সর্বশেষ সংবাদ-
কানাডা পশ্চিম বিএনপির বিতর্কিত কার্যক্রম ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভশ্যামনগরে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা : সরেজমিনে মিলল ভিন্ন চিত্রসাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবিদেবহাটা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সৌজন্য সাক্ষাৎলবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিতে সাতক্ষীরার কৃষি, টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ার আহ্বানআদালতের আদেশ অমান্য করে বাঁশদহে পৈত্রিক জমি জবর দখলের অভিযোগবাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার বর্ধিত সভা  চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীজাকজমক পূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ভাই ভাই ট্রেডার্সের হালখাতানিউইয়র্ক সিটি পুলিশে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেলেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান আব্দুল হালিম

কানাডা পশ্চিম বিএনপির বিতর্কিত কার্যক্রম ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক : কানাডা পশ্চিম বিএনপির সাম্প্রতিক কিছু কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে প্রবাসী বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবি ও তথ্যকে কেন্দ্র করে সংগঠনের ভেতরে অস্বস্তি ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি কানাডায় অবস্থানরত মাকসুদুল হক—যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “ম্যাক হক” নামে রাজনৈতিক মন্তব্যের জন্য পরিচিত তাকে নিয়ে বিএনপির কানাডা পশ্চিম শাখার সভাপতি আব্দুল আহাদ খন্দকার, রনি চৌধুরীসহ কয়েকজন নেতার সঙ্গে তোলা ছবি প্রকাশিত হলে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
বাংলা মেলার আয়োজনের প্রেক্ষাপটে এসব ছবি প্রকাশিত হলেও, অনেক সমর্থক বিষয়টিকে সংগঠনের ভাবমূর্তির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন।

প্রবাসী বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, মাকসুদুল হক সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের নির্বাচিত জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় মন্তব্য ও স্ট্যাটাস লিখে থাকেন, যা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে গভীর ক্ষোভ বিরাজমান।
এই পটভূমিতে তাঁকে নিয়ে বিএনপির কিছু নেতার হাস্যোজ্জ্বল ছবি প্রকাশিত হওয়ায় সমর্থকরা আরও বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

তাঁদের মতে, দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যকারী ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা প্রদর্শন করা সংগঠনের আদর্শ ও শৃঙ্খলার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এদিকে, ক্ষুব্ধ সমর্থকরা ইতোমধ্যে স্থানীয় এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে তাঁদের উদ্বেগ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে কানাডা পশ্চিম বিএনপির আংশিক কমিটির সভাপতি আব্দুল আহাদ খন্দকারের বিরুদ্ধে প্রাদেশিক বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ অনাস্থা প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জনাব আনোয়ার হোসেন খোকনের কাছে।
দলীয় সূত্র জানায়, ওই অনাস্থা প্রস্তাব এবং সাম্প্রতিক বিতর্কিত ঘটনাবলীর কারণে কেন্দ্রীয় বিএনপি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। সম্প্রতি মেয়াদোত্তীর্ণ আংশিক কমিটির এই নেতাদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

প্রবাসী বিএনপির একাধিক নেতার মতে, এসব ঘটনায় সংগঠনের ভেতরে শৃঙ্খলা, সমন্বয় ও দায়িত্বশীল আচরণের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা : সরেজমিনে মিলল ভিন্ন চিত্র

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম, তার ছেলে এবং কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে মামলা করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর-রাদ কর্পোরেশন। তবে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে অভিযোগের সঙ্গে ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, জাইকা এর অর্থায়নে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় সরকারি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ পরিচালনা করছে আর-রাদ কর্পোরেশন।

অভিযোগে বলা হয়, চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের পর থেকে বিভিন্নভাবে চাঁদা দাবি করে আসছেন এবং চাঁদা না দেওয়ায় প্রকল্পের কাজ বন্ধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া ১৪ এপ্রিল ২০২৬ সালের পর থেকে তার দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে বলেও এজাহারে দাবি করা হয়। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলে ১৩ মে ২০২৬ তারিখে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়। এরপরও অভিযুক্তরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন।

১৯ মে রাতে প্রকল্প এলাকায় এসে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং কাজ চালিয়ে গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণনাশ ও স্থাপনা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া ২৩ মে দুপুরে চেয়ারম্যান, তার ছেলে এবং স্থানীয় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ২০-২৫টি মোটরসাইকেলে করে প্রকল্প এলাকায় এসে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আর-রাদ কর্পোরেশনের নির্মাণকাজ স্বাভাবিকভাবেই চলমান রয়েছে। স্থানীয় উন্নয়নকর্মী তুহিন মণ্ডল বলেন, “আর-রাদ কর্পোরেশন যে অভিযোগে মামলা করেছে, সেটি সঠিক নয়। আমরা এখানে কখনো চাঁদাবাজির কারণে কাজ বন্ধ হতে দেখিনি। যেদিন ও যে সময়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেদিন চেয়ারম্যানসহ আমরা অনেকেই ইউনিয়ন পরিষদে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলাম।” স্থানীয় বাসিন্দা রহিম আকন্দ বলেন, “বরং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিবেশের ক্ষতি করে কাজ করছে। এসব বিষয়ে কেউ কথা বলতে গেলে তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া গেলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। আইনগতভাবে আমি বিষয়টি মোকাবিলা করব।” তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে আর-রাদ কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আনীত অভিযোগের সত্য বলে জানিয়েছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকায় উদ্ধার হওয়া প্রায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)।

রোববার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান।

স্বাগত বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান।
সম্মানিত অতিথি ছিলেন, সেক্টর কমান্ডর ক:মোহা: মাসুদুর রহমান, পিএসসি, জেলা প্রশাসক মিস কাউছার আজিজ, সিনিযর জুডিশিয়াল ম্যাজি: মেহেদি হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুল্লাহ, সাতক্ষীরা মাদক দ্রব্য নিযন্তন অধিদপ্তর, মিজানুর রহমান শরিফ প্রমুখ।

বিজিবি জানায়, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন বিওপি এবং ব্যাটালিয়ন সদর পরিচালিত অভিযানে ৪৮ জন আসামিসহ মোট ১২৬ কোটি ৬৬ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫৬ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ছিল।

ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে ছিল ৩ হাজার ৭৯১ বোতল বিভিন্ন ধরনের মদ, ৪ হাজার ৫২৪ বোতল ফেনসিডিল ও সমজাতীয় মাদক, ৪৭ হাজার ২৭০ পিস ইয়াবা, ৬ লাখ ৭ হাজার ৭৬৯ পিস বিড়ি ও সিগারেট, ৩৩ দশমিক ৪০০ কেজি গাঁজা, ৬৩ লাখ ১৩ হাজার ১২০ পিস বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ঔষধ, ৩৫ কেজি তামাকের গুঁড়া, ২ বোতল লিকুইড সীসা, ১০০ কেজি মাদক তৈরিতে ব্যবহৃত বট পাতা, ৭২ দশমিক ৫০ মিলিলিটার এলএসডি, ৮ দশমিক ৫৮৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং আফিম তৈরির ২০ বোতল কেমিক্যাল।

প্রধান অতিথি বলেন, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা দিন-রাত নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি বলেন, মাদক একটি বহুমাত্রিক সামাজিক সমস্যা। এ সমস্যা মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এজন্য তিনি মাদকবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ
দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সাবেক সংসদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের  প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, মতবিনিময় এবং ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।
রবিবার অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে নেতৃত্ব দেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, বর্তমান সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক সভাপতি শেখ সিরাজুল ইসলাম এবং দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা আব্দুল হাবিব মন্টু। এ সময় দেবহাটা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজনৈতিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নেতৃবৃন্দ আগামী দিনে দলকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও জনমুখী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তারা বলেন, হাবিবুল ইসলাম হাবিবের আন্তরিক নেতৃত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং জনকল্যাণে নিবেদিত মানসিকতা দীর্ঘদিন ধরে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও তিনি সাতক্ষীরা জেলার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাবেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে নেতৃবৃন্দ হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং দেবহাটা উপজেলা বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিতে সাতক্ষীরার কৃষি, টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিনিধি: উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় দিন দিন বাড়ছে লবণাক্ততা। এর প্রভাবে কৃষিজমি, নিরাপদ পানির উৎস এবং খাদ্য উৎপাদন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় পরিবেশবান্ধব কৃষি, সমন্বিত চাষাবাদ এবং নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

রোববার (২৮ জুন) সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) আয়োজিত ‘খাদ্য ব্যবস্থা, উপকূলীয় বাস্তবতা ও এগ্রোইকোলজি: ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই ভবিষ্যতের সন্ধানে’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তারা এই আহবান জানান।

গ্রীন কোয়ালিশন (সবুজ সংহতি) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা জাহারুল ইসলাম।

সংলাপে বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা উপকূলীয় জেলা হওয়ায় এখানে লবণাক্ততা দিন দিন বাড়ছে। ফলে আগের মতো অনেক ফসলের আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। কৃষকদের চাষাবাদের ধরনও পরিবর্তন করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে উপকূলের বহু মানুষ নিরাপদ পানির সংকটে ভুগছেন। অনেক পরিবারকে পানি কিনে ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রায় নতুন সংকট তৈরি করছে।

বক্তারা আরও বলেন, কৃষিকাজে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও তাদের শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় না। কৃষিতে নারীর অধিকার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পরিবেশের পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে সমন্বিত চাষাবাদ ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে। সবাই মিলে উদ্যোগ নিলে সাতক্ষীরা ও সুন্দরবনকে রক্ষা করা সম্ভব বলেও মত দেন তারা।

সংলাপে বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়ক মো. শাহিন ইসলাম উপকূলীয় অঞ্চলের খাদ্য ব্যবস্থা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং এগ্রোইকোলজিভিত্তিক কৃষির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, শুধু খাদ্য উৎপাদন বাড়ালেই হবে না। এমন কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে মাটি, পানি ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে, কৃষক ন্যায্যমূল্য পান এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ খাদ্য পায়। এজন্য স্থানীয় বীজ সংরক্ষণ, রাসায়নিকের ব্যবহার কমানো এবং পরিবেশবান্ধব সমন্বিত চাষাবাদ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষক ও পরিবেশ উভয়কেই সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব।

তারা বলেন, সাতক্ষীরার কৃষি, পরিবেশ ও খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার, কৃষক, গবেষক, গণমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

সংলাপে আরও বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা প্লাবনী সরকার, নাগরিক নেতা ও সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, নাগরিক নেতা আলী নুর খান বাবুল, নাগরিক নেতা ও সাংবাদিক এম. কামরুজ্জামান, গ্রীন কোয়ালিশনের যুগ্ম সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন, ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরামের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের ইফতি জামিল, বারসিকের সহকারী সমন্বয়কারী শাহেদা আজবেলা এবং রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভোকেসি অফিসার আমরীন বিনতে আজাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আদালতের আদেশ অমান্য করে বাঁশদহে পৈত্রিক জমি জবর দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : আদালতের আদেশ অমান্য করে ভূমি দস্যু চক্র পৈত্রিক জমি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা সদরের বাঁশদহা ইউনিয়নের আইসপাড়া গ্রামের আল ইকরামুল হোসেনের পৈত্রিক সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করে বাড়িঘড় ভাঙচুর ও গাছপালা কেটে জবরদখলের চেষ্টা চালিয়েছে একই গ্রামের মৃত করিম সরদারের ছেলে আবুল খায়ের, আব্দুল জলিলের ছেলে পল্টু, আব্দুল লতিফ এর ছেলে সাইফুল, আব্দুর রহিম সরদারের ছেলে শহিদুল সহ ৪০/৪২ জনের অধিক একটি সন্ত্রাসী ভূমি দস্যু গ্রুপ।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে।

আইসপাড়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে আল ইকরামুল হাসান শনিবার (২৭ জুন) বাদী হয়ে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

ডায়েরীতে বাদী বিবাদী গণের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেন পূর্ব শত্রুতার জের ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন যাবত আমাদের সাথে বিরোধ চলছিল।আদালতের আদেশ অমান্য করে  বিবাদীগণ গত ৫ ই জুন ২০২৬ তারিখ একই জমিতে গাছপালা কর্তন ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে । এ ব্যাপারে বিজ্ঞ দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল আদালতে গত ৭ই জুন ২০২৬ তারিখের একটি মামলা দায়ের করা হয় । মামলাটি বর্তমানে পুলিশ বুড়ো অফ ইন্ডাস্ট্রিগেশনে (পিবিআই) তে তদন্তাধীন অবস্থায় আছে, যার মামলা নাম্বার ৪১২৬। পিটিশন মূলে ২১৫১!২৫ নাম্বারে ১৪৪ ধারা জারি আছে।

আদালতের আদেশ অমান্য করে বিবাদীগণ গত ২৬ জুন ২০২৬ তারিখ আবারো একই জমিতে গাছপালা বর্তন সহ বাড়িঘর ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে জোরপূর্বক জবর দখলের চেষ্টা করেছে।

এ ব্যাপারে বাদী আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তারপূর্বক ন্যায় বিচারের জন্য জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার বর্ধিত সভা  

জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি শ্রী স্বপন কুমার শীল এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদকের প্রতিনিধি হিসেবে শ্রী নিত্যানন্দ আমিনের সঞ্চালনায় সাতক্ষীরা জেলা মন্দিরের নাট মন্দির প্রাঙ্গণে আসন্ন শ্রী শ্রী ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন, পরবর্তী দ্বিবার্ষিক জেলা সম্মেলন উপলক্ষে আহ্বায়ক কমিটি গঠন এবং সাংগঠনিক বিষয়ে এজেন্ডাভিত্তিক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক সহসম্পাদক শ্রী বিপ্লব কুমার সাহা। তিনি আগামী জেলা সম্মেলনের বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূুলক বক্তব্য উপস্থাপন করেন। আগামী জন্মাষ্টমী উৎসব প্রতি বছরের ন্যায় আড়ম্বরপূর্ণ রা্লিসহকারে অনুষ্টানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং সর্বসম্মতিক্রমে  শ্রী নিত্যানন্দ আমিনকে আহ্বায়ক ও শ্রী অসীম কুমার দাস সোনাকে সদস্যসচিব করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। আগামী দুই মাসের মধ্যে উপজেলা সম্মেলন শেষ করে সেপ্টেম্বর মাসের শেষার্ধে জেলা সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলা সম্মেলনের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে শ্রী বিশ্বনাথ ঘোষকে আহ্বায়ক এবং শ্রী অসীম কুমার দাস সোনাকে সদস্যসচিব করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শ্রী বিশ্বজিৎ সাধু, জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি শ্রী সোমনাথ ব্যানার্জী, সংগঠনের সহ-সভাপতি গৌর চন্দ্র দত্ত, অধ্যক্ষ শিব পদ গাইন, সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিশ্বনাথ ঘোষ, নীলকন্ঠ সোম, শ্রী অসীম কুমার দাস সোনা, এ্যাড. কৃষ্ণ পদ মন্ডল, শ্রী সন্দীপ কুমার রায়, শ্রী নারায়ণ চন্দ্র মজুমদার, শ্রী অমিত ঘোষ বাপ্পা এবং শ্রী সুজন বিশ্বাস প্রমূখ।  প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক : চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর ইস্যুতে বাংলাদেশ তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তার ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে সম্ভাবনা ও বিভিন্ন দিক এখনো পর্যবেক্ষণ এবং মূল্যায়নের পর্যায়ে রয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করিডোর-সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার এখনই কোনো চূড়ান্ত অবস্থান গ্রহণ করেনি। সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের ব্রিকসে অন্তর্ভুক্তি, তিস্তা মহাপরিকল্পনা এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতার বিষয়ে চীন ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছে। তার মতে, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক বর্তমানে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে খুব শিগগিরই সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ব্রিকসে বাংলাদেশের সদস্যপদ অর্জনের প্রচেষ্টাতেও চীন সহায়তা করবে।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে সেখানে অবস্থানরত অনিয়মিত বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধ করার উদ্যোগ এবং নতুন শ্রমিক নিয়োগের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে, আসিয়ানের সদস্যপদ লাভের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছে মালয়েশিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest