ্জিব হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে আপন কাকা গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে গ্রেপ্তার কালিগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত নেপাল সরকার কালিগঞ্জ উপজেলার ঠেকরা রহিমপুর গ্রামের মৃত অনন্ত সরকারের ছেলে এবং নিহত সঞ্চিব কুমার সরকারের আপন কাকা।

এর আগে বুধবার সকালে নিজের মৎস্য ঘের থেকে সঞ্জিব কুমার সরকারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় সঞ্ঞ্জিবের বাম চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ভারী জিনিস দিয়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। সে সময় সঞ্জীবের মা মায়া রানী ম-ল তার ছেলে ও স্ত্রী প্রিয়া ম-ল স্বামী সঞ্জীব হত্যার জন্য আনন্দ সরকার, তাপস সরকার ও শাওনকে দায়ী করেন।

এঘটনায় নিহতের পিতা গোপাল সরকার বুধবার রাতে বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আসামীরা হলেন, মৃত অনন্ত সরকারের পুত্র নেপাল সরকার,গঙ্গাধর সরকারের ছেলে আনন্দ সরকার, একই গ্রামের নেপাল সরকারের ছেলে তাপস সরকার ওরফে ডালিম ও আনন্দ সরকারের ছেলে শাওন সরকার।
এদিকে, ঠেকরা রহিমপুর গ্রামে গেলে মাষ্টার বিজয় সরকার জানান, তাদের শরীক গোপাল সরকার ঠেকরা বিলে ২২ বিঘা মাছের ঘের করেন। তার ছেলে সঞ্জীব সরকার আট বিঘা ঘের করেন। গোপাল সরকারের ছোট ভাই পঞ্চানন সরকার ১৫ বছর আগে মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী মাধবী সরকারের কাছ থেকে তাপস সরকার ওরফে ডালিম ১২ বিঘা ও সঞ্জীব সরকার তিন বিঘা জমি লীজ নিয়ে তৃতীয় বছরের জন্য মাছ চাষ করতো। ৪৫ হাজার টাকার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা লীজ বাবদ তার কাকিমা মাধবীকে পরিশোধ করেছে সঞ্জীব।

গত ৩১ মে রাতে সঞ্জীব সরকার তাপসের ঘের থেকে মাছ চুরি করেছে মর্মে অভিযোগ ওঠে। এক সপ্তাহ পর এনিয়ে গ্রামের পশুপতি সরকারের বাড়িতে শালিসি বৈঠক হলেও সঞ্জীবের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করা যায়নি। এনিয়ে তাপস সরকার, আনন্দ সরকার ও শাওন সরকারের সাথে সঞ্জীবের বিরোধ চলে আসছিলো।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শহীদুল ইসলাম জানান, সঞ্জীব সরকার হত্যার ঘটনায় তার বাবা গোপাল সরকারি বাদি হয়ে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০জনকে আসামী করে বুধবার রাতে থানায় একটি হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন। রাতেই ঘঁনার সঙ্গে জড়িত থাকার পর অনন্ত সরকারের ছেলে নিহতের কাকা নেপাল সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest